বল আসলেই কার কোটে?
কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান
প্রকাশ : ৩০ অক্টোবর ২০১৩, ২১:৪৫
রবীন্দ্রনাথের একটি গল্পের নাম হলো ‘বড়ো খবর’। এই গল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হলো কুসমি। কুসমি তার দাদাকে প্রায় সময়েই বড়ো বড়ো খবর শোনাতে অনুরোধ করত। দাদা মশাই বলতো বড়ো খবরের ঝুলি অনেক বড়ো। যদিও এর অধিকাংশই ‘রাবিশ’ তবুও বড়ো খবরের ঝুলি বয়ে বেড়ানো অনেক কঠিন।
রাবিশ শব্দটি আমাদের একজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী প্রায় ব্যবহার করে থাকেন। তিনিও কোন খবরে বিরক্ত হলে রাবিশ শব্দটি ব্যবহার করেন। রবীন্দ্রনাথ ‘রাবিশ’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন বড়ো খবরের অপ্রয়োজনীয় বিষয়গুলো বোঝাতে। রবীন্দ্রনাথের মতে বড়ো খবরের অধিকাংশই রাবিশ। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক আকাশে বড়ো খবরের অভাব নেই। সেই ২৫ অক্টোবরের পূর্ব থেকেই বড়ো খবরের ঢাক-ঢোল চলছে। প্রধানমন্ত্রীর জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ এবং নির্বাচনকালীন জাতীয় সরকারের প্রস্তাব, বিরোধী দলীয় নেত্রীর নির্দলীয় সরকারের পাল্টা প্রস্তাব, বিরোধী দলের সাংসদদের সংসদ গমন, মার্কিন রাষ্ট্রদূতের দিল্লী সফর এবং চীন সফরের গুঞ্জন সবই বড়ো খবর। সর্বশেষ বড়ো খবর হলো দুই নেত্রীর ফোনালাপ ও মিডিয়ায় তার প্রকাশ। এরই মধ্যে বিরোধী দলের তিন দিনের হরতাল ও বহু লোক নিহত হওয়ার খবর। পত্রিকার শিরোনামের জন্য গত কয়েকদিন যাবত্ বড়ো খবরের অভাব নেই। কিন্তু সমস্যা অন্যত্র। এই বড়ো খবরগুলোর রাবিশ অংশ বাদ দেয়া। রবীন্দ্রনাথের ‘বড়ো খবর’ গল্পের কুসমি দাদাকে বড়ো খবরের রাবিশ অংশগুলো বাদ দিয়ে আসল খবরটা শোনাতে অনুরোধ করেছিল। কিন্তু দাদা বলেছিল, রাবিশগুলো বাদ দিলে তো বড়ো খবর একদম ছোট হয়ে যাবে। তখন এটা আর বড়ো খবর থাকবে না, ছোট খবর হয়ে যাবে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবেশে নাটকের অনেক দৃশ্যই মঞ্চায়িত হচ্ছে। অভিনয় দেখে মনে হচ্ছে তার অধিকাংশই সুলিখিত ও পরিকল্পিত। এই মঞ্চায়িত দৃশ্যগুলোর মধ্যে বড়ো খবর বা ছোট খবর চিহ্নিত করা একটু জটিলই। তবুও এই সকল বড়ো খবরগুলোর মধ্যে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের দিল্লী সফর আকারে ছোট খবর হলেও আমার মতে এটিই সঠিক খবর। এই খবরই আগামী দিনে বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিবাদ সমাধানের নির্ধারক হবে। এই আলোচনায় পরে আসব।
অক্টোবরের শেষ দশ দিনের রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রই হলো বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানের বল এখন কার কোটে? বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতা যে বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিকদের জীবন ও সম্পদকে নিরাপত্তাহীন করেছে তাতে সন্দেহ নেই। আর তাই দেশের সকল নাগরিকেরই প্রত্যাশা এই সংকটের সমাধান হোক। তাই প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় সরকারের প্রস্তাবের পর অনেকের ধারণা এখন রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব বিএনপির। বিরোধী দলীয় নেত্রীর পাল্টা প্রস্তাবের পর অনেকেই মনে করেছিলেন এই সমস্যা সমাধান করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। এক পর্যায়ে সুশীল সমাজের লোকজন বলতে শুরু করল দুই নেত্রী এক সাথে বসে দু’জনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। ২৫ অক্টোবর বিরোধী দলীয় নেত্রীর আল্টিমেটাম এবং এরই প্রেক্ষিতে ফোনে বিরোধী দলীয় নেত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর নিমন্ত্রণ দুই নেত্রীর সংলাপের ব্যাপারে নাগরিকদেরকে আশবাদী করেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত টেলিফোনালাপ ফাঁস হওয়ার পর এটাই আবার নতুন জটিলতা তৈরি করছে।
যাহোক বল আসলেই কার কোটে? প্রথম উত্তর বিএনপি। ২য় উত্তর আওয়ামী লীগ। তৃতীয় উত্তর তাদের কারোরই কোটে নেই। বরং ২০০৬ সালের সেই পুরাতন কুশীলবদের কোটে।
প্রথম উত্তর বল বিএনপির কোটে। প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনকালীন জাতীয় সরকারের প্রস্তাবের ফলে রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব বিএনপির। কারণ প্রধানমন্ত্রী তার কঠোর অবস্থান থেকে সরে এসেছেন। তিনি বিএনপিকে নিয়েই সরকার গঠন করতে চান। নির্বাচনকালীন জাতীয় সরকারের ধারণা আমার জানামতে পৃথিবীর কোথাও নাই। প্রধানমন্ত্রী ভারত ও ব্রিটেনের নির্বাচনকালীন সংসদীয় গণতন্ত্রের ঐতিহ্য পায়ে ঠেলে সমঝোতার জন্য তার নির্বাচনকালীন সরকারে বিএনপিকে নিতে চাচ্ছেন। ২৫ অক্টোবর বিরোধী দলীয় নেত্রীর আল্টিমেটামের পর প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলীয় নেত্রীকে ফোন করলে অনেকের মধ্যে এই ধারণা জন্মে যে রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানের জন্য বিরোধী দলীয় নেত্রীরই উচিত মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে হাত বাড়িয়ে দেয়া। তাই অনেকে মনে করেন, হরতাল ও আন্দোলন প্রত্যাহার করে রাজনৈতিক সংকট সমাধানের দায়িত্ব এখন বিএনপির। তাই বল এখন বিএনপির কোটে।
দ্বিতীয় উত্তর হলো বল বিএনপি নয় আওয়ামী লীগেরই কোটে। বিএনপির বক্তব্য হলো আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায়। যারা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকে তাদেরকেই রাজনৈতিক সংকট সমাধানে উদ্যোগী ও আন্তরিক হতে হয়। ১৯৯৬ সালে তখনকার রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানে বিএনপিই উদ্যোগী হয়েছিল। তারাই তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিল এনে তা আইনে পরিণত করেছিল। বিএনপি মনে করে সংকটের মূলে হলো পঞ্চদশ সংশোধনী। আর এই সংশোধনীর জন্য আওয়ামী লীগই দায়ী। বিএনপি ইতোমধ্যেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পাল্টা প্রস্তাবও দিয়েছে। এই প্রস্তাব মেনে কতিপয় সংশোধনী সংসদে নিয়ে আসলেই রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। তাছাড়া প্রধানমন্ত্রীর সাথে ফোনালাপের পরেও বিএনপি নেত্রী গণভবনে গিয়ে আলোচনায় বসায় আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তাই রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব বিএনপির নয়, আওয়ামী লীগেরই।
