শ্রীনিবাসনকে আবারও সরে দাঁড়ানোর পরামর্শ আদালতের

দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত গাভাষ্কার

ভারতের সাবেক অধিনায়ক সুনীল গাভাষ্কার জানিয়েছেন আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আইপিএল কেলেঙ্কারির কারণে জেরবার সেদেশের ক্রিকেট বোর্ডের অন্তর্বর্তী প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিতে রাজি আছেন তিনি। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিল) কেলেঙ্কারি মামলায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) বর্তমান প্রধান এন শ্রীনিবাসনকে সরিয়ে সুনীল গাভাষ্কারকে তদন্ত চলাকালে দায়িত্ব দেয়ার সুপারিশ করেছে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের দুই সদস্যের একটি বেঞ্চ। শুধু তাই নয় গতকাল নতুন দিল্লীতে এক শুনানী চলাকালে আদালত একই সাথে আইপিলের চলতি আসর থেকে চেন্নাই সুপার কিংস (সিএসকে) এবং রাজস্থান রয়্যালসকে (আরআর) বহিষ্কারের সুপারিশও করেছে। এ দুটি বিষয়ে দেয়া তাদের মতামতের প্রেক্ষিতে আজ শুক্রবারের মধ্যে বিসিসিআইকে জবাব দেয়ার জন্যও সময় বেঁধে দেয় আদালত। সরিয়ে দেশটির সাবেক অধিনায়ক সুনীল গাভাষ্কার অথবা কোন বর্ষীয়ান ক্রিকেটারকে দায়িত্ব প্রদানের সুপারিশ করলো ভারতের সর্বোচ্চ আদালত। আদালতের আরেকটি পরামর্শ হলো সিএসকে’র মূল পৃষ্ঠপোষক ইন্ডিয়া সিমেন্টের কেউ ভারতীয় বোর্ডের সাথে যুক্ত থাকতে পারবে না। একই আদালত আগের দিন শ্রীনিবাসনকে সরে দাঁড়ানোর পরামর্শ দিয়ে বলেছিল নইলে তারা এ বিষয়ে নির্দেশ জারী করবেন। কাল আবার শুনানি শুরু হলে আদালত ৬৪ বছর বয়সী গাভাষ্কারকে ভারতের ক্রিকেট বোর্ডের অন্তর্বর্তী সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য প্রস্তাব করেন। টেস্ট ক্রিকেটে ১০ হাজারের বেশি রান করা গাভাষ্কার বর্তমানে ধারাভাষ্যকার হিসেবে কাজ করছেন। এ ব্যাপারে ভারতের এনডিটিভিকে তিনি বলেন, ‘বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর সংস্থাটির দায়িত্ব নিতে তিনি প্রস্তুত। গাভাষ্কার বলেন, ‘এ তথ্যটিও জানাতে হবে যে আমি বর্তমানে বিসিসিআইয়ের সাথে টিভি ভাষ্যকার হিসেবে চুক্তিবদ্ধ। এরপরও যদি মহামান্য আদালত আপনাকে কোন দায়িত্ব দিতে চায়, তাহলে অবশ্যই... তারা যদি আমাকে কিছু করতে বলে, আমি করবো। ওপেনিং ব্যাটসম্যান হিসেবে আপনাকে যে কোন চ্যালেঞ্জ নেয়ার জন্যই প্রস্তুত থাকতে হবে।’ শ্রীনিবাসনের তরফে অবশ্য তাত্ক্ষণিকভাবে কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তার কৌশলী এর আগে আদালতকে জানান যে তিনি ‘সরে দাঁড়াতে’ প্রস্তুত আছেন। এক্ষেত্রে তিনি জানতে চান তদন্ত কতদিন ধরে চলবে। গত ২৫ মার্চ মামলাটির প্রথম শুনানীতে শ্রীনিবাসনকে পরবর্তী দুই দিনের মাঝে পদত্যাগ করার সময় বেঁধে দিয়েছিল। আদালত অন্যথায় তাকে সরানো হবে বলে জানিয়েছিল। তবে কালকের শুনানীতে আদালত আজকের মধ্যে সুপারিশের উত্তর জানতে চেয়েছে এবং এরপর অন্তর্বর্তীকালিন আদেশ ইসু্যু করবে।