দ্বিতীয় জয়ে দ্বিগুণ আনন্দ

২০০৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেই স্বাগতিক ইংল্যান্ডকে হারিয়েছিল নেদারল্যান্ডস। লর্ডসে অনুষ্ঠিত ওই ম্যাচে শেষ বলে ইংলিশদের বিরুদ্ধে ৪ উইকেটের জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল ডাচরা। পাঁচ বছর পর গতকাল চট্টগ্রামে আবারও রাজার দেশ ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্মরণীয় এক জয় পেয়েছে তারা। এবার আর শেষ বল পর্যন্ত যেতে হয়নি। অনেক আগেই জয় নিশ্চিত করে ফেলে তাই উচ্ছসিত পুরো ডাচ শিবির। তাদের এই আনন্দ ছাড়িয়ে গেছে ২০০৯ সালে লর্ডসের সেই ঐতিহাসিক জয়ের আনন্দকেও। ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের কাছে এমন দাবিই করেছেন ডাচ অধিনায়ক পিটার বোরেন। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘সুপার টেনে একটা জয় চেয়েছিলাম আমরা। অথচ শুরুটাই হয়েছিল শ্রীলঙ্কার কাছে বড় পরাজয় দিয়ে। মানছি আমরা আইসিসির সহযোগী সদস্য। কিন্তু ৩৯ রানে অলআউট হয়ে গেলে কার কাছে ভালো লাগে বলুন। শ্রীলঙ্কা ম্যাচের পর আমরা ঘুরে দাঁড়াতে চেয়েছি। অথচ দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে জিততে জিততে হেরেছি আমরা। এরপর নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে পরাজয়টাও মেনে নিতে কষ্ট হয়েছে আমাদের। পুরো সময় সমান তালে পাল্লা দিয়েও ৬ উইকেটে হারতে হয়েছে ওদের কাছে। দুটি খেলাতেই আমাদের ছেলেরা অসাধারণ খেলেছে। একটা জয়ের জন্য মুখিয়ে ছিলাম আমরা। অবশেষে সেই জয়টা পেয়ে দারুণ লাগছে।’ ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে জয়ের তাত্পর্য সম্পর্কে পিটার বোরেন বলেন, ‘আমরাই আইসিসির একমাত্র সহযোগী দেশ হিসেবে সুপার টেনে প্রতিনিধিত্ব করছি। এই জয়ের বিশেষত্ব এখানেই যে আইসিসির সহযোগী সদস্য একটি দেশের জয় পূর্ণ সদস্য একটি দেশের বিরুদ্ধে জয় পেয়েছে। এই জয় দলের খেলোয়াড়দের মনোবল অনেক বাড়িয়ে দেবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।’