টেলিফোনে পাঠকের মতামত

এভাবে কি চলতে পারে

চারপাশের যে অবস্থা চলে আসছে তা চলতে পারে না। রাজনৈতিক সহিংসতা, দলা-দলি, পরিবেশ দূষণ, গুলি, নিখোঁজ, গুম, খুন, হত্যা, রাস্তাঘাট ভাংচুর, অপরিচ্ছন্নতা, খাদ্যে বিষ, শিশু খাদ্যের ঘাটতি, ওষুধে ভেজাল, স্কুল-কলেজে ভর্তি সমস্যা, বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি সমস্যা, মাদকের ছড়াছড়ি, যাত্রা পথে নিরাপত্তাহীনতা, অর্থনৈতিক মন্দা, সকল কাজে কালো টাকায় পকেটভারি করার প্রবণতা। দেশও জাতিকে অনিশ্চয়তায় ঠেলে দিচ্ছে। বিদেশে যাওয়ার জন্য পাসপোর্টের জন্য দালালি। গণতন্ত্রে রাষ্ট্র এভাবে চলতে পারে না। কঠোর হস্তে আইন প্রয়োগ করে সকল দৈন্যদশা দেশ ও জাতিকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসতে হবে। আশা এলিজাবেথ গোমেজ লক্ষ্মীবাজার, ঢাকা-১১০০ নানা সমস্যায় জর্জরিত আমাদের চারপাশ। দেশ যখন এগিয়ে চলেছে; তখন বিএনপি-জামায়াত ২০ দলীয় জোট নানা কৌশল করে সরকারকে হয়রানি করতে ব্যস্ত। আন্দোলনের নাম করে তারা বার বার হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে কোন কাজ করতে পারছে না। দেশে অভ্যন্তরীণভাবে নানা সমস্যা আছে। দেশের শত্রু যারা তারা নানাভাবে সরকারকে বিভ্রান্ত করছে। আন্দোলনের নামে তারা নানাভাবে কথা বলছে। কিন্তু কিছুই করতে পারবে না বলে আমাদের বিশ্বাস। মো. জাহাঙ্গীর হোসাইন পীরেরবাগ, ঢাকা এভাবে কি চলতে পারে? চলছে তো। না আসলে এটাকে চলা বলে না। একটা দেশ এভাবে চলতে পারে না। এর একটা পরিবর্তন দরকার। কিন্তু কে করবে এ পরিবর্তন? নিশ্চয়ই জনগণ! কারণ জনগণই সকল ক্ষমতার উত্স, কিন্তু কোথায় জনগণ? জনগণকে তো স্যান্ডউইচ বানিয়ে রাখা হয়েছে অনেক আগে থেকেই। সেই ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর এটা আরো স্পস্ট হলো। সেখানে দেখানো হলো জনগণ ক্ষমতার উত্স নয়। পেশী শক্তিই সকল ক্ষমতার উত্স। কিন্তু না এটা সাময়িক। জনগণকে তাদের অধিকার থেকে কখনই দূরে রাখা যায়নি, কখনো যাবেও না। অতীত ইতিহাস এর সাক্ষী। জনগণ তার অধিকার ঠিকই প্রতিষ্ঠা করে ছাড়বে। আজ ক্ষমতায় বসে যারা বড় বড় কথা বলছেন। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও অধিকার নিয়ে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করছেন। জনগণ সময় মত-এর সঠিক জবাবটিই দেবে। মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন সারিয়াকান্দী, বগুড়া না। এভাবে চলতে পারে না। একটা অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে দেশ চলছে। এটাকে মেনেও নেয়া যায় না। যেভাবে চলছে এতে করে মানুষের উদ্বেগ উত্কণ্ঠা দিন দিন বেড়েই চলেছে। সুতরাং এমনটি আমরা আর চাই না। নূসরাত ইয়াসমীন সিটি কলেজ, ঢাকা ভাষার জন্য যারা দিয়ে গেছে প্রাণ ভুলিনি আমরা। ৭১’এর স্বাধীনতার জন্য যারা প্রাণ দিয়েছে