সমঝোতা না হলে ওয়ান ইলেভেন (!)

সংঘাত অনিবার্য চাই সমাধান কোন দেশের রাজনৈতিক সংকট শুধু ঐ দেশের রাজনৈতিক বিপর্যয় সৃষ্টি করে না। দেশের চালিকাশক্তি অর্থনীতিকেও ধ্বংস করে। বৃদ্ধি পায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও বিশৃঙ্খলতা। সম্ভাবনা থাকে তৃতীয় শক্তির হস্তক্ষেপের। মোটকথা সামগ্রিক দিক থেকে দেশটি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যায়। বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকট ক্রমেই বেড়ে চলছে। এ সংকট নিরসনে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ বার বার আহ্বান জানালেও এর কোন সুফল পাওয়া যায়নি। সরকার এ সংকট নিরসনে কোন পদক্ষেপ নেয়ার পরিবর্তে বার বার তাদের শক্ত অবস্থানকে জানিয়ে দিচ্ছে। আর বিরোধী দলও তাদের দাবি আদায়ে প্রয়োজনে যুদ্ধের কথা বলছে। দু’দলের এরূপ শক্ত অবস্থান সংঘাতের আলামত। গণতান্ত্রিক কোন দেশে এটি কাম্য নয়। দেশবাসী আজ এ নিয়ে সংকিত। দেশের কল্যাণে, জনগণের কল্যাণে, গণতন্ত্রের সুরক্ষায় দেশবাসী আজ সুষ্ঠু সমাধানের পানে তাকিয়ে আছে। মো. ওয়ালী উল্লাহ ২য় বর্ষ, দাওয়াহ এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া মন দিয়ে মন জয় করুন দেশের জন্য সরকার, সরকারের জন্য দেশ নয়। বাংলাদেশের অবস্থা আজ সংকটপূর্ণ একথা স্পষ্ট। ১/১১ মানেই জাতির কাছে একটি আতংকের নাম। মাত্র কয়েক বছর আগে একটু খেয়াল করলে মনে পড়ে যায়, গত ১/১১-এ কী হয়েছিল এদেশের অবস্থা, এদেশের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক অবস্থা। তাই বলতে চাই “ন্যাড়া বেলতলা একবারই যায়”। ক্ষমতাসীন দল ও প্রধান বিরোধী দলকে অনুরোধ জানাই, যাতে আর কোন ১/১১ এই সোনার বাংলাদেশে না আসে। কারও জন্য, দেশের মানুষের জন্য, মানুষের খাদ্য, শিক্ষা, চিকিত্সা ইত্যাদির কথা চিন্তা করে দুই দলকে এগিয়ে আসতে হবে। মনে রাখা উচিত, জনগণই কিন্তু সরকার গঠনের মূল উত্স, জনগণকে বাদ দিয়ে সরকার গঠন নয়। কোন দলই সাধারণ মানুষের রক্ত দিয়ে সংঘাত-এর পথ বেছে নিয়ে, সরকার গঠনের স্বপ্ন দেখা উচিত নয়। যে আশা নিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধারা এ দেশের জন্য জীবন দিয়েছিলেন, সে স্বাধীন দেশে স্বাধীনভাবে বাঁচতে ও বাঁচাতে জাতীয় স্বার্থে সোনার বাংলাকে সুন্দরভাবে গড়তে এ দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে রক্ত দিয়ে নয়, ১/১১ দিয়ে নয়, সংঘাত করে নয়, মন দিয়ে মন জয় করুন। মু. সানাউল্লাহ আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া সংলাপ ও সমঝোতার দ্বার খুলুন নয়তো ওয়ান ইলেভেন অনিবার্য ওয়ান ইলেভেন গণতন্ত্রের জন্য এক অশনিসংকেত। গণতন্ত্রকামী জনগণের কাছে এটি কখনোই কাম্য নয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন সন্নিকটে, আর এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জনগণের মাঝে যে আতংক ও ভীতির সঞ্চার হয়েছে তা হলো, প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের ঐক্যমতে পৌঁছাতে না পারা। শুধু কি তাই? এই উদ্বেগ দেশের গন্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক মহলকেও ভাবিয়ে তুলছে। উভয় দলই ভুলে গেছে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মূল চালিকাশক্তি জনগণ। জনগণ তাদের ভোট দেয় জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য, তাদের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বলি হবার জন্য নয়। যা হোক সাধারণ জনগণ-এর কথা চিন্তা করে সরকারি দলের প্রতি আমার পরামর্শ, আপনারা সবসময় সংবিধানের যে দোহাই দিচ্ছেন সেটা কিন্তু জনগণের জন্য। তাই জনগণের স্বার্থে যদি সেটা সংশোধনের প্রয়োজন হয়, তবে তাই করুন। আর বিরোধী দলের প্রতি পরামর্শ, আপনারা নতুন ধারার যে রাজনীতির সূচনা করতে চান তা যেন মানুষ হত্যা, সম্পদের ক্ষতিসাধন, শিক্ষার্থীদের সেশনজট, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি হ্রাস প্রভৃতি নির্মূলের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে। উভয় দলের এখনই সময় সংলাপ ও সমঝোতার দ্বার খুলে এক টেবিলে বসার। নয়তো ওয়ান ইলেভেন নামক অশুভ শক্তি সবাইকে গ্রাস করবে। মো. শাহিনুর রহমান (শিমুল) সম্মান ২য় বর্ষ (ইংরেজি বিভাগ), শেরপুর সরকারি কলেজ, শেরপুর দেশের স্বার্থে সুষ্ঠু নির্বাচনই কাম্য গণতন্ত্রকে বিসর্জন নয়, গণতন্ত্রকে আঁকড়ে ধরা একটি গণতান্ত্রিক দেশের কাম্য। বাংলাদেশে এখন যে রাজনৈতিক অবস্থা, সেটা নিয়ে অনেকের মনে বিভিন্ন রকম শঙ্কা। দুই দল যেভাবে তাদের অবস্থান সম্পর্কে দৃঢ় অবস্থানে আছে যেন তাদের একে অপরের উপর কোন আস্থা নেই। তাই এই বৃহত্তর রাজনৈতিক সংকটমুহূর্তে সঠিক অর্থ খুঁজে নিতে হবে যেন, সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব হয়। সংবিধান হল রাষ্ট্রের শাসনতন্ত্র বা রাষ্ট্র পরিচালনার মূল সহায়ক। তেমনি গণতান্ত্রিক দেশে জনগণের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে নির্বাচন হলে রাষ্ট্র পরিচালনার মূল সহায়ক সংবিধানের কোনরূপ অবমাননা হবে না, কেননা জনগণের মতামতকে গণতন্ত্র প্রাধান্য দেয়। এবং সংবিধানও এ দেশের মানুষের জন্য তৈরি। তাই এমতাবস্থায়, একটি গণভোটের আয়োজন করে জনগণের মতামত যাচাইয়ের যে ফল পাওয়া যাবে, সেটাতে আসলে জনগণ কী চাচ্ছে বা চাচ্ছে না। তাই দেশের স্বার্থে আমাদের হতে হবে কাঙ্ক্ষিত নির্বাচনের সঠিক পথ তৈরি করে গণতন্ত্রের ধারা অব্যাহত রাখা। মো. মাউসুদ রানা আইন বিভাগ, চতুর্থ বর্ষ, স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়