বিজেপি’র জয় :ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক
ন তু ন প্র জ ন্মে র ভা ব না
প্রকাশ : ২৮ জুন ২০১৪, ২১:২২
ঢাকা-দিল্লি
সম্পর্ক আরও
গভীর হবে
ভারতের বিজেপি সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের সফরের মধ্যদিয়ে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক উন্নয়নের দ্বার উন্মোচন হলো। রাজনৈতিক বক্তব্য আর বাস্তবতা এক জিনিস নয়। বিজেপি যতই কট্টর হিন্দুবাদী দল হোকনা কেন, জাতীয় স্বার্থে তাদের পররাষ্ট্রনীতিতে কোন পরিবর্তন আসবে না বলে আমি মনে করি। তাই পূর্ববর্তী সরকারের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক উন্নয়নে মোদী সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছেন। সন্ত্রাসবাদ দমনে বিগত বছরগুলোতে বাংলাদেশ ভারতকে যে সহযোগিতা দিয়ে আসছে, ভারত তার নিরাপত্তার স্বার্থে বাংলাদেশের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা না করে পারবে না। সেই সঙ্গে বাংলাদেশের মত এক বিশাল বাজার ভারতের বাণিজ্য প্রসারে যে অবদান রাখছে তা থেকে তারা কিভাবে সরে দাঁড়াবে।
শোয়েব মোহাম্মদ রিয়াদ
এমবিবিএস, ইন্টার্নশীপ,
রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ,
রাজশাহী।
০০০০০০০০০০০০০০০
বিজেপি ভারতের
জাতীয় স্বার্থে বাংলাদেশের
সাথে সু-সম্পর্ক রাখবে
দলগত স্বার্থ নয় বরং ভারত তাদের জাতীয় স্বার্থে বাংলাদেশের সাথে ভালো সম্পর্ক রাখবে, বাংলাদেশও তাদেরকে প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বিভিন্ন ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভারতের সাথে সু-সম্পর্ক রাখবে।
২৫ জুন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রী সুষমা স্বরাজ বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন, সম্প্রতি ভুটান সফরকালে তিনি বলেছিলেন যে, বাংলাদেশে তার সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ— ও সফল হবে। বাংলাদেশ ভারতের নির্ভরযোগ্য প্রতিবেশী।
বিজেপির সরকার বলে অনেকে বলছে, সম্পর্কের টানাপোড়ন হবে, আমরা জানি যে, ১৯৯৬ সালে যখন আওয়ামী লীগের ক্ষমতাকালে ভারতে বিজেপি ক্ষমতায় ছিল। ফারাক্কা বাঁধ চুক্তি তখনি স্বাক্ষরিত হয়।
তাই আশা করা যাচ্ছে, তিস্তা চুক্তি, সীমান্ত চুক্তি, সীমান্ত হত্যার বন্দ, ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়ানোসহ দুই দেশের অমীমাংসিত ইস্যুগুলোর সুরাহা হবে।
শাহাদাত কলি
বি.বি.এস. (১ম বর্ষ)
ফেনী সরকারি কলেজ
মিজানপাড়া, ফেনী।
০০০০০০০০০০০০০০
সম্পর্কে নতুন মাত্রার
প্রত্যাশা, তবে উন্নতি-
অবনতি হবে না
বিজেপি’র জয়ে ভারতে নতুন সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। আভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ধারাবাহিকতা হলেও রাষ্ট্রীয় নেতৃত্ব বা সরকার পরিবর্তন বিভিন্নভাবেই বহিঃবিশ্বের সাথে সম্পর্কযুক্ত। বিশেষ করে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের জন্য সরকার পরিবর্তন বিশেষ প্রভাব বিস্তার করে থাকে। ভারতে নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠন প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে বাংলাদেশ ও ভারতের সিদ্ধান্ত অনেকটাই সম্পর্কযুক্ত এবং প্রভাব বিস্তারকারী। ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস ও অবস্থান অবিচ্ছেদ্য। বিভিন্ন ইস্যুতে যৌক্তিযুক্ত অবস্থানসহ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সুদূর প্রসারী চিন্তাশীল নেতৃত্বে নতুন সরকার বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আমাদের প্রত্যাশা। তবে, বিজেপি’র জয়ে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক খুব একটা পরিবর্তন হবে বলে মনে হয় না। আবার সার্বিকভাবে স্থিতিশীল থাকবে বলেও আশা করা যায় না।
জিয়াউর রহমান
শিক্ষার্থী
বাংলাদেশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।
০০০০০০০০০০০০০০
ঢাকা দিল্লি সম্পর্ক
কেমন হবে তা
সময়ই বলে দেবে
বিজেপি জয়ী হওয়ায় ঢাকা-দিল্লির সম্পর্ক আগের থেকে ভাল হবে বলে মনে করি। তবে তা সম্পূর্ণই নির্ভর করে আমাদের রাজনৈতিক অবস্থার উপর। সম্প্রতি হওয়া ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রী সুষমা স্বরাজের বাংলাদেশ সফরে তথা আরো কিছু ইঙ্গিতে বলা যায় যে, ভারতের সাথে আমাদের সম্পর্ক আরো ভাল হবে। তার সফরে দেখতে পেলাম যে, তিনি আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি নেত্রীর সাথে সাক্ষাত্? করেন। আর একটি সম্ভাবনাময় ইঙ্গিত হল সুষমা স্বরাজের কথায়। তিনি বলেন যে বাংলাদেশের উন্নয়ন ছাড়া ভারতের উন্নয়ন সম্ভব নয়। এতে আমরা আশাবাদী হতেও পারি যে ভারতের সাথে সম্পর্ক ভাল হবে। তবে সবচেয়ে বড় কথা হল আমাদের রাজনৈতিক অবস্থা ভাল রাখতে হবে। বড় দুই নেত্রীর মধ্যে আন্তরিকতার ও সমঝোতার মনোভাব থাকবে হবে। আর যদি তা না হয় তাহলে ঢাকা-দিল্লির সম্পর্কের আশা করলে কোনো লাভ হবে না।
দ্বীন ইসলাম সাদী
এইচএসসি পরীক্ষার্থী ২০১৪,
সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজ, সুনামগঞ্জ।