ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘাত এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা

গত এক মাস ধরে ইসরাইল উপর্যুপরি বিমান, স্থল ও নৌ হামলায় ফিলিস্তিনের আবাল-বৃদ্ধ-বণিতা-শিশু-নারীসহ প্রায় ২০০০ নিরপরাধ ব্যক্তির জীবন প্রদীপ নিভিয়ে দিয়েছে। হাজার হাজার ঘর-বাড়ি, বাস্তুভিটা, স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মক্তব গুড়িয়ে দেয়া হয়। ২০১২ সালের পর এত ভয়াবহ প্রাণহানি ও স্থাপনার ক্ষতিসাধন ইতিপূর্বে কখনো হয়নি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র ও পাশ্চাত্যের বৃহত্ শক্তিবর্গের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে অবৈধভাবে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হলে দিন দিন ইসরাইলের ঔদ্ধত্য চরমে ওঠে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মৌনতার কারণে তিল তিল করে ইসরাইল ফিলিস্তিনের ভূখণ্ড দখল করে এখন ফিলিস্তিনীদেরকে সমূলে উত্খাত করার পাঁয়তারা করছে। ইসরাইলের রাহুগ্রাস থেকে ফিলিস্তিনকে রক্ষা করতে আন্তর্জাতিক সমাজ দায়িত্ববোধের পরিচয় দিতে না পারলে অত্রাঞ্চলে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের সৃষ্টি হবে, যা মধ্যপ্রাচ্যে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার প্রতি হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। গত মাসে ফিলিস্তিনে ইসরাইলের সর্বাত্মক বিমান হামলায় ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস আশংকা প্রকাশ করে বলেছিলেন, ইসরাইল ফিলিস্তিনিদেরকে তাদের মাটি ও ভিটা থেকে উচ্ছেদ করতে চায়। ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্টের এমন এক নিরাপত্তাহীনতায় করুণ আশংকা জানানোর পরও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ভীষণ মৌনভাবে ইসরাইলের জুলুম-নির্যাতন অবলোকন করে চলেছে। জাতিসংঘ অত্রাঞ্চলে দায়সারাগোচের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিলেও সামগ্রিকভাবে যুদ্ধ বন্ধের ব্যাপারে কোন কার্যকর পদক্ষেপ এখনো নেয়নি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর সাথে ফোনালাপে এবং বিভিন্ন সময়ে ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে যুদ্ধবিরতি, অস্ত্রবিরতি ও সংঘাত-বিরতির কথা বলে আসছেন। ওবামা এ প্রস্তাবে ইসরাইলের প্রতি কোন মৃদু হুমকিও ছিল না, যা স্বাভাবিকভাবে এ পরাশক্তির কাছে বিশ্ববাসীর প্রত্যাশা ছিল না। এটা ছিল কেবল মুখ রক্ষাকারী প্রস্তাব উত্থাপন করা। কয়েকবছর আগে ইরাকের প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের কুয়েত আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র যেমন কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছিল, এবার কিন্তু ফিলিস্তিনের বিরুদ্ধে ইসরাইলের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস, যুদ্ধাপরাধ ও সম্প্রসারণবাদী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে তেমন কোন উচ্চবাচ্য করতে যুক্তরাষ্ট্রকে দেখা যায়নি। ওবামার তোষণনীতি, নরম সুর নেতানিয়াহুর আত্মবিশ্বাস আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। জার্মান