সমঝোতা না হলে ওয়ান ইলেভেন (!)
প্রকাশ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২২:২৪
জনগণ চায় সমঝোতা, ওয়ান ইলেভেন নয়
আগামী দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরো অস্থিতিশীল হয়ে উঠবে। একদিকে সরকার চাইছে বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী আগামী জাতীয় নির্বাচন দিতে। অন্যদিকে বিরোধী দল বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী, সরকার ক্ষমতায় থেকে সরকারের অধীনে নির্বাচন দিলে তারা সেই নির্বাচনে অংশ নেবে না বলে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে। প্রধান বিরোধী দল নির্বাচনে না আসলে নির্বাচন দেয়া কষ্টকর হয়ে যাবে এবং দেশের জনগণ তা মানবে না। তাই আলোচনার মাধ্যমে যেভাবেই হউক বিরোধী দলকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করানোর ব্যবস্থা করতে হবে। এমতাবস্থায়, রাজনৈতিক মাঠকে আর ঘোলাটে না করে উভয়ই আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতায় আসুন। দেশের মানুষ ২০০৬ সালের মতো আবারও ওয়ান-ইলেভেন দেখতে চাই না।
রোমন খান
নৃবিজ্ঞান বিভাগ, ৩য় বর্ষ, ১ম সেমিস্টার
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
===
সমস্যা সমাধানের একমাত্র পথ আলোচনা
বর্তমানে আমাদের দেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ব্যবস্থা নিয়ে যে রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি হয়েছে তা সমাধানের জন্য সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে আলোচনার কোন বিকল্প নেই। একমাত্র আলোচনাই পারে এ সমস্যার সমাধান করতে। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করছি, সরকার তার সিদ্ধান্তে অটল। অন্যদিকে বিরোধী দল তার সিদ্ধান্তে অটল। যদি এভাবে চলতে থাকে তাহলে এদেশে আরও একটি ওয়ান-ইলেভেন আসবে এতে কোন সন্দেহ নেই। যদি আরেকটি ওয়ান-ইলেভেন আসে তাহলে রাজনীতিবিদদের চরম মাশুল দিতে হবে। আর দেশ নিমজ্জিত হবে এক গভীর রাজনৈতিক সংকটে।
মো. আনোয়ার হোসেন
এমএসএস (রাষ্ট্রবিজ্ঞান)
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
===
১/১১ আর হবে না
১/১১ মত অবস্থা দেশে এখনো তৈরি হয়নি। আর সেটা আদৌ হবে না। কেননা ১/১১ থেকে দুই নেত্রী যথেষ্ট শিক্ষা নিয়েছে। আপন ভাল কে না বোঝে? কিন্তু তারপর কেউ কাউকে ছাড় দিচ্ছে না। এই তো। হ্যাঁ দিবে, দিন যত সামনে গড়াবে ছাড়ের মাত্রা তত বাড়বে। সেটা একটু লক্ষ্য করলেই বোঝা যায়। আর সেই ছাড় বিএনপিকেই দিতে হবে। তা ছাড়া উপায় নেই! নতুবা আমও যাবে ছালাও যাবে।
গাজী মহসিন
বিবিএ শিক্ষার্থী
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
আমতলী, বরগুনা
==
সমঝোতা না হলে দেশের পরিস্থিতি খারাপের দিকেই যাবে
দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এখন রাজনীতির চাপের মুখে। রাজনীতিকে কেন্দ্র করে সবকিছু নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। এই রাজনীতির খেলার মাঠে দলগুলো একে অপরের দিকে আঙুল তুলছে। উন্নত যে কোন দেশের দিকে তাকালে এই দৃশ্যটি খুবই কম দেখা যায়। আমাদের রাজনৈতিক ব্যক্তিদের মন-মানসিকতা এমন হয়ে গেছে যে, তারা দেশের স্বার্থ ভুলে গেছে। নিজেদের স্বার্থটাকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। আর ওয়ান-ইলেভেনের পক্ষের ও বিপক্ষের শক্তি সেই স্বার্থ হাসিল করতে খুব তত্পর। এখানে মুষ্টিমেয় কিছু লোকের কথা চিন্তা না করে সমগ্র দেশের জনগণের কথা চিন্তা করতে হবে। কারণ জনগণই উন্নয়নের চাবিকাঠি।
চঞ্চল কুমার মন্ডল
বিবিএ (অনার্স) ২য় বর্ষ,
হিসাব বিজ্ঞান বিভাগ
ধামরাই সরকারি কলেজ, ঢাকা
===
সমঝোতা না হলে সংঘাত অনিবার্য
বিল্টু মিয়া একটি পরিবারের অভিভাবক। অপরের ক্ষেতের আইল কাটা তার স্বভাব। এ নিয়ে মানুষের অভিযোগের শেষ নেই। পরিবারের সবাই বলল, আমরা জমি চাই না, শান্তি চাই। তুমি এসব ছেড়ে দাও। কিন্তু বিল্টু তার একগুয়েমিতে অনড়। তার বড়ই লোভী মন। সে সমঝোতা না করে অপরের আইল কেটেই চলল। একদিন বিল্টুর বিরুদ্ধে ফুঁসে ওঠল সব মানুষ। শুরু হলো রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ। বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারালো বিল্টুর নিরপরাধ দুইটি ছেলে। বাংলাদেশের রাজনীতিও আজ বিল্টু মিয়ার পরিবারের মতো দেশকে ঠেলে দিচ্ছে সংঘাত ও অশান্তির দিকে।
মাহদী হাসান লিখন
বিবিএস (সম্মান)
ব্যবস্থাপনা বিভাগ,
ফাইনাল ইয়ার
শেরপুর সরকারি কলেজ