ঝিনাইদহের গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দু-গ্রুপের সংঘর্ষে নারীসহ কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। এ সময় ২০টি বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়েছে।
শুক্রবার রাত ১১টার দিকে সদর উপজেলার পরানপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে ৬ নারীসহ ৭ জনকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, হরিশংকরপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা ফারুকুজ্জামান ফরিদ এবং বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মাসুমের মধ্যে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছিল। গতকাল সন্ধ্যায় ঝিনাইদহ শহর থেকে বাড়ি ফেরার পথে মাসুম চেয়ারম্যানের সমর্থক গোলাপ নামের এক ব্যক্তিকে মারধর করে প্রতি পক্ষের সমর্থকরা। এরই জের ধরে ওই রাতে ইউনিয়নের পরানপুর, শীতারামপুর, চন্দ্রযামী ও কান্দড়া গ্রামের দুই পক্ষের সমর্থকরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের কয়েক জন আহত হয়। সে সময় বেশ কিছু বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়।
আরো পড়ুন : অবশেষে এলো স্বপ্নের ট্রফি
হরিশংকরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মাসুম অভিযোগ করেন, পরানপুর গ্রামে তার সমর্থকদের বাড়ি ঘরে হামলা ভাংচুর ও লুটপাট করে প্রতিপক্ষ ফরিদের লোকজন।
অপরদিকে ফারুকুজ্জামান ফরিদ বলেন, তিনি গতকাল ইফতারের আয়োজন করেন। তার প্রতিপক্ষ মাসুমের লোকজন পরানপুর গ্রামে তার সমর্থকদের বাড়িতে হামলা করে। খবর পেয়ে তার পক্ষের পরানপুর, সীতারামপর, চন্দ্রযামী ও কান্দরা গ্রামের লোকজন হামলাকারিদের প্রতিহত করে।
ইত্তেফাক/ইউবি