তাদেরকে ভুলিনি। ভুলিনি আমরা ৯০-এর গণআন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছে তাদেরও। মুক্তিযুদ্ধ আমাদের অমরগাথা। সুতরাং এগুলোকে স্মরণে রাখলেও চারপাশে আজ এ অবস্থা হতে পারে না। শিলা জামান সিডনী, অস্ট্রেলিয়া চারপাশে যে অবস্থা তাতে করে আজ শান্তি আজ অশান্তি আর অস্বস্তিতে ভরপুর। শান্তির মা নেই বললেই চলে। নিরাপত্তা নেই কোন কিছুতেই। ছিনতাই, রাহাজানি, খুন, গুম, নিখোঁজ, পরিবেশ দূষণ, দুর্গন্ধময় ময়লা আবর্জনা, শিক্ষাখাতে ব্যাপক অনিয়ম, হাসপাতালে অনিয়ম, সরকারি অফিসে কাজের অনিয়ম। সুতরাং, সব স্তরে আজ দুর্নীতির দুর্গ গড়ে উঠেছে। অতুল হাজারীবাগ, ঢাকা চারপাশে যা চলছে তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। রাজনীতিতে টেন্ডারবাজি ও চাঁদাবাজি—এগুলো দেখতে দেখতে মনে হচ্ছে দেশ নরকের দিকেই যাচ্ছে। তাই বলা যায়, এভাবে দেশ চলতে পারে না। এর পরিবর্তন দরকার। তা না হলে দেশ যে কোথায় যবে তা বলা যাচ্ছে না। জসিম উদ্দিন পুরান থানা, কিশোরগঞ্জ চারপাশে যে অবস্থা চলছে জনগণের জীবনে নিরাপত্তা, ব্যবসায় নিরাপত্তা, চলাফেরা কোনটাই এখন নিশ্চিত নয়। আইন মেনে অনেক মন্ত্রণালয়ে কাজ চলছে না। ধানমন্ডি, চকবাজারের মতো এলাকায় সবসময় যানজট লেগেই থাকে। মাছ বাজারের মতো গড়ে উঠেছে স্কুল, কলেজ-হাসপাতাল। এটা যে আবাসিক এলাকা সেটা মনেই হয় না। চারপাশে যেভাবে চলছে সেটা কোনদিক দিয়েই ঠিক নয়। এইভাবে চলতে পারে না। সরকারকে নিজের দায়িত্ব পালন করা উচিত। নইলে তা আর নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। সৈয়দ হায়দার আলী সভাপতি, মহাখালী যুব কল্যাণ সমিতি, মহাখালী, ঢাকা বাংলাদেশ আজ এগিয়ে চলেছে। উন্নয়নের ধারাকে আরো সুন্দরভাবে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকার। অথচ এদেশকে ষড়যন্ত্রে নিয়ে যাওয়ার জন্য বহু চেষ্টা করছে। এদেশকে রক্ষা করার জন্য বহু মানুষ যুদ্ধ করেছে। স্বাধীনতা বিরোধীরা শুধু বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে ক্ষান্ত হয়নি; নানা কৌশলে তারা আজো ব্যস্ত। দেশকে নানা ষড়যন্ত্র নিয়ে যাচ্ছে তারা। সর্বশেষ গত ৫ জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আজো তারা রাজনীতি করে যাচ্ছে। সুতরাং তাদের হুমকি-ধামকি দিয়ে সরকারকে কোনভাবেই নড়াতে পারবেন না; যেহেতু এদেশের জনগণ এখন খুব সজাগ। এসকে মোঃ রমিজউদ্দিন, প্রশিকা প্রধান কার্যালয়, মিরপুর, ঢাকা চারপাশে আজ যেভাবে চলছে বা চলে আসছে তা কোনভাবেই চলতে পারে না। এটা মানুষের পাওনা নয়। তাই এ থেকে মানুষ চায় সুস্থ পরিবেশ। ফারুক আলম, মালিবাগ, ঢাকা চারপাশে যে অবস্থা তা আর নিয়মে আনা কবে সম্ভব হবে সেটাই আজ জানার বিষয়। যে কোন কিছু যদি নিয়ম না থেকে অনিয়মে থাকে তাহলে সেটাতে নিয়ম আনাই হচ্ছে অবস্থার সত্যিকারের পরিবর্তন। তাই আজ চারপাশে নিয়মের নামে যে অনিয়ম চলছে তা শেষ হওয়া দরকার। মো. সেলিম, মহাখালী, ঢাকা খুব বেশি ভালো নেই দেশের মানুষ। রাত পোহানোর পর সকাল হলেই মানুষের এখন নানা দুশ্চিন্তা। ব্যবসা-বাণিজ্য ভালো নেই। ভালো নেই পরিবেশগত। সুখ নেই নিত্যদিনের চলাফেরায়। শান্তি, শান্তি করে পরিত্রাণ খুঁজছে মানুষ। কোথায় একটু স্বস্তি, শান্তি ও সুখ মিলবে? দেশের মানুষের আজ সেটাই জানতে চায়। মে. খায়রুল ইসলাম (ফুল) আরাপপুর, ঝিনাইদহ আমাদের চারপাশের অবস্থা তেমন ভালো নেই। এটা আর কতদিন, কতমাস বা বছর চলতে থাকবে তা আমাদের জানা নেই। নানা ত্রুটিপূর্ণ পরিবেশে দেশ চলছে। অথচ আমরা এটা কোনদিনই প্রত্যাশা করি না। যা অবস্থা তা আর বলতে চাই না। তবে এই পরিস্থিতি থেকে সাধারণ মানুষ পরিত্রাণ চায়। দেশের মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে চায়। নীলুফা আক্তার, টোলারবাগ, মিরপুর, ঢাকা আমাদের চারপাশে যে অবস্থা বিরাজমান এবং যা দেখছি এবং যা চলে আসছে এই অবস্থা চলতে পারে না। নানা অনিয়মে পরিপূর্ণ সরকারি কিংবা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ছে দেশের বেশির ভাগ মানুষ। ইতিমধ্যে মানুষ পাচারকারীর, চোরাকারবারির, সর্বক্ষেত্রে দালালদের খপ্পরে পড়ে সর্বহারা হচ্ছে। অনিয়ম থাকার কারণে লঞ্চ, বাস, যাত্রীদের মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। ব্যবসা-বাণিজ্য চাকরিজীবী, বুদ্ধিজীবী ও চিকিত্সকদের কাছে গোটা জাতি জিম্মি। এভাবে দেশ চলতে পারে না। সন্ত্রাসীসহ এবং তাদের গডফাদাররা গ্রামের মানুষের দোরগোড়ায় হানা দিচ্ছে। এখন চারপাশে যে অবস্থা বিরাজ করছে তা মেনে নেয়া যায় না। আমাদেরও এভাবে চলতে দেয়া উচিত নয়। জাতির বিবেককে জাগ্রত করার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। শাহ মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন হিরো, কালিহাতি, টাঙ্গাইল যে কোন দেশে যখন গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত হয় কিংবা সুশাসন পথ হারিয়ে ফেলে, তখন বিচার বিভাগই যে দেশের মানুষের কাছে শেষ আশ্রয়স্থল বা শেষ ভরসাস্থল হয়ে ওঠে। তাই আমাদের চার পাশে যে অবস্থা চলছে সেটা এখনই সমস্যার সমাধান করা দরকার। মো. মারুফ বাসাবো, ঢাকা গুম, খুন, অপহরণ থামেনি। অনেক ঘটনা ঘটছে। নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুনের ঘটনায় র্যাবের কয়েকজন স্বীকারোক্তি ও আদালত জেনেছেন। এছাড়াও ঘটছে অনেক রকম ঘটনা এখন ঘটনাগুলোর প্রতিকার করে জনমতের সংশয় ও উদ্বেগ দূর করা দরকার। মো. মোজাহারুল ইসলাম চেয়ারম্যান, ইডাফ, সাভার দেশের মানুষ আজ ভালো নেই। ভালো নেই নানা কারণে। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক দৈন্য দশা এই তিনটি প্রধান। তা গুরুত্বপূর্ণ ও স্পশকাতর বিষয় নিয়ে বড় ধরনের বির্তক সৃষ্টি হলে জাতির জন্য মঙ্গলজনক হবে না। সেজন্য কিছুটা সময় নিয়ে ও খোলা মনে আলোচনার মাধ্যমে জনমত সৃষ্টি করে এগিয়ে যাওয়াটাই ভালো কতগুলি বিষয়ে। মো. খায়রুল বাশার (চয়ন) কুতুবখালী, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা অবস্থার দুর্বিপাকে দেশের মানুষ। এমন কোন দিক নেই যে শান্তিময়। সম্প্রতি লঞ্চ দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অনেক মানুষ। এক পরিসংখ্যানে বলা হয়, ১৯১৪ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত সরকারি হিসেবে ৩৮৯টি লঞ্চ দুর্ঘটনা ঘটেছে। বেসরকারি হিসেবে ৬৫০টি। মানুষ মারা গেছে ২৯০০ জন, বেসরকারি হিসেবে ৫৫০০ জন। এটা গেলো লঞ্চের খবর। এরকম অনেক ঘটনা আছে যা আজ মানুষের কাছে অগ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছে। সুতরাং এভাবে যদি সবকিছু চলতে থাকে তাহলে দেশের জনগণ কিভাবে ভালো থাকবে? মাসুদ আলম (বিপ্লব) উর্দ্দু রোড, লালবাগ, ঢাকা চার পাশে মানুষ এখন ভালো নেই। নানা সমস্যা নিয়ে দেশের জনগণ এখন আতঙ্কিত। অপরাধ এখন ঢুকে পড়েছে সমাজে ও প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে। সুতরাং এ থেকে রেহাই পেতে হলে প্রয়োজন শক্ত হাতে প্রশাসনকে চালানোর ব্যবস্থা। মো. রাশিদুল ইলাম (রয়েল) নিশিন্দারা, মধ্যপাড়া, বগুড়া চারপাশে চলছে অস্থিরতা। রাজনৈতিক অস্থিরতা, সামাজিক উদ্বেগ, অর্থনৈতিক মন্দা, নিরাপত্তাহীনতা। প্রশাসন তদবিরসহ অন্যান্য সমস্যায় জর্জরিত। সুতরাং এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে প্রসাশনকে ঢেলে সাজানো একান্ত জরুরি। জুয়েল, বারিধারা, ঢাকা বহুবিধ সমস্যার মধ্যে দেশ চলছে। বলতে গেলে বলা যায় উল্টো পথে চলছে দেশ। কোন কিছুতেই আজ নিয়ন্ত্রণ নেই। নিয়ন্ত্রণের বাহিরে চলে গেলে তখন আর কিছু করা যাবে না। কাজেই এখন প্রয়োজন সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ। পারভীন আক্তার হাজারীবাগ, ঢাকা চারপাশে যে অবস্থা তা কোনভাবেই চলতে পারে না। চলতে দেয়া যায় না। এভাবে চলতে দেয়া মানে কোন নিয়মকে তোয়াক্কা না করা। সুতরাং এভাবে চলা মানে কোন কিছুকে না বুঝে ছেড়ে দেয়া। সুতরাং আমরা চাই নিয়মতন্ত্রের মধ্যে দেশ চলবে। আলমগীর হাজারীবাগ, ঢাকা দুঃখের রেশ যে মানুষ পায় নাই সে বুঝে না দুঃখ কেমন। তেমনি সুখ যে সব সময়ই পেয়েছে। সে জানে না দুঃখের রং কেমন। আমাদের চারপাশের অনেক মিছিল, অনেক মানুষ, অনেক প্রশ্ন, অনেক উত্তর, অনেক রক্ত। মানুষ এভাবে চলতে পারে না। এভাবে মানুষ বাঁচে না। আজ দেশে যে সমস্ত সমস্যাগুলো রয়েছে সেটা যদি প্রশাসন শক্ত হাতে নিয়ন্ত্রণ করেন তাহলে কোন সমস্যাই সমস্যা থাকবে না। আমরা চাই সেরকম। মাসুম আহম্মেদ শিকড় সন্ধানে, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা সব দিক থেকেই চারপাশের অবস্থা নাজুক। বসবাসের জন্য যেমন ঢাকা শহর এখন অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। পরিবেশগত দিক দিয়ে বিশ্বের ১৪০টি শহরের মধ্যে ঢাকার স্থান ১৩৯। সেরকম প্রতিটি ক্ষেত্রেই চারপাশের অবস্থা। দ্রব্যমূল্য ঊর্ধ্বগতি, রাজনীতি অবস্থা ভালো নেই, অর্থনীতির খুব একটা ভালো নেই। সুতরাং সব মিলে চারপাশের অবস্থা নেতিবাচব। নার্গিস সুলতানা নতুন পল্টন লাইন, ঢাকা আমাদের চারপাশে আজ নানা দৃশ্য দেখতে পাচ্ছি। তবে এ রকম দেখতে চাই না। আমরা চাই একটি সুস্থধারার পরিবেশ। সেটা যেকোন দিক থেকে হতে পারে। অর্থনৈতিক, সমাজিক, রাজনৈতিক বিষয়ে। প্রতিটি সেক্টরে আমরা দেখতে চাই শান্তি। সে রকমটাই আমরা প্রত্যাশা করি। হোসনে আরা করিম নীলা এনায়েতগঞ্জ লেন পিলখানা, ঢাকা অনেক দিক থেকেই সরকার আজ ব্যর্থ। বিশেষ করে প্রশাসন। শিল্পখাত, স্বাস্থ্যখাত, ভেজাল খাদ্য, ফলে কেমিকেল, রাস্তাঘাটের উন্নয়নের নামে দুর্নীতি, ভাংচুর, প্রশ্নপত্র ফাঁস হচ্ছে হরহামেশাই, রাজনৈতিক অস্থিরতা। সব মিলে দেশের মানুষ আজ নির্বিকার বলা চলে। এ থেকে বেরিয়ে আসা দরকার। মো. জাকির হোসেন শাহজাদপুর, ঢাকা চারপাশে যে অবস্থা তা আর বেশিদিন চলতে দেয়া যায় না। নিজের দেশ আজ মনে হয় পরবাসী। এটাকে কিভাবে আমরা আজ মেনে নেবো? তাই এই পরিবেশকে মেনে নেয়া যায় না। এ পরিবেশ থেকে উদ্ধার আশু প্রয়োজন। রোকমার আন্নুর ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, গুলশান, ঢাকা দেশের বর্তমান অবস্থা যে রকম তাতে করে কারোরই ভালো থাকার কথা নয়। সব কিছু যেন আজ অশান্ত। ঘরে বাহিরে যে সংগ্রাম চলছে। কোথাও শান্তি, স্বস্তি নেই। রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি, সরকারি দলের বাধা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, পরিবহন ইত্যাদিতে কোন নিয়মনীতি নেই বললেই চলে। সুতরাং স্বস্তি ফিরিয়ে আনা দরকার। বাবুল ধানমন্ডি, ঢাকা চারপাশের যে অবস্থা তাতে করে মানুষ কিভাবে ভালো থাকবে । কোন কিছুতেই যে স্বস্তি নেই, শান্তি নেই। ভালো লাগার কোন কিছুই নেই। কেন জানি সব মনে হয় হারিয়ে গেছে। তাই এখনই এই হারিয়ে যাওয়া জিনিস পুনরুদ্ধার করা দরকার সরকারের। হাসান মো. হোসাইন চৌধুরী কবির হাট, নোয়াখালী চারপাশে যে অবস্থা, মনে হচ্ছে দেশে কোন আইনের শাসন নেই। চারদিকে শুধু সমস্যা। দুর্ঘটনা, মানুষ গুম, খুনসহ নানা ঘটনা নিত্যদিনের এখন খবর হয়ে দাঁড়িয়েছে। দুর্ঘটনা নৌপথ, সড়কপথ, স্থলপথ, এমন কি আকাশ পথেও দুর্ঘটনা হচ্ছে। গার্মেন্টস শ্রমিকের তাদের বকেয়া পাওনা আদায়ের প্রতিবাদে আন্দোলন, ধর্মঘট করেছেন। এমন অজুহাত দেখিয়ে উত্তর বাড্ডার তোবা গ্রুপের ৫ কারখানা অনিদিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছেন। সব কিছুতেই এখন রাজনীতিকিকরণ। এ থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। এভাবে চলতে পারে না। মো. ওয়াহীদ উল্লাহ ফেনী