র্যাব মহাপরিচালক (র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ান) ড. বেনজীর আহমেদ দেশে আইএস-এর কোন হুমকি নেই দাবি করে বলেছেন, দেশের কোথাও আইএস-এর কোন হুমকি নেই। আর যেসব সমস্যা আছে, আমরা সেসব দেখছি। এ ব্যাপারে আতংকের কোন কারণ নেই।
তিনি রবিবার বিকেলে গোপালগঞ্জ শেখ ফজলুল হক মণি স্মৃতি অডিটোরিয়ামে জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান শেষে সাংবাদিকদের ‘আইএস জঙ্গি হুমকি’ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে র্যাব ডিজি বলেন, গুণীজনকে সম্মান দেখালে জাতিকে সম্মান দেখানো হয়। আমরা যদি গুণীজনদের খুঁজে বের করি, তাদের সম্মান দেখাই, তাহলে জাতিকেই সম্মান দেখানো হয় এবং তা জাতিকে সমৃদ্ধ করে। গুণীজনরা তাদের কাজের স্বীকৃতি পেলে ভালো থেকে আরও ভালো করেন, অন্যদেরও উৎসাহ বাড়ে।
অভিভাবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নিজের ছেলেবেলা দিয়ে ছেলেমেয়েদের ছেলেবেলা বিচার করতে গেলে ভুল হবে। কারণ, সন্তানরা হলো সময়ের সন্তান। যে কারণে নিজের সময় দিয়ে সন্তানদের সময় বিচার করা ঠিক হবে না।
গোপালগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল বাকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পদক প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান চৌধুরী এমদাদুল হক, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ সাইদুর রহমান খান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলী খান ও উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ লুৎফার রহমান বাচ্চু।
অন্যান্যের মধ্যে জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক খোন্দকার এহিয়া খালেদ সাদী, সম্মাননাপ্রাপ্ত সৃজনশীন সংগঠক নাজমুল ইসলাম, জেলা কালচারাল অফিসার আল মামুন বিন সালেহসহ আরো অনেকে বক্তব্য রাখেন।
আরো পড়ুন: ফলের বাজার নজরদারিতে টিম গঠনে হাইকোর্টের নির্দেশ
পরে ২০১৮ ও ২০১৯ সালের ১০ জন গুণী শিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মী হাতে জেলা শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা পদক, সনদপত্র তুলে দেন অতিথিরা। ২০১৮ সালের পাঁচজন গুণী সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হলেন সৃজনশীল সংগঠক গাজী মুস্তাফিজুর রহমান দিপু, কণ্ঠ সংগীতে দুলাল দাস, সৃজনশীল সাংস্কৃতিক গবেষকে রবীন্দ্রনাথ অধিকারী, আবৃত্তিতে মাহবুবুর রহমান ও সৃজনশীল আঞ্চলিক সংগঠন ত্রিবেণী গণসাংস্কৃতিক সংস্থা।
২০১৯ সালের পাঁচজন গুণী সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হলেন শৃজনশীল সংগঠক মো. নাজুমল ইসলাম, কণ্ঠসংগীতে শাহনাজ রেজা এ্যানী, সৃজনশীল সাংস্কৃতিক গবেষক গাজী লতিফ, আবৃত্তিতে ঠাকুর বিশ্বরাজ গোস্বামী ও নাট্যকলায় মাসুম হাসান।
ইত্তেফাক/এমআই