সমঝোতা না হলে ওয়ান ইলেভেন (!)
প্রকাশ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩, ২১:৫৩
সংঘাত নয় প্রয়োজন সংলাপ ও সমঝোতা
কালের চরকা ঘুরতে ঘুরতে ঘনিয়ে আসছে নির্বাচন। কিন্তু একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে দেশবাসীর সংশয়ের শেষ নেই। কারণ প্রধান দু’টি রাজনৈতিক দল তাদের নিজ নিজ অবস্থানে অনড়। বিরোধী দল চায় নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার কিন্তু সরকারের একটাই উত্তর ‘তত্ত্বাবধায়কের অধীনে নির্বাচন হবে না।’ দুই দলের দুই মেরুতে অবস্থানের কারণে উত্তাল হচ্ছে রাজনৈতিক অঙ্গন কিন্তু গত নির্বাচনপূর্বক জটিলতাগুলো কারোই ভুলে যাওয়া উচিত নয়। ভুলে যাওয়া উচিত নয় ওয়ান ইলেভেনের কথা, সেনাসমর্থিত সরকারের কথা, দেশবাসী আর ওয়ান ইলেভেন চায় না। চায় না সেনাসমর্থিত সরকার, দেশবাসীর প্রত্যাশা একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন।
সৈয়দ ইনজাম
টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং,
গ্রীন ইউনিভার্সিটি, মিরপুর-২
০০০০০
সমঝোতা না হলে ওয়ান ইলেভেন অবশ্যম্ভাবী
দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি সুখকর নয়। গণতান্ত্রিক এই দেশে নির্বাচন নিয়ে গণমানুষের মনে একটি রাজনৈতিক ইস্যুকে কেন্দ্র করে দু’টি দলের মারমুখী অবস্থান দেশের জন্য হুকমিস্বরূপ। বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। রাজনৈতিক সমস্যা সমঝোতার মাধ্যমে রাজনৈতিকভাবেই সমাধান সম্ভব। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মাননীয় বিরোধী দলের নেতাকে দেশের স্বার্থে এবং দেশকে ভবিষত্ সম্ভাবনার দিকে পরিচালিত করতে এখনই সমস্যা সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে হবে। আর সমঝোতার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান না হলে দেশে আরেকবার ওয়ান ইলেভেনের আবির্ভাব ঘটবে।
মো. আবদুর রশিদ
এমএ, তথ্য বিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার
ব্যবস্থাপনা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
০০০০০
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ওয়ান ইলেভেন আর কাম্য নয়
বিরোধী দল থেকে বলা হচ্ছে ২৫ অক্টোবর সংসদ ভেঙ্গে দেয়া না হলে, তার আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা না হলে রেলপথ, রাজপথ অবরোধ করা হবে, তাতে সরকার পালাবার পথ খুঁজে পাবে না। তাই সরকারের উচিত বিরোধী দলের সাথে সমঝোতা করে দেশের ৯০% গণমানুষের দাবি তত্ত্বাবধায়ক সরকার অন্তর্ভুক্ত করে দেশকে আরেকটি ওয়ান ইলেভেন থেকে রক্ষা করা। কেননা এ দেশের মানুষ মঈন-ফখরুদ্দীন গংদেরকে আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না।
মো. আকবর হোসাইন
দাওয়াহ এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ
বিভাগ, তৃতীয়বর্ষ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়,
কুষ্টিয়া
০০০০০
প্রধান দু’দল যদি সমঝোতায় না পৌঁছায়, তাহলে
সংঘাত অনিবার্য
প্রধান সমস্যা হল আগামী নির্বাচন নিয়ে। প্রধান বিরোধী দল বলছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচনে যাবে না। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ সরকার বলছে বিএনপি নির্বাচনে আসুক বা না আসুক তাদের অধীনেই নির্বাচন হবে। দু’দলের কাদা ছোড়া খেলার কারণে দেশের নিরীহ জনসাধারণ সবসময় ভয়-ভীতির মধ্যে আছে। বহির্বিশ্ব থেকে বার বার আলোচনার জন্য তাগিদ দিচ্ছে। তাই দু’দলের প্রতি জোড় আবেদন, নিজেদের ক্ষুদ্র স্বার্থ পরিহার করে, দেশের জনগণের বৃহত্ স্বার্থ চিন্তা করে আলোচনায় বসুন।
এস.এম স্বপন
বি.এস.এস,
সরকারি তিতুমীর কলেজ,
মহাখালী, ঢাকা
০০০০০
বইছে তা ওয়ান ইলেভেনের নয়, তা ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনীয় বাতাস
বর্তমানে দেশে নির্বাচনের যে হাওয়া বইছে তা ওয়ান ইলেভেনের নয়, তা ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনীয় বাতাস। যদি তাই না হবে, তাহলে দেশের বিভিন্ন মহল ও বিভিন্ন রাষ্ট্রের সমঝোতার আহ্বানেও সরকার তার সিদ্ধান্তে অনড়। বিএনপি শেখ হাসিনাকে বাদ দিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের রূপরেখা দিচ্ছে। রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বিদেশি বিভিন্ন কোম্পানী বাংলাদেশ থেকে তাদের ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছে। দেশের ভাবমূর্তি ধ্বংস হচ্ছে। দেশের মানুষ কিভাবে জীবন-যাপন করছে। এসব কোন কিছুতেই তাদের মাথা-ব্যথা নেই। তাদের মাথা-ব্যথা শুধু ক্ষমতা ধরে রাখা এবং ফিরে পাওয়া নিয়ে। তা যেকোন মূল্যেই হোক।
শামীম সুলতানা,
এলএলএম,
অতিশ দিপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
বিশ্ববিদ্যালয়, পান্থপথ,
ঢাকা