তৃতীয় উত্তর হলো বল আসলে দুই নেত্রীর কারোরই কোটে নেই। বল এখন তৃতীয় কারো কোটে। প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনকালীন জাতীয় সরকারের ধারণা মেনে নিলে বিএনপিকেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনেই নির্বাচনে যেতে হয়। এতে তাদের আপত্তি রয়েছে। তাছাড়া, সংসদের আসন সংখ্যা অনুসারে যদি বিএনপিকে জাতীয় সরকারে মন্ত্রীত্ব দেয়া হয় তাহলে দুইবা তিনটির বেশি মন্ত্রী তারা পাবে না। এমতাবস্থায় শেখ হাসিনার জাতীয় সরকারে তারা যাবে না। একইভাবে আওয়ামী লীগ যদি মাননীয় বিরোধী দলীয় নেত্রীর নির্দলীয় অন্তর্বর্তী সরকারের ধারণা মেনে নেন তাহলে তাদেরকে পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিল করতে হয়। এটা আওয়ামী লীগের জন্য বিরাট রাজনৈতিক পরাজয়। এই অবস্থায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার আগেই আওয়ামী লীগ কর্মীদের মনোবল ভেঙ্গে যাবে। তাছাড়া, টেলিফোনালাপে দুই নেত্রীর অভিব্যক্তিও প্রমাণ করে না যে, তারা সত্যিই রাজনৈতিক সংকট সমাধানের জন্য আলোচনায় যাবেন অথবা আলোচনায় গেলেও তারা তাদের নিজস্ব নির্বাচনকালীন সরকারের প্রস্তাবের বাইরে যাবেন। বাস্তবতা হলো তারা যেতেও পারবেন না। কারণ আওয়ামী লীগ মনে করে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করলে তাদের পরাজয় অবশ্যম্ভাবী। অন্যদিকে বিএনপি মনে করে আওয়ামী লীগের কোনো নেতার অধীনে নির্বাচনে গেলে বিএনপির পরাজয়ও নিশ্চিত। সুতরাং দিন যত যাবে সংকট আরো গভীর সংকটে রূপ নিবে। এই অবস্থাতেই বল চলে যায় মাঠের বাইরে তৃতীয় কারোর হাতে। আমার মনে হয় বল ইতোমধ্যেই চলে গেছে তৃতীয় কারোর হাতে। দুই নেত্রী শুধু নাটকের দৃশ্যে অভিনয় করছেন। নাটক লিখেছে এবং পরিচালনা করছে অন্য কেউ।
রবীন্দ্রনাথ তার ‘বড়ো খবর’ গল্পে পাল ও দাঁড়ের রেষারেষির গল্প তুলে ধরেছেন। “পালের সঙ্গে দাঁড়ের বুঝি গোপন রেষারেষি,/ মনে মনে তর্ক করে কার সমাধর বেশি/ দাঁড় ভাবে যে পাঁচ-ছ’জনা গোলাম তাহার পাছে,/ একলা কেবল বুড়ো মাঝি পালের তত্ত্বে আছে।”
নদীমাতৃক এই বাংলাদেশে পদ্মা, মেঘনা, যমুনায় কত পাল তোলা নৌকা ভেসে থাকতে দেখি। পাল তোলা নৌকায় দাঁড় টানে কয়েকজন মাঝি। আর পালকে নির্দেশনা দেয় একজন বুড়ো মাঝি। পাল ভাবে দাঁড়ের সাথে জলের বৈরী সম্পর্ক। কিন্তু পাল বাতাসকে বুকে নিয়ে চলে। তাই পাল মনে করে—“ওরা মরে ঝেঁকে ঝেঁকেই শুধু লড়াই করে—/ ওঠে পড়ে পরের খেয়ে তাড়া,/ আমি চলি আকাশ থেকে যখনি পাই সাড়া।”
বাংলাদেশের রাজনীতিতেও রেষারেষি চলছে। পালও দাঁড়ের মতো আওয়ামী লীগ মনে করে বিএনপির সাথে যুদ্ধাপরাধী জামায়াত এবং কট্টর ইসলামপন্থী হেফাজত ছাড়া আর কেউ নেই। আর তাদের কারণে বহির্বিশ্ব বিএনপিকে উগ্রবাদী শক্তির আশ্রয় দানকারীই মনে করবে। তারা বিদেশি কূটনীতিকদের সাহায্য পাবে না। অন্যদিকে বিএনপি মনে করে ভারত ছাড়া আওয়ামী লীগের সাথে আর কেউ নেই। জনমত তাদের বিরুদ্ধে চলে গেছে। তাই আওয়ামী লীগ পরাজিত হবে, বিএনপিই মাঠের লড়াইয়ে জিতবে। অথচ তারা জানে না মাঠ আস্তে আস্তে অন্য কেউ দখলে নিয়ে নিচ্ছে। মার্কিন রাষ্ট্রদূতের ভারত সফর তারই ইঙ্গিত বহন করে। ভারত জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচিত সরকারের প্রতিই তাদের