দেশে কীভাবে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব

অরাজনৈতিক ব্যক্তিকে প্রধান করে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করলে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে সকল ব্যক্তি বা দলের ভালো এবং মন্দ দুটি দিকই আছে। প্রত্যেকের উচিত ভালো কাজগুলোর প্রশংসা করা আর মন্দ কাজগুলোর গঠনমূলক সমালোচনা করা। আর নেতৃত্বের বড় গুণ হলো নিজের ভুল স্বীকার করা। প্রতিহিংসা আর প্রতিশোধ নিয়ে সমস্যার সমাধান হয় না। ক্ষমা আর সহনশীলতার মাধ্যমেই সমাধানের পথ পাওয়া যায়। ভাঙ্গার নয় গড়ার রাজনীতি করুন। একজন যেখানে শেষ করবেন অপরজন সেখান থেকে শুরু করবেন। সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য সত্, যোগ্য ও অরাজনৈতিক ব্যক্তির নেতৃত্বে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করা উচিত। যেখানে থাকবে না কোন ক্ষমতার লোভ, থাকবে না কোন ভোট কারচুপি, থাকবে না কোন ব্যক্তিগত স্বার্থ। দৃষ্টিভঙ্গি বদলান দেশ, জাতি বদলে যাবে। দেশ ও জাতির সফলতা কামনা করি। নূরুন্নবী আহমেদ মিন্টু, শিক্ষার্থী, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, কারমাইকেল কলেজ, রংপুর নির্বাচন যে পদ্ধতিতেই হোক সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সবারই কাম্য আগামী দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রশ্নে কিভাবে একটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করা যায় সে লক্ষ্যে আপনারা সবাই একই টেবিলে বসে আলোচনার মাধ্যমে যে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে তা সমাধান করুন। কারণ দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন যতোই ঘনিয়ে এসেছে ততই জনসাধারণের কাছে আতংক বিরাজ করছে। এই আতংক বিরাজ করার কারণ প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল তাদের নিজের যুক্তিতে অনড়। কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ। এখন নির্বাচন প্রশ্নে আপনারা কেউ কাউকে ছাড় দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে আলোচনা তথা সংলাপের বিকল্প নেই। এখন আমাদের কথা হলো আমরা চাই একট সুষ্ঠু নির্বাচন। সেটা যেভাবে হোক না কেন নির্বাচন হতে হবে। আমরা আর কোন সংঘাত চাই না। শান্তি চাই। চাই একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। যেটা যে পদ্ধতিতেই হোক না কেন। মো. ইলিয়াছ আলম সুমন, বিএ প্রথম বর্ষ, সাউথ সন্দ্বীপ কলেজ, সন্দ্বীপ নিরপেক্ষ প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য অপরিহার্য দেশের হালচাল ইদানীং বেশ খারাপ যাচ্ছে। চারিদিকে কি হয়? কি হয় এমন পরিবেশ। সবই রাজনৈতিক অস্থিরতার জন্য, কোথায় দেশের মানুষ নির্বাচনের আমেজে ব্যস্ত থাকবে তা না বরং অজানা শঙ্কায় হতাশ। গত জাতীয় নির্বাচন ও ওয়ান ইলেভেন দেশবাসী ভুলেনি। তেমনই এক প্রেক্ষাপট এবারো উপস্থিত। গতবারের জন্য যদি খালেদা জিয়া ও বিএনপিকে কেউ দোষারোপ করেন তবে নিশ্চয়ই এবার শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগকে দুষছে, পরিবেশ এবং প্রেক্ষাপট এমনই। তাই অবিলম্বে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ বা সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। এখন প্রশ্ন এই তৃতীয় পক্ষ কারা হবেন। পৃথিবীর ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় বিরোধমান পক্ষদ্বয় হয় একমত হয়ে ৩য় পক্ষ মনোনীত করবেন না হয় কালক্রমে অবশ্যই একদিন যে কোন পন্থায় ৩য় পক্ষের আবির্ভাব ঘটবেই। তবে দেশের মানুষ আশা করে পরস্পর বিরোধমান পক্ষদ্বয় দেশ ও জাতির কথা চিন্তা করে ঊর্ধ্বতন থেকে অধঃস্তন প্রশাসনকে এবং নির্বাচন কমিশনকে সম্পূর্ণ স্বাধীন করে অবশ্যই একটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দিতে সক্ষম হবে। মো. ফখরুল ইসলাম (টিপু), বাউবি, চট্টগ্রাম কলেজ দুই দল উদারতা দেখালে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে অস্থির পরিবেশ বিরাজ করছে তাতে দেশের সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত। এই আতঙ্ক থেকে দেশের মানুষকে মুক্ত করে সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচনের জন্য দুই দলের উদার মনভাবই যথেষ্ট। যারা দেশের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে নিজেদের কঠোর অবস্থান থেকে সরে এসে নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করা এবং সকল রাজনৈতিক হানাহানি ভুলে আলোচনার মাধ্যমে সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন জনগণকে উপহার প্রদান করা। মো. আব্দুর রহমান সুমন, সরকারি তোলারাম কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়, B.S.S. পরীক্ষার্থী, নারায়ণগঞ্জ