দেশে কীভাবে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব

বর্তমান প্রেক্ষাপটে মাননীয় রাষ্ট্রপতিকে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে সংবিধানের ২য় পরিচ্ছেদ-এর অনুচ্ছেদ ৫৫ ধারা মোতাবেক দফা ৬নং অনুযায়ী মাননীয় রাষ্ট্রপতি সরকারি কার্যাবলি বণ্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করবেন। সংলাপের মাধ্যমে জাতীয়তাবাদ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সুষ্ঠু নির্বাচন দেয়া সম্ভব। বাংলাদেশে সুষ্ঠু শাসনব্যবস্থা পরিচালনার জন্য গণতন্ত্রের স্বার্থে সুষ্ঠু নির্বাচন প্রক্রিয়া বাংলাদেশের নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার। কারণ এজন্য যে, যেহেতু প্রধান রাজনৈতিক দল দু’টির সংলাপের মাধ্যমে নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে মতৈক্য সৃষ্টির কারণে সুষ্ঠু নির্বাচন প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ার আশংকার ফলে জনগণের স্বার্থ ক্ষুণ্ন হতে পারে। এক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনকে প্রতিবেশী দেশসমূহের নির্বাচন-পূর্ব বিশৃঙ্খলা পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারে। এবং রাষ্ট্রপতির পরামর্শক্রমে দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে পারে। মো. জামিউল ইসলাম ৪র্থ বর্ষ অনার্স ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ কারমাইকেল কলেজ, রংপুর === সংশোধনী সংবিধান অনুযায়ী নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব বর্তমানে দেশের যা পরিস্থিতি তাতে সমস্যায় পড়ছে কিন্তু সাধারণ মানুষ। দুই নেত্রীর কিন্তু কোন সমস্যা হচ্ছে না । বিরোধীদল তুমুলভাবে মাঠে নেমেছে নির্দলীয় সরকারের অধীনে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে। হরতালের পর হরতাল দিয়ে কঠোর কর্মসূচির মাধ্যমে তারা তাদের দাবি আদায়ের জন্যই কিন্তু মাঠে নেমেছে। এ থেকে তারা বিরত থাকবে না যতক্ষণ পর্যন্ত নির্দলীয় সরকারের মাধ্যমে একটি অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচন না হয়। এমতাবস্থায় সরকারি দল এবং বিরোধীদল যদি কোন সমঝোতায় না আসে তাহলে দেশটা কোনদিকে যাবে তা আমি জানি না, কল্পনাও করতে পারি না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উচিত হবে বিরোধীদলের সাথে বসে তাদের দাবি-দাওয়া যতটা সম্ভব মেনে নিয়ে সংবিধানকে সংশোধন করে নির্দলীয় একটি সরকার প্রতিষ্ঠা করা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিগত ৬ জুন ২০১৩ সংসদীয় দলের বৈঠকে জানান, নবম জাতীয় সংসদের শেষ কার্যদিবস হবে ২৫ অক্টোবর ২০১৩। কিন্তু সংসদের কার্যদিবস এখনও অব্যাহতই আছে। দেশের এমন বিরূপ পরিস্থিতিতে সরকারি দলকেই প্রথমে এগিয়ে আসতে হবে এবং বিরোধীদলের সাথে বৈঠকের মাধ্যমে সংশোধনী সংবিধান অনুযায়ী নির্দলীয় নিরপেক্ষ একটি সরকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই কেবল একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব হবে। মো. আসিফুজ্জামান উচ্ছাস ন্যাশনাল কলেজ একাদশ শ্রেণী, বিজ্ঞান বিভাগ === সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য শুধু আন্তরিকতার প্রয়োজন গত কিছুদিন যাবত্ বাংলাদেশে যা চলছে তার পেছনে আসন্ন দশম জাতীয় নির্বাচনের ভূমিকাই মুখ্য। একদিকে সরকারি দল সংবিধানের দোহাই দিয়ে তাদের অনড় অবস্থান নিয়েছে। অন্যদিকে বিরোধী দল জ্বালাও-পোড়াও নীতি অনুসরণ করে লাগাতার হরতাল-অবরোধ দিয়ে চলেছে। কিন্তু এতে আদৌ কি কোন লাভ হচ্ছে? প্রতিদিন যে সমস্ত গরীব-দুঃখী সাধারণ মানুষ, শিশু অগ্নিদগ্ধ, আহত, নিহত হচ্ছেন তাদের জীবনের কি কোন দাম নেই? মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেত্রী আপনারা দু’জনই মানবজাতির শ্রেষ্ঠ সম্পদ “মা” জাতির সদস্য। তারপরও এত মায়ের আহাজারি কি আপনাদের স্পর্শ করে না? যদি করে তবে কেন এত হানাহানি? আপনাদের আন্তরিকতাই আমাদের ভবিষ্যেক একটি সুনিশ্চিত গন্তব্য দিতে পারে। তাই আসুন গণতন্ত্রকে আলোকিত করে নতুন বাংলাদেশের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করুন। নতুন প্রজন্মের সদস্য হিসেবে এটাই আমাদের কাম্য। এ. এস. এম. ফারহান চতুর্থ বর্ষ, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, ঢাকা === অরাজনৈতিক ব্যক্তিকে প্রধান করে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব সকল ব্যক্তি বা দলের ভালো এবং মন্দ দু’টি দিকই আছে। প্রত্যেকের উচিত ভাল কাজগুলোর প্রশংসা করা আর মন্দ কাজগুলোর গঠনমূলক ভুল স্বীকার করা। প্রতিহিংসা আর প্রতিশোধ নিয়ে সমস্যার সমাধান হয় না। ক্ষমা আর সহনশীলতার মাধ্যমেই সমাধানের পথ পাওয়া যায়। প্রত্যেকের উচিত দেশকে ভালবাসা। ভাঙ্গার নয় গড়ার রাজনীতি করুন। একজন যেখানে শেষ করবেন অপরজন সেখান থেকে শুরু করবেন। সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য সত্, যোগ্য ও অরাজনৈতিক ব্যক্তির নেতৃত্বে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করা উচিত। যেখানে থাকবে না কোন ক্ষমতার লোভ, থাকবে না কোন ভোট কারচুপি, থাকবে না কোন ব্যক্তিগত স্বার্থ। দৃষ্টিভঙ্গি বদলান দেশ ও জাতি বদলে যাবে। দেশ ও জাতির সফলতা কামনা করি। মো. শাহাবউদ্দিন (রাসেল) এম.বি.এস (১ম বর্ষ), ব্যবস্থাপনা বিভাগ সরকারি কমার্স কলেজ, চট্টগ্রাম