চ্যান্সেলর এ্যাংজেলা মার্কেনও নেতানিয়াহুর সাথে ফোনে কথা বলেছিলেন। কিন্তু এতে কি কোন লাভ হয়েছে? এসব ফোনালাপের প্রতিক্রিয়ায় নেতানিয়াহু স্পষ্ট জানিয়েছেন, কোন আন্তর্জাতিক চাপের কাছে ইসরাইল নতি স্বীকার করবে না। এর অব্যবহিত পর তিনি ইসরাইলের স্থল বাহিনীকে সর্বাত্মকভাবে গাজা আক্রমণের নির্দেশ দেন এবং গাজায় এমন সফল অভিযান পরিচালিত হয়েছে যাতে (গাজা) এখন ধ্বংসস্তূপ, মৃতপুরী। জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন ফিলিস্তিনে ইসরাইলের নৃশংস বিমান, নৌ ও স্থল হামলার বিরুদ্ধে কোন জোরালো প্রতিবাদ জানায়নি। জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনার নাভি পিল্লাই গত মাসে এক হাস্যকর বাণী দিয়েছিলেন। পিল্লাই বলেছিলেন, ইসরাইল বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করার বিষয়ে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা মানছে কিনা তাতে সংশয় রয়েছে। তিনি হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, এ ব্যাপারে তদন্ত হবে এবং সে তদন্তে দোষী হলে ইসরাইলের জবাবদিহিতার প্রশ্ন উঠবে। পিল্লাই এর বক্তব্য শুনলে যে কারো বুঝতে কষ্ট হবে না যে, বক্তব্যটি ছিল নিছক কূটনৈতিক, এতে কোন কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার বিন্দুমাত্র আভাস ছিল না। যেভাবে ইসরাইলের বিমান, নৌ ও স্থল হামলা চলছে তাতে কোন তদন্ত ছাড়াই ইসরাইলের মারাত্মক যুদ্ধাপরাধের সিদ্ধান্তে আসা যায়। গত এক মাসে হাজার হাজার ইসরাইলি বিমান হামলায় ফিলিস্তিনের সর্বত্র নারকীয় তাণ্ডব ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে। গাজার হামাসের বিরুদ্ধে রকেট হামলার অভিযোগে ইসরাইলের বিমান হামলার কথা বলা হলে পশ্চিম তীরে কেন ইসরাইল বিমান হামলা করছে? ইসরাইলে বিমান হামলায় নিহত ফিলিস্তিনিদের তিন-চতুর্থাংশই নিরপরাধ নারী, শিশু ও বেসামরিক লোক। এ খবর বিবিসি, এএফপি, ডন এবং অন্যান্য বিশ্ব মিডিয়ার। পিল্লাই সাহেব এর চেয়ে বেশি কি প্রমাণ চান? ইসরাইল গাজায় মারাত্মক ক্যান্সারের জীবাণুবাহী অস্ত্র ব্যবহার করছে, মিসাইল ছুঁড়েছে, এমনকি জাতিসংঘ পরিচালিত স্কুলেও হামলা করেছে। ৯ জন কর্মকর্তা নিহত ও অনেকে আহত হয়েছেন। জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন ইসরাইলকে অভিযুক্ত করেছেন। ইতিমধ্যে মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, উভয় আমেরিকা, ইউরোপ, পূর্ব এশিয়াসহ পৃথিবীর সর্বত্র ইসরাইলের আগ্রাসনের প্রতিবাদে বিশ্বজনমত বিক্ষোভে ফেটে পড়লেও কোথাও কোন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও আন্তর্জাতিক চাপ প্রয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ফিলিস্তিনের নির্যাতিত জনগণের ক্রন্দন শুনতে চায়নি। কেউই এগিয়ে আসেনি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির কথা বলছে, আবার ইসরাইলকে অস্ত্রও সরবরাহ করছে। এ ঘটনা আন্তর্জাতিক সমাজের মর্মস্তুদ দায়িত্বহীনতারই পরিচায়ক। একটু পেছনে যাওয়া যাক। আগেই বলেছি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অব্যবহিত পর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতার বদৌলতে ইসরাইলের প্রতিষ্ঠা হয়েছে এবং বৃহত্ শক্তিবর্গের অর্থ, অস্ত্র ও রাজনৈতিক সহযোগিতায় তার স্পর্ধা বেড়েই চলেছে। আরো পেছনে যেতে হবে আন্তর্জাতিক দায়িত্বহীনতা অনুধাবনের জন্য। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে ব্রিটিশরা বিশ্বের সর্বত্র ছড়িয়ে থাকা ইহুদীদের সহযোগিতার বদৌলতে যুদ্ধশেষে ইহুদীদের জন্য একটি আবাসভূমি গঠনের গোপন প্রতিশ্রুতি দেয়। ইতিপূর্বে ডক্টর থিওডোর হার্জেল (Theodore Herzel) ইহুদী ধর্মের রাজনৈতিক সংস্করণ হিসেবে জায়নবাদ তত্ত্ব (Zionism) আবিষ্কার করেন। শীঘ্রই তার জায়নবাদী নীতি ভয়ংকর আগ্রাসী, সন্ত্রাসী ও ধর্মীয় মৌলবাদের নৃশংস অধ্যায় রচনা করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হলে জায়নবাদী ইহুদীরা বিশ্বের ছড়ানো-ছিটানো ইহুদীদেরকে এনে ফিলিস্তিনীদের ভূমি দখল করে জোর করে ইসরাইল রাষ্ট্র গড়ে তোলে। আন্তর্জাতিক সমাজের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় জায়নবাদীদের সে নীলনক্সা বাস্তবায়িত হয়। আস্তে আস্তে অত্রাঞ্চলের আদিবাসী ফিলিস্তিনীরা স্বীয় রাষ্ট্র ও পরিচিতিকে হারাতে থাকেন। আজ একবিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় দশক। বিশ্ব এখন অনেক বদলেছে। বিশ্বায়নের ফলে আমরা সবকিছু কাছে থেকে বুঝতে পারছি। ইসরাইলের অমানবিকতা ও নৃশংসতার বিরুদ্ধে বিশ্ব আজ এক সুরে গ্রন্থিত। কিন্তু আন্তর্জাতিক সমাজের সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী অংশ এবং বর্তমান বিশ্বের পাশ্চাত্য বৃহত্ শক্তিবর্গের পরোক্ষ-প্রত্যক্ষ মদদে ইসরাইল তার নৃশংসতা অব্যাহত রাখতে সক্ষম হচ্ছে। ইসরাইলের ঔদ্ধত্য দমন করতে অন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে প্রথমেই আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতার ব্যাপারে চেতনা ধারণ করতে হবে। আন্তর্জাতিক সমাজের নীরবতার কারণে ইসরাইলের সকল নির্যাতন সহ্য করে এমনকি ইসরাইলী রাষ্ট্রের অস্তিত্ব মেনে নেয়ার পরও যদি ইসরাইল ফিলিস্তিনীদেরকে স্বীয় ভূমি থেকে উত্খাত করার ষড়যন্ত্র করে, তাহলে তা অত্রাঞ্চলে চরম নিরাপত্তা সংকটের সৃষ্টি করবে। ইতিমধ্যে ইরান, সৌদী আরব, মিসর ও তুরস্ক ইসরাইলের বর্বরতার বিরুদ্ধে কথা বলতে শুরু করেছে। ইরানের ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনী ইসরাইলের যুদ্ধকে ‘গণহত্যা’ বলে অভিহিত করেছেন। সিরিয়া, লেবানন বেশ চুপচাপ পরিস্থিতি অবলোকন করছে। ইরাক ও সিরিয়ার আভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব সত্ত্বেও সুন্নী ও শিয়া উভয়েই ফিলিস্তিন ইস্যুতে এক সুরে কথা বলবে অচিরেই। ইরাকের আইএসআইএল সুন্নী যোদ্ধাদের হাতে যে অত্যাধুনিক অস্ত্র ও প্রযুক্তি রয়েছে, তা যেকোন সময় ইসরাইলের বিরুদ্ধেও ব্যবহূত হতে পারে। হিযবুল্লাহও অনতিবিলম্বে ইসরাইলের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করবে বলে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়। ইতিহাসও এ কথার সাক্ষী। ইরান ও রাশিয়া হয়ত ইসরাইলের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনের লড়াইয়ে ফিলিস্তিনকে পরোক্ষ সহযোগিতা করবে। সেই বিস্ফোরন্মুখ সময় শুরু হওয়ার আগেই জাতিসংঘ যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্য বিশ্বসংস্থা ও বৃহত্ রাষ্ট্রগুলোর কর্তব্য হলো ফিলিস্তিন-ইসরাইল দ্বন্দ্বের ত্বরিত সমাধান বের করা। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা বাহিনী পাঠিয়ে ইসরাইলের সামরিক অভিযান বন্ধ করা প্রয়োজন এখনি। এরপর দীর্ঘমেয়াদী নিরস্ত্রীকরণ বা যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরে বাধ্য করা উচিত ইসরাইলকে। ইতিহাসের আলোকে এবং ইসরাইলের যুদ্ধ-সংস্কৃতি বিশ্লেষণ করলে স্পষ্টভাবে বলা যায়, সাময়িক কয়েক ঘন্টা বা কয়দিন যুদ্ধবিরতি, অস্ত্র বিরতি বা মানবিক যুদ্ধবিরতি প্রভৃতি প্রতারণামূলক, প্রবঞ্চনামূলক ধারণা ইসরাইল-ফিলিস্তিনের বর্তমান সংঘাতকে আরো ঘনীভূত করবে। মানবিক-সামরিক, যুদ্ধবিরতি নাটক বন্ধ করতে হবে আজই। ইসরাইলের লুক্কায়িত পারমাণবিক অস্ত্রের বিরুদ্ধে কথা বলার সময় এখন এবং এখনি। হয়ত ইসরাইলকে তার পারমাণবিক অস্ত্র এবং অন্যান্য মারণাস্ত্র বন্ধ করতে হবে অথবা অত্রাঞ্চলে পারমাণবিক শক্তিসাম্য (Nuclear balance of power) প্রতিষ্ঠা করতে হবে। পারমাণবিক নিবারক প্রক্রিয়া (nuclear deterrence) অত্রাঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠা সহায়ক হতে পারে বলে পারমাণবিক নিবারক তাত্ত্বিকবান অনেকভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। এ দুটি বিকল্পের মধ্যে যেকোনটিকে গ্রহণ করার ব্যাপারে আন্তর্জাতিক চেতনা, স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা স্পষ্ট হতে হবে। মধ্যপ্রাচ্যে স্নায়ু যুদ্ধোত্তরকালে পারস্পরিক দ্বন্দ্ব-সংঘাত বাধিয়ে দিয়ে বৃহত্ শক্তিবর্গের স্বার্থসিদ্ধির ধান্দাবাজি থেকে সরে আসতে হবে। ইরাক ও সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের সুযোগে আরবদের অনৈক্যকে পুঁজি করে ফিলিস্তিন-ইসরাইল দ্বন্দ্ব দীর্ঘ করার ষড়যন্ত্র করে মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্ শক্তির স্বার্থ এখন আর সংরক্ষিত হবে না। মধ্যপ্রাচ্যের সর্বত্র এখন সংঘাত, কিন্তু এ সংঘাতের এ সমরাস্ত্রের ঝনঝনানিতে মধ্যপ্রাচ্যের সর্বত্র আধিপত্যবাদ বিরোধী সরব কণ্ঠও ঝংকৃত হচ্ছে। অনেক বছর পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ইরাক ইস্যুকে এখন অস্বাভাবিকভাবে মৈত্রীবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সুসম্পর্ক যত ক্ষণস্থায়ীই হোক, এটা ইসরাইলের জন্য বার্তা যে, ইরানের মত ঐতিহাসিক অভিজাত ও আত্মমর্যাদাসম্পন্ন শক্তিকে অবজ্ঞা করে অত্রাঞ্চলে জুলুম-নির্যাতন জিইয়ে রাখা সম্ভব নয়। বাংলাদেশের সরকার ও জনগণ ইতিমধ্যে ভ্রাতৃপ্রতীম ফিলিস্তিনীদের বিরুদ্ধে ইসরাইলী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে। আমরা ইসরাইল-ফিলিস্তিন দ্বন্দ্ব নিরসনে আন্তর্জাতিক সমাজের দায় দায়িত্ব জোরদার হোক এ উদাত্ত আহ্বান জানাই। মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং সামগ্রিকভাবে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার প্রথম ও পূর্ব শর্ত ইসরাইল-ফিলিস্তিনের সংঘাত নিরসনে অকপট আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতা। [ লেখক: অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।]