প্রশ্নপত্র ফাঁস : প্রতিকারের উপায় কী?

যারা প্রশ্নপত্র ফাঁস করছে তাদের জন্য মৃত্যুদণ্ডের আইন করা যেতে পারে আমাদের দেশে প্রায় পরীক্ষাগুলোতে প্রশ্নপত্র ফাঁসের খবর শোনা যায় । পত্র-পত্রিকায় এনিয়ে বিস্তর লেখাও হচ্ছে। প্রাইমারী, জুনিয়র কিংবা এসএসসি পরীক্ষা ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাগুলোর প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা এখন আর গোপন কোন বিষয় নয়। কিন্তু এতে করে শিক্ষার্থীর জীবন যে ধ্বংস হচ্ছে এনিয়ে সরকার বা কথিত সুশীল সমাজের তেমন কোন ভূমিকা পালন করতে দেখছি না। কিছু ব্যক্তি রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে টকশোতে ব্যস্ত থাকলেও পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা কিভাবে রোধ করা যাবে সে বিষয়ে তাদের কোন ভূমিকা পরিলক্ষিত হচ্ছে না। আমার জেলায় দেখেছি, পিএসসি (প্রাইমারী স্কুল সার্টিফিকেট) পরীক্ষা এলেই শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা আগাম প্রশ্নপত্রের জন্য ছুটাছুটি করছেন। এ যে কত জঘন্য কাজ তারা সেটা বোঝেন না। আমাদের সমাজকে রক্ষা করতে হলে এ থেকে বেড়িয়ে আসতে হবে। এজন্য সরকারের ভূমিকা হবে কঠোর। যারা প্রশ্নপত্র ফাঁস করছে, তাদের জন্য মৃত্যুদণ্ডের আইন করা যেতে পারে। অরুণদ্যুতি পাল মাষ্টার্স, সমাজ বিজ্ঞান বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা। ০০০০০০০০০০০০০ প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে প্রশাসনকে আরও কঠোর হতে হবে জাতিকে উন্নত ও মর্যাদাশীল করতে শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। শিক্ষা জাতিকে উন্নতির সোপানে পৌঁছে দিতে পারে। কিন্তু শিক্ষা যদি দুর্নীতিগ্রস্ত, বাণিজ্যিকীকরণ, প্রশ্নপত্র ফাঁসের সাথে জড়িত হয়ে যায় তা জাতির জন্য সুফল বয়ে আনবে না। প্রশ্নপত্র ফাঁস জাতিকে মেধাশূন্য করে দেয়। যা মেধাবী শিক্ষার্থীদের সাথে প্রতারণার সামিল। জাতি তার ভবিষ্যত্ পথ চলার কর্ণধার হারাবে। প্রশ্নপত্র ফাঁস প্রতিকার রোধে ফাঁসের সাথে জড়িত লোকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। যারা প্রশ্নপত্রে দায়িত্বে থাকবে তারা অবশ্যই সত্ এবং কর্তৃপক্ষের নজরে থাকতে হবে। এ ব্যাপারে প্রশানকে আরো কঠোর হতে হবে। আনজুমান আরা শবনম বিবিএ, নথ-সাউথ ইউনিভার্সিটি ০০০০০০০০০০০০০ প্রশ্নপত্র ফাঁস অব্যাহত থাকলে দেশের মেধা বিলীন হয়ে যাবে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাটি বর্তমানে যত্রতত্র ঘটে চলেছে। কি পাবলিক পরীক্ষায় অথবা বিভিন্ন প্রাইভেট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র। এমতাবস্থায় এসব ঘটনা নিয়ে সাময়িক কিছু কল্পনার উত্সব ঘটলেও এ বিষয় নিয়ে চূড়ান্ত কোন আইনী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে আমাদের মনে পড়ে না। তার জন্যে কোন বাস্তব পদক্ষেপ নেয়ার মত উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করা হয়নি। প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার কারণে এদেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের উপযুক্ত মেধার বিকাশ ঘটতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তাই আমাদেরকে এই প্রশ্নপত্র ফাঁস নামক ব্যাধি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। আর সেক্ষেত্রে আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে যারা সরাসরি জড়িত তাদেরকে এ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে হবে এবং আইনী প্রয়োগটি আরো কঠোর করতে হবে। তানিশা তাবাসুম বিবিএ, নথ-সাউথ ইউনিভার্সিটি ০০০০০০০০০০০০০০০ যে কোন জেলায় যে কোন সেটে পরীক্ষা নিতে পারবে এমন ব্যবস্থা থাকা উচিত প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা সাম্প্রতিককালের কোন ঘটনা নয়। দীর্ঘদিন যাবত্ এ ঘটনা ঘটে আসছে। ইদানিং তা প্রকাশ হয়ে পড়ায় মিডিয়াতে এ নিয়ে হৈ-চৈ হচ্ছে বেশি। প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা রোধ করতে সরকার ইতিমধ্যে উদ্যোগ নিয়েছেন বলে আমরা জানতে পেরেছি। মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইমলাম নাহিত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাইস চ্যান্সেলরসহ উচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিদের নিয়ে মিটিং করেছেন এবং কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এ খবরটা আমাদের সবার জন্য ভালো। প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধের ব্যাপারে সরকারকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। কাউকে ছাড় দেয়া যাবে না। দ’ুএকটা দৃষ্টান্ত যদি সরকার দেখাতে পারে, তখন আপনাআপনি প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা কমে যাবে। ফারজানা ইয়াসমিন আঁখি সম্মান, ২য়বর্ষ (বাংলা), গোরীপুর কলেজ, ময়মনসিংহ। ০০০০০০০০০০০০০০০ প্রশ্ন ফাঁসকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করলেই প্রশ্নপত্র ফাঁস সহজেই বন্ধ হবে যারা প্রশ্নপত্র ফাঁসের সাথে জড়িত থাকে তারা সমাজের নিকৃষ্টতম ব্যক্তি হলেও এদের কোন সাজা হয় না। আজ পর্যন্ত হয়নি। কিন্তু এরা যে দেশের কি পরিমাণ ক্ষতি করছে তার কি কোন পরিমাপ আছে। এক কথায় নাই। বছরের পর বছর ধরে প্রতিটি পরীক্ষায় এই সমস্ত পাষণ্ডরা একাজ করে যাচ্ছে, কিন্তু সরকারের কোন মাথা ব্যথা নেই। সরকারের কত এজেন্সি আছে, তারা গোয়েন্দাগিরি করেন, কিন্তু প্রশ্নপত্র ফাঁসের মত একটা সাধারণ ঘটনার তারা কূলকিনারা করতে পারেন না তা হতে পারে না। যে যাই বলুক সরকার যদি মনে করে যে, প্রশ্ন ফাঁসকারীদের ধরবে এবং এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করে, তাহলে প্রশ্নপত্র ফাঁস সহজেই বন্ধ হবে বলে আমি মনে করি। মো. বেলায়েত হোসেন ৩য় বর্ষ (সম্মান), রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগ, নেত্রকোনা সরকারি কলেজ, নেত্রকোনা।