[ রা জ নী তি ]

জনগণকে এগিয়ে নেয়াই গণতন্ত্রের শক্তি

বিরোধীদলের ভারত বিরোধিতার রাজনীতি এখন কোন পথে? নিশ্চিতভাবে নানা কারণে এখন সে রাজনীতি অনেকটা ফুটো বেলুনের মতো চুপসে গেছে। ঠিক ব্যাটে-বলে মিলছে না তাদের। বাংলাদেশের অন্যতম নেত্রী ‘দেশে গণতন্ত্র নেই’ নিয়ে যে উগ্রতা দেখাচ্ছেন তা বিফলে গেছে। বিপরীতে এমন কথার জবাবে ভারত বলছে, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় জনগণই মেটাবে। ভারতে নতুন সরকার আসার পর বাংলাদেশের সরকার-বিরোধী শিবিরে এক ধরনের আশা জেগে উঠেছিল। তার তড়পানি শেষ হয়নি এখনও। কিন্তু সুষমা স্বরাজের বক্তব্যে তারা চুপসে গেছেন। আশাভঙ্গও তৈরি হয়েছে তাদের। ‘বাংলাদেশে গণতন্ত্র অনুপস্থিত’ এর অর্থ কী? কথাটা কতোটা ইতিবাচক এবং শিষ্টাচারসম্মত। মুক্তিযুদ্ধের ভেতর দিয়ে যে দেশ স্বাধীন হয়েছিল— পঁচাত্তর-পরবর্তী সামরিক বা আধা-সামরিক সরকার তা একুশ বছর ধরে শাসন করেছে। এর মধ্যে দেশে একটি নতুন প্রজন্ম তৈরি হয়েছে। গণতন্ত্র বা গণতন্ত্রের সংস্কৃতির চর্চা তারা সেভাবে চোখে দেখেনি। এ সময়ে সংবিধান ক্ষত-বিক্ষত হয়েছে নানাভাবে। একনায়কতন্ত্রের ভেতরে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার জন্য বিভিন্ন অ্যামেনমেন্ট জারি করে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার পাকা বন্দোবস্ত করা হয়েছে। আর পাশাপাশি ভারতবিরোধী রাজনীতির ধোয়া তুলে সাধারণ কোমলমতি মানুষের মধ্যে বপন করা হয়েছে সামপ্রদায়িকতার বীজ। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকেই এসব করা হয়েছে। রাষ্ট্রের ভিত্তি শাসন-আইন-বিচার বিভাগগুলো অকার্যকর করা হয়েছে। আইনের শাসন হয়েছে ভূলুণ্ঠিত। গণতন্ত্র প্রকৃত অর্থে কোনো পরিবেশই পায়নি! এখন প্রশ্ন, বর্তমানে গণতন্ত্র আছে না নেই। প্রসঙ্গটি ধরে আমি আরেকটি দিকে পাঠকের দৃষ্টি ফেরাতে চাই। ক’দিন আগে আমাদের মহামান্য রাষ্ট্রপতি জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেখানে বাংলাদেশের গণতন্ত্র, নির্বাচন ও সংলাপ নিয়ে তিনি কিছু কথা বলেছেন। গণমাধ্যমে রাষ্ট্রপতির বরাত দিয়ে যা বলা তা এরকম : ৫ জানুয়ারির নির্বাচন দেশটির মানুষ মেনে নিয়েছে। দ্বিতীয়ত, সরকারের মেয়াদ শেষে বিরোধীদলের সঙ্গে আলোচনা হতে পারে। এরকম বক্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বেশ প্রতিক্রিয়া হয়। যেমন বিরোধীরা বলেছেন, রাষ্ট্রপতি বিশ্বাসভঙ্গ করেছেন, আনুগত্যমূলক বক্তব্য দিয়েছেন ইত্যাদি। এখানে গণতন্ত্র নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি প্রসঙ্গে যে প্রতিক্রিয়া এসেছে— তাও আমি এখানে আমলে নিয়ে কিছু কথা বলতে চাই। প্রথম কথায় আসি। গণতন্ত্র নেই বলে বৃহত্ দলের নেত্রী যা বলেছেন তা কতোটা বাস্তব ও যুক্তিসঙ্গত। সর্বদাই শুনছি সংসদ অবৈধ, সরকার অবৈধ— এমনটা কেন! গণতন্ত্র বাঁচানোর স্বার্থে কী? তাদের চিরন্তন ভারত বিরোধিতার রাজনীতি কতোটা গণতান্ত্রিক? বিজেপি ক্ষমতায় আসলে তাদের লেজুড়বৃত্তি বা আস্থাজ্ঞাপন কতোটা যুক্তিসঙ্গত? তাহলে কী বাংলাদেশের রাজনীতি