সমর্থন থাকবে। অর্থাত্ ভারত আওয়ামী লীগের পক্ষে। অন্যদিকে অধ্যাপক ইউনূস, বিশ্বব্যাংক ও পদ্মা সেতু ইস্যুতে আমেরিকার সাথে আওয়ামী লীগের সম্পর্ক ভাল যায়নি। তারা আওয়ামী বিরোধী শক্তির পক্ষে অবস্থান নিতে পারে। এমতাবস্থায় ভারত ও আমেরিকার বোঝাপড়ার ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান হবে আওয়ামী লীগ ছেড়ে ভারতের তৃতীয় কোনো শক্তির উপর আশ্রয় নেয়া। অন্যদিকে ভারতকে ভারসাম্য অবস্থায় নিয়ে আসতে হলে আমেরিকাকেও বিএনপি প্রীতি ছেড়ে তৃতীয় শক্তির উপর আশ্রয় নিতে হবে। আঞ্চলিক রাজনীতিতে ভারতকে বাইরে রাখার জন্য চীন বিএনপিকেই ক্ষমতায় চাইবে; যদিও তাইওয়ান ইস্যুতে সে বিএনপির উপর ক্ষুব্ধ। মার্কিন রাষ্ট্রদূতের ভবিষ্যত্ চীন সফরে চীন যদি তার জাতীয় স্বার্থের নিশ্চয়তা পায়, তাহলে সেও ভারত-আমেরিকার বোঝাপড়ায় একমত হতে পারে। আর তখন তৃতীয় কেউ ক্ষমতায় আসতে কোনো বাধাই থাকবে না। ২য় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কমিউনিস্টদের প্রতিরোধ গণতন্ত্র প্রবর্তন, স্বৈরশাসকদেরকে উত্খাত এবং মানবিক সাহায্যের নামে বিভিন্ন দেশের সরকার পরিবর্তনে প্রভাব বিস্তার করে আসছে। ১৯৫৩ সালে রেজা পাহলভিকে সাহায্য করেছে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে হটানোর জন্য, ১৯৫৪ সালে জেকব আরবেঞ্জের সরকারকে উত্খাতে গোয়েতামালায় কমিউনিস্ট বিরোধীদের সাহায্য করেছে। ১৯৭০ সালে বামপন্থী আলেন্দ সরকারকে হটাতে চিলিতে সাংবিধানিক ক্যু করেছে। জাতিসংঘের মানবিক সাহায্যের নামে ৯০ দশকে সোমালিয়ায় হস্তক্ষেপ করেছে। ক্লিনটন প্রশাসন হাইতিতে অপারেশন আপহোল্ড ডেমোক্রেসিতে অংশগ্রহণ করে অ্যারেস্টাইডের নির্বাচিত সরকারকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার জন্য। ২০১১ সালে লিবিয়াকে গাদ্দাফির স্বৈরশাসন থেকে রক্ষা করতে লিবিয়ান সিভিল ওয়ারকে সাহায্য করেছে। ২০১৩ সালে মিসরে সরকার পরিবর্তনেও সৌদি আরব ও যুক্তরাষ্ট্রের হাত রয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র তার হেজমনিক ইমেজ ধরে রাখার জন্য কতটা আগ্রাসী তা বোঝা যায় তার ইউরোপীয় মিত্রদের সরকার প্রধানদের ফোনে আড়ি পাতার মধ্যেও। একইভাবে ভারত ও আঞ্চলিক রাজনীতিতে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে থাকে। এই সেদিনও (অক্টোবর ০১, ২০১৩) ডির্গা রাজ প্রাসাই নেপালে ভারতের হস্তক্ষেপের অভিযোগ করেছেন। তিনি নেপালে নিযুক্ত বর্তমান রাষ্ট্রদূত রঞ্জিত রায়ের বিরুদ্ধেও অভিযোগ এনেছেন। বাংলাদেশের নেতা-নেত্রীদের এই রেষারেষির মধ্যে ভারত ও আমেরিকা বসে থাকবে না। তারা নতুন নাটক সাজাতে পারে। সেই নাটকের ইঙ্গিত পাওয়া যায় টাইমস অব ইন্ডিয়া এবং রয়টার্সের খবরে। টাইমস অব ইন্ডিয়া সুষ্ঠু নির্বাচন না হলে আঞ্চলিক নিরাপত্তা হুমকির সম্মুখীন হবে বলে আশঙ্কা করছে। রয়টার্স অরাজনৈতিক শক্তির উত্থানের ইঙ্গত দিয়েছে। যাহোক, গোলটা এখন কে দেয় বিএনপি, আওয়ামী লীগ না অন্য কেউ সেটাই এখন দেখার বিষয়। বাংলাদেশের রাষ্ট্র ব্যবস্থার নৌকার দাঁড় আর পাল চলবে এখন ‘আকাশ থেকে যখনি পাবে সাড়া’।
লেখক: শিক্ষক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
kazipoliticalscience@gmail.com