বিজেপি’র জয় :ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক

উন্নয়নের নেশায় আসক্ত ভারত, তাই ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক ভাল হবে ভারত এবং নরেন্দ্র মোদী এখন উন্নয়নের নেশায় আসক্ত। আর এই উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে একদিকে যেমন প্রতিবেশী হিসাবে বাংলাদেশ-ভারত সুসম্পর্ক বজায় থাকবে অন্যদিকে বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ভারতকে বাংলাদেশের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে গুরুত্বারোপ করবে। কেননা বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ভারতের অর্থনৈতিক উন্নয়নে খুবই সম্ভাবনাময়। অপরদিকে উন্নয়নের সবচেয়ে বড় বাধা হলো আগ্রাসী মনোভাব (ঝগড়া-বিবাদ)। তাই আমি মনে করি ভারতের উন্নয়নের স্বার্থেই ঢাকা-দিল্লী সম্পর্ক হবে খুবই মধুর। মো. আল-আমিন শেখ ১ম বর্ষ, সম্মান,সমাজ কল্যাণ বিভাগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ০০০০০০০০০০০০০ বিজেপির জয় ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক মধুর হবে না সমপ্রতি শেষ হওয়া ভারতের জাতীয় নির্বাচনে কংগ্রেস পরাজিত হওয়ায় অর্থাত্ বিজেপির জয় হওয়ায় ঢাকা-দিল্লির সে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বেশিদিন টিকে থাকবে বলে মনে হয় না। কারণ, বিজেপির সাথে বিএনপির কিছুটা সুসম্পর্ক রয়েছে। যা ক্ষমতাসীন আ’লীগের সাথে নেই। অন্য একটি কারণ হচ্ছে- বিজেপি প্রধান অর্থাত্ ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নির্বাচনী প্রচারে অঙ্গীকার করেন- তার দল নির্বাচিত হলে তিনি ভারতে বসবাসকারী বাংলাদেশি মুসলমানদেরকে পুনরায় বাংলাদেশে প্রেরণ করবেন। সমপ্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে দেখলাম আসাম থেকে তাদের এ অভিযান শুরু হবে। এ নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের সাথে ভারত সরকারের বিরোধ সৃষ্টি হতে পারে। এ থেকে বুঝা যায়, বিজেপির জয়ে “ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক মধুর হবে না”। মো. আলাউদ্দিন মজুমদার বিএসসি (অনার্স), ১ম বর্ষ, রসায়ন বিভাগ, চৌমুহনী সরকারি এস এ কলেজ চৌমুহনী, বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী। ০০০০০০০০০০০০ ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক আরো গভীর হবে ভারতে নতুন সরকারের আগমনে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক আরও জোরদার হবে। বিভিন্ন মিডিয়া অনেক লেখালেখি করেছে তবে প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশ অবশ্যই তার সাথে সুসম্পর্ক রাখতে হবে। অনেক সময় দেখা যায় সীমান্তে অন্যায়ভাবে বিএসএফ-এর গুলিবর্ষণ নিরীহ কৃষককে হত্যা, এছাড়া সীমান্ত পার হয়ে অবৈধভাবে বিএসএফ প্রবেশ করে সাধারণ লোকজনকে ধরে নিয়ে যাওয়ার কারণে দেশে পররাষ্ট্রনীতিতে দারুণ প্রভাব পড়বে। আশা রাখি মোদী সরকারের আমলে সকল সমস্যার সমাধান হবে। মো. জাকারিয়া হোসেন (জাকির) চতুর্থ বর্ষ বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় মৌলভীবাজার। ০০০০০০০০০০০০০০ ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক আগের চেয়ে ভাল হবে ভারতের প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে ভারতের উচিত বাংলাদেশের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা। কেননা একটি দেশ তার প্রয়োজনে প্রতিবেশী দেশ থেকেই বড় ধরনের সাহায্য পেয়ে থাকে। মোদি সরকার এবার ক্ষমতায়। তারা জনগণের কাছ হতে অনেক বড় দায়িত্ব নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে। তাই আমি মনে করি তারা সেই দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করবে । বাংলাদেশ আয়তনে ছোট হলেও ভারতের কাছে অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি দেশ। কেননা এর সাথে জড়িত রয়েছে ট্রানজিট, সেভেন সিস্টার রক্ষাসহ নানা বিষয়। বাংলাদেশ সরকার চাইলে ভারতের সাথে এসব চুক্তির বিনিময়ে তিস্তা চুক্তি, ছিটমহল বিনিময়সহ সীমান্ত হত্যা বন্ধ করার পদক্ষেপ নিতে পারে। সর্বোপরি আমি মনে করি, বিজেপি বাংলাদেশের সাথে একটি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলবে। মাহফুজুর রহমান একাদশ শ্রেণি, বিজ্ঞান বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আবদুর রউফ কলেজ। ০০০০০০০০০০০০০ ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক কেমন হবে তা দুইদেশের পররাষ্ট্র নীতিই বলে দেবে বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মসহ বিভিন্ন মহলের উত্কণ্ঠা, আলোচনার যেন শেষ নেই, কেমন হবে ‘ঢাকা-দিল্লী’র সম্পর্ক বা কি হবে ভারতের সাথে দীর্ঘ বছরের বাংলাদেশের অমীমাংসিত ইস্যুগুলোর সমাধান। আমি মনে করি ভারতের নিজ স্বার্থেই বাংলাদেশসহ সার্কভুক্ত সকল দেশের সাথে একযোগে সুন্দর মনোভাবে পররাষ্ট্র নীতিতে এগিয়ে যাবে নরেন্দ্র মোদী। তিনি একজন সুকৌশলী প্রধানমন্ত্রী, তা শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানেই প্রমাণ পাওয়া যায়। ঢাকা-দিল্লির সম্পর্ক উন্নতির সম্ভাবনা আছে, যদি আমাদের পররাষ্ট্র নীতিতে বিচক্ষণতা, সুকৌশলী ও কার্যকরি ভূমিকা নিতে পারে তবে বাংলাদেশ অনেক উপকৃত হবে এবং ঢাকা-দুিল্লর সম্পর্ক উন্নতি হবে। আদনীন হোসেন সরকারি গার্লস কলেজ বরিশাল।