কোনো অদৃশ্য সুতায় আটকানো! কোনোটাই কী এদেশের মানুষের জন্য ইতিবাচক! বা তা কতোটা রাজনৈতিক সংস্কৃতিসম্পন্ন? ভারত বৃহত্ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। একমুখী বিশ্বে দেশটি এখন বিরাট অর্থনৈতিক পরাশক্তি। তাদের মূল এজেন্ডা প্রতিবেশী দেশ এবং দেশের জনগণ। তীক্ষ কূটনৈতিক পর্যবেক্ষণ নিয়ে তারা প্রতিবেশী দেশগুলো সফর করছে। আঞ্চলিক সহযোগিতার বলয় সৃষ্টি, অর্থনীতিক প্রক্রিয়ায় অংশীদারিত্ব তৈরি ইত্যাদির জন্য তাদের নিরাপত্তা দরকার। বাংলাদেশের চতুর্দিকে অনেকাংশই তাদের স্থলসীমানা। যে কারণে কূটনীতিকভাবে ‘চমত্কার সূচনা’র কথা বলছেন তারা। গণতন্ত্র নিরাপত্তা ও নিশ্চয়তা বিশেষ করে জঙ্গী দমনে কার্যকর পদক্ষেপ, সন্ত্রাস ও চোরাচালান মোকাবেলা এসব এ পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। সুষমা স্বরাজ কার্যত সে লক্ষ্যেই কাজ করতে এসেছিলেন। বাংলাদেশে সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় সরকার চলছে, যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার হচ্ছে, জঙ্গী ক্যাডারদের দমনে যথাযথ উন্নতি হয়েছে, সন্ত্রাস ও চোরাচালান বন্ধের পদক্ষেপসমূহও লক্ষণীয়— এসব কোনোটাই ভারত বা বাইরের যে কোনো দেশের বিরূপ বলার কোনো কারণ নেই। উপায়ও নেই। কে না জানে অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে এখন মৌলবাদী সংগঠনগুলো কোণঠাসা। প্রতিনিয়তই বিভিন্ন এলাকায় তারা ধরা পড়ছে। শুধু তাই নয়, সম্প্রতি বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের বোমা হামলার রায় হয়েছে— একযুগেরও বেশি সময় পর, তাছাড়া এ ধরনের অন্যান্য মামলার শুনানিও চলছে। জঙ্গীদের সমূলে উত্পাটন প্রয়োজন— এটা কেউ অস্বীকার করবে না। দেশবাসীর এ কাঙ্ক্ষিত দাবি যেন নির্বাসিত না হয় সেজন্য সবরকম বোমাবাজির বিচার দরকার। সরকার তা করছে। একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলা কিংবা এরকম নানা মাপের নির্মম ও নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ডের বিচার এখন সবাই চায়। আর এ বিচার সম্পন্ন হলেই দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পথে এগিয়ে যাবে। দুর্বৃত্তদের কাছেও যে মেসেজটি যাবে তা কঠিন ও দৃষ্টান্তমূলক। নিশ্চয়ই এ সমস্ত বিষয়ে কারোই দ্বিমত নেই। এবং কোনোটাই গণতন্ত্র বহির্ভূত বিষয় নয়। এরূপ শাসনের ভেতর দিয়েই সত্যিকারের গণতন্ত্রের ভিত প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। জনগণ সে কারণেই স্থিতাবস্থায় আছে। এরপর দ্বিতীয় বিষয়টিতে যাই। মহামান্য রাষ্ট্রপতি জাতিসংঘ মহাসচিবের নিকট তার নিজস্ব বক্তব্য পেশ করেছেন। এটি নিশ্চয়ই সরকারের একটি বার্তা। রাষ্ট্রপতি সরকারকে পরামর্শ দিতেই পারেন। দেশের মানুষ কী নির্বাচন মেনে নেয়নি? যদি না মেনে নেয় তবে আন্দোলন কোথায়! রাস্তার আন্দোলনে তো কেউ নেই। কারণ, গত নির্বাচনের আগে সরকারি সম্পদ ধ্বংসই শুধু নয়, মানুষের জানমাল বিনষ্ট, বাসে আগুন কিংবা সংখ্যালঘু নির্যাতনের নামে যে ভয় ও আতঙ্কের পরিবেশ গোটা