সমঝোতা না হলে ওয়ান ইলেভেন (!)

তৃতীয় কোন অগণতান্ত্রিক শক্তি ক্ষমতায় আসতে পারে যা কাম্য নয় বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। বাংলাদেশে আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশে এক অচলাবস্তা সৃষ্টি হয়েছে। আর এই অচলাবস্থা হতে মুক্ত হওয়ার জন্য চাই সমঝোতা। কিছুদিন পূর্বে আমরা নেপালে দেখেছি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে নেপালের বৃহত্ চারটি দল আলোচনা করে প্রধান বিচারপতি খিলরাজ বেগমীকে নির্বাচন করে। পাকিস্তানেও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে আলোচনা হয়েছিল। তাহলে আমাদের আলোচনা করতে সমস্যা কোথায়। গণতন্ত্রের স্বার্থেই সরকার এবং বিরোধী দলকে সমঝোতায় আসতে হবে। অন্যথায় তৃতীয় কোন অগণতান্ত্রিক শক্তি ক্ষমতায় আসতে পারে যা কাম্য নয়। এস এ সফিক, অনার্স ৪র্থ বর্ষ, রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগ, নেত্রকোনা সরকারি কলেজ ০০০০০০ স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচিত সাংসদকে অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান করা যেতে পারে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচিত যে সংসদ সদস্য সরকার গঠনে অংশীদার হননি কিন্তু স্বতন্ত্র সাংসদদের মধ্যে সর্বোচ্চ দিন সংসদ অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন তাকে অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান করে অনির্বাচিতের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর এড়ানো যেতে পারে। নির্বাচিত স্বতন্ত্র সাংসদদের মধ্য (সরকারের অংশীদারিত্ব গ্রহণকারী ব্যতিত) থেকে যদি কেউ রাজি না থাকে তবে গত নির্বাচনে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে পরাজিত স্বতন্ত্র প্রার্থীকে সরকার প্রধান করা যেতে পারে। আর গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজ দলীয় প্রতীক নিয়ে অংশগ্রহণকারী দলগুলো তাদের প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে উপদেষ্টা নির্বাচন করবে। আশা করি এভাবে হলে ওয়ান ইলেভেন এর আশঙ্কা দূর হবে। ইনশিরা আনোয়ার, এমএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং, ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-১৭০০ ০০০০০০ সংবিধান নয়, সুষ্ঠু নির্বাচনই জরুরি বাংলাদেশে বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থার জন্য রাজনীতিকরা যতটা দায়ী ঠিক ততটাই আমরা বা ভোটাররা দায়ী। আমাদের অসচেতনতাই রাজনীতিকে সন্ত্রাসীদের হাতে তুলে দিয়েছে। জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে আমাদেরকে সচেতন হতে হবে। আমাদের সবার সক্রিয়ভাবে উপলব্ধি করা উচিত সবার অংশগ্রহণে সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন স্থিতিশীল বাংলাদেশের জন্য অপরিহার্য। বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিক সংঘাত চায় না, শান্তি চায়। নিরাপদে বিনিয়োগ চায়, নির্বিঘ্নে বাণিজ্য করতে চায়। রাজনীতির মোড়কে সন্ত্রাসীদের আধিপত্য মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বা ইসলামের চেতনা হতে পারে না। যারা এই রকম অসুস্থ রাজনীতি করবে তাদেরকে আমাদের বর্জন করা উচিত। জনগণ যদি যথাযথভাবে ভাল-মন্দ যাচাই করতে পারেন তাহলেই স্থিতিশীল বাংলাদেশ অনেকাংশে সম্ভব। মিঠুন রেজাউল হান্নান, যোগাযোগ ও গণমাধ্যম শিক্ষা বিভাগ, ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভ-ইউডা ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৫ ০০০০০ সংঘাত নয় আলোচনার মধ্যে রয়েছে সমাধান কিভাবে হবে এই সমাধান, মানুষ আজ নিরব দর্শক। সরকারি দল ও বিরোধী দলের পাল্টাপাল্টি সমালোচনার ঝড়। জানি না এই ঝড়ে আম কুড়াবে কে? তবে এ বিষয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে রয়েছে বড় ধরনের সংশয়। আর এ সংশয় দূর করার কোন চেষ্টাই দেখা যাচ্ছে না বৃহত্তর এই দুই দলের। বৃহত্তর এই দুই দলের সাথে দেশের সকল মানুষের ভাগ্য জড়িত রয়েছে। দেশের মানুষের কথা না ভেবে দু’দলই তাদের ক্ষমতার লড়াইয়ে মত্ত। আমি আশা করি দুই দলই তাদের হিংসাত্মক মনোভাব পরিহার করে দেশের সাধারণ মানুষের কথা ভেবে আলোচনার মাধ্যমে একটি সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাবে। মো. তাজমুল হুদা (উল্লাস), মাষ্টার্স- ২য় বর্ষ, রাষ্টবিজ্ঞান বিভাগ, সরকারি সা’দত কলেজ (জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়), করটিয়া, টাঙ্গাইল ০০০০০০ সংলাপ, সমঝোতা এখন সময়ের দাবি ওয়ান ইলেভেনের দুঃসহ স্মৃতি মনে থাকলে প্রধান দুই দল সমঝোতার দিকেই এগুবে। বিকল্প চিন্তা মাথায় আসার কথা নয়। দেশের জনগণ সংঘাত, সংঘর্ষ চায় না, সংলাপ চায় এটুকু অন্তত বোঝা উচিত। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে স্বাভাবিকভাবে মানুষের বোধ শক্তি ফিরে আসে। কিন্তু আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর দিকে তাকালে এর ছিটে-ফোঁটাও খুঁজে পাওয়া যায় না। তারা ক্ষমতার ধান্দায় অন্ধ হয়ে গেছেন। এই যদি হয় রাজনীতির চলমান অবস্থা তবে আমাদের ভবিষ্যত্ বলে আদৌ কিছু আছে কি? প্রধান দুই দলের কাছে এ প্রজন্মের আকুল আবেদন- জনগণ কি চায় তা অনুধাবন করতে চেষ্টা করুন। দেশ তথা জাতির বৃহত্তর স্বার্থে সংঘাত ভুলে সংলাপে বসুন। পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে সৃষ্ট সমস্যার যথাযথ সমাধান করুন। দেশ ও জনগণের জন্য এমন কিছু করুন যা পরবর্তী প্রজন্মের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকে। সায়াদাত চমন, বিবিএস (অনার্স), এমবিএস (ফাইনাল), হিসাববিজ্ঞান বিভাগ, সরকারি তিতুমীর কলেজ, ঢাকা