ইরাকে জঙ্গি যোদ্ধাদের মধ্যে রয়েছে জার্মান জিহাদিরা
প্রকাশ : ১৯ জুন ২০১৪, ২০:৩৩
ক্রমেই আরো বেশি জার্মান ইরাকে আইসিস সন্ত্রাস সংগঠনের হয়ে লড়াই করছে। সামরিক বিচারে তাদের বিশেষ গুরুত্ব না থাকলেও, জার্মান কর্তৃপক্ষ তাদের উপর নজর রাখছেন, কেননা তারা পশ্চিমী দুনিয়ার পক্ষেও বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। ডেনিস কুসপ্যার্টের উদাহরণ দেয়া যেতে পারে। ‘ডেসো ডগ’ নাম নিয়ে বার্লিনের ‘হিপ-হপ সিনে’ বেশ নাম করে ফেলেছিলেন ডেনিস। এখন তাঁকে পাওয়া যাবে ইরাকে, ‘ইসলামিস্ট স্টেট অফ ইরাক অ্যান্ড সিরিয়া’ বা আইসিস-এর যোদ্ধা হিসেবে। তার নতুন নাম: আবু তালহা আল-আলমানি। র্যাপার থেকে আবু তালহা হন সালাফি ধর্মপ্রচারক। তারপরে আসে ‘পবিত্র যুদ্ধে’ যোগদানের জন্য ইরাক যাত্রা। আজ তিনি যে যোদ্ধা গোষ্ঠীর নেতা, তাদের নাম মিলাতু ইব্রাহিমের জার্মান ব্রিগেড। আইসিস পশ্চিমী দেশগুলো থেকেও তাদের যোদ্ধা সংগ্রহ করে থাকে। লন্ডনের কিংস কলেজের একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, আইসিস-এর তিন হাজার পশ্চিমা সদস্যদের প্রায় দশ শতাংশ এসেছে জার্মানি থেকে।
আইসিস-এর মতাদর্শই প্রধানত এসব তরুণকে আকৃষ্ট করে বলে জার্মানির ফ্রিডরিশ নাউমান নিধির আম্মান কার্যালয়ের ফাল্কো ভাল্ডের ধারণা। আইসিস ওই অঞ্চলের সবচেয়ে উগ্রপন্থি ও আগ্রাসী সশস্ত্র গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত। তরুণদের কাছে সেটাই তাদের বৃহত্তম আকর্ষণ।
নাইন ইলেভেনের পর-পরই জার্মান এবং মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগে লক্ষ্য করে, জার্মান উগ্রইসলামপন্থিরা কিভাবে চেচনিয়ায় গিয়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে সংগ্রামে যোগ দিচ্ছে। গোড়ায় এদের সংখ্যা ছিল মুষ্টিমেয়, কিন্তু আফগানিস্তান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর সেই সংখ্যা বাড়তে থাকে।-ডয়চে ভেলে