দেশজুড়ে সৃষ্টি করা হয়েছিল— তা কি এদেশের মানুষ ভুলে গেছে! হরতালের নামে দেশের অর্থনীতি ধ্বংসের যে তাণ্ডব তা কি কেউ ভুলে আছে! এর মধ্যে যে সাংবিধানিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তা নিয়ে দেশের মানুষের অসন্তুষ্ট হওয়ার তো কোনো কারণ নেই। এ সম্পর্কে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ ও তৈরি পোশাক কারখানার ঝুঁকি কমানো বিষয়ে কিছু তথ্য আমি এখানে তুলে ধরতে চাই। প্রসঙ্গত, বিনিয়োগ বিষয়ে সম্প্রতিক সময়ে প্রধানমন্ত্রীর চীন ও জাপান সফরের সফল ভূমিকা নিয়ে যে প্রশংসাব্যঞ্জক বক্তব্য গণমাধ্যমে সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে এসেছে তা স্মরণে রেখে বলি, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ এখন বেড়েছে ২৪ শতাংশের বেশি। জাতিসংঘ বাণিজ্য উন্নয়ন সংস্থা (আঙ্কটাড) বৈশ্বিক বিনিয়োগ প্রতিবেদনে তা প্রকাশও করেছে। পুরো পরিসংখ্যানে যেটা স্পষ্ট, গত পাঁচ বছরে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে এবং ধারাবাহিকভাবে তা বেড়ে চলেছে। কার্যত, এর অর্থ হলো বাংলাদেশে পুঁজি খাটছে এবং বিনিয়োগকারীরা ব্যবসায়িক সুফল পাচ্ছে। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ঘটছে উল্লেখনীয় সম্প্রসারণ। স্থিতিশীলতা প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতির বক্তব্যটি এরূপ তথ্য দিয়েই শুধু প্রতিষ্ঠা করা নয়, যুক্তরাষ্ট্রসহ প্রধানমন্ত্রীর সফরকৃত বিভিন্ন দেশ ইতিমধ্যেই তাদের সমর্থনের কথা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়েও দিয়েছে। তারা এখন বলছে যে, সরকারের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে অভিন্ন ঐকমত্যের ভিত্তিতে তারা কাজ করতে চায়। এমন সূত্রে প্রাসঙ্গিকভাবে রাষ্ট্রপতি তো বিরোধীদের সঙ্গে সরকারের আলোচনার বিষয়ে রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে কিছু পরামর্শ ও ইঙ্গিত করতেই পারেন। কারণ, সংসদীয় গণতন্ত্রে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা সীমিত। দেশে বর্তমানে যে স্থিতিশীল অবস্থা বিরাজ করছে, সে বিষয়ে তো কারো দ্বিমত নেই তেমনি বিরোধীদের একটা বড় অংশ যে সংসদের বাইরে রয়েছে তাও অনস্বীকার্য। একটি বড় বিরোধী দলকে বাইরে রেখে বর্তমান স্থিতিশীল পরিবেশ কতোদিন বজায় রাখা যাবে সেটা না ভাবার কোনো কারণ নেই। কিন্তু এজন্য ঈদের পর হারতালের হুমকিও কী কাম্য? সেরকম আন্দোলনের জন্য কেউ কী প্রস্তুত আছেন! নিশ্চয়ই আপামর মানুষের কাছে এটা কোনো প্রশংসনীয় কর্মসূচি নয়। কারণ, এর পরিণতি দেশের মানুষের জানা। সে ক্ষেত্রে সংসদের বাইরে থাকা বিরোধীদের নিয়মতান্ত্রিক পথে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার সম্পৃক্ত হওয়ার কথা চিন্তা করা যেতে পারে। উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়ে গণতন্ত্র যেমন উদ্ধার করা যায় না তেমনি দেশে গণতন্ত্র নেই বলে বিদেশিদের নালিশ জানিয়েও কোনো কাজ হয় না। সামগ্রিক জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা যায় না। বার বার একইভাবে ‘সরকার অবৈধ’, ‘সংসদ অবৈধ’ বলে চীত্কার করেও লাভবান হয় না। রাজনীতিতে সস্তা লাভের কোনো পথ নেই বা সে পথ কেউ তৈরিও করতে পারে না। তাদের উচিত সংবিধান মেনে উদার মনে সমঝোতায় বসা। আলোচনার টেবিলে বসা। এ সমঝোতা নির্বাচনের আগেই প্রধানমন্ত্রী দিয়েছিলেন। কিন্তু তখন একপ্রকার ভ্রান্তি বা লালসাবশত তারা মানেননি। এখন সমঝোতার ভেতর দিয়ে উভয়পক্ষই যদি একমত হয় তবে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া মেনে সুবিধাজনক সময়ে একটি নির্বাচন তো হতেই পারে। এক্ষেত্রে গণতন্ত্রের জন্য মায়াকান্না নয়, সত্যিকারের সমঝোতার মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। গোঁ ধরে বসে থাকলে চলবে না। সংবিধানের আওতায় একটি গঠনমূলক ও গ্রহণযোগ্য সমাধান হতে পারে। তবে মনে রাখতে হবে, মৌলবাদী সংগঠনকে ধর্মের রাজনীতির নামে জোটে ব্যবহার করে ক্ষমতায় যাওয়ার বা সুবিধা নেয়ার পাঁয়তারা করলে পরিণতি ভয়ঙ্কর। কারণ, যুদ্ধাপরাধী যে শীর্ষ নেতাদের বিচার চলছে তা ভুল করার কোনো পথ এখন নেই। ক্ষমতা করায়ত্ত করার নামে যুদ্ধাপরাধের বিচার বানচাল করা কী ধরনের গণতন্ত্র রক্ষার সামিল— সে চালাকি এদেশের জনগণ জেনে ফেলেছে। গঠনমূলক রাজনীতি কে না প্রত্যাশা করে! সে প্রত্যাশা জনগণের এবং তাই আমলে নিয়ে গণতন্ত্রের ভিত্তি রচনা করতে হবে। সেটি যে কোনো দলই হোক— সকলকেই ব্যক্তি বা গোষ্ঠীস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করতে হবে। মনে করতে হবে বৃহত্তর জনগণই হচ্ছে সকল শক্তির উত্স। আর গণতন্ত্রও তাই। যে কথাটি আগেই এখানে উল্লেখ করেছি, বিনিয়োগের পাশাপাশি তৈরি পোশাকেও আমাদের একটি ইতিবাচক সংবাদ আছে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাকে ইউরোপীয় ক্রেতাদের জোট অ্যাকর্ড অন ফায়ার অ্যান্ড বিল্ডিং সেফটি ইন বাংলাদেশ (অ্যাকর্ড) প্রতিবেদনে বলছে ৭৫০টির মধ্যে ১৪টিকে তারা ঝুঁকিপূর্ণ বলছেন। তার মানে মাত্র ২% কারখানা ঝুঁকির মুখে রয়েছে। আর ঝুঁকির মুখে বন্ধ করে দেয়া কারখানা মাত্র ৪টি। এতে একটি বিষয় ধরা পড়ে যে, পোশাক কারখানাগুলো নিরাপত্তাঝুঁকির মধ্য থেকে অনেকটাই উঠে আসছে। এটা স্বস্তির সংবাদ। রানা প্লাজার মতো ট্র্যাজেডির পর এর অপরিশোধ্য মূল্যের দিকে তাকিয়ে এ একপ্রকার হতাশা কাটিয়ে ওঠারই মন্ত্র যেন। কারণ পোশাক শিল্পই এখন আমাদের সবচেয়ে উজ্জীবিত রপ্তানি খাত। এ প্রসঙ্গটি টানছি বিরোধীদের অস্থিতিশীলতা ও ‘গণতন্ত্র নাই’ ধরনের অযৌক্তিক অভিযোগের দিকে তাকিয়ে। ক্রমশ উঠে আসার পথ খুঁজছে বাংলাদেশ। কর্মশীল দেশের মানুষ সস্তা রাজনীতি বোঝে না, চায় না কোনো অপরাজনীতির শিকার হতে— তারা কর্মঠ, কর্মপ্রবণ— কাজ চায়। প্রযুক্তিগত বিশ্বে তারা সামনে এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে। সে পথ রুদ্ধ হোক, বেকারত্ব বাড়ুক, সন্ত্রাস, অস্থিরতা, নিরাপত্তাহীনতা বাড়ুক কেউ চায় না। আর সে রাজনীতি করোরই পছন্দ নয়। লেখক:অধ্যাপক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় shiqbal70@gmail.com