বিএনপি’র সরকার পতনের আন্দোলন
ন তু ন প্র জ ন্মে র ভা ব না
প্রকাশ : ২৩ আগস্ট ২০১৪, ২১:৩৮
বিএনপির
সময়ক্ষেপণের
আন্দোলন
বিএনপি আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। তারা বলেছিল ঈদের পরই তারা সরকার পতনের আন্দোলনে নামবে। কিন্তু তারা ঐভাবে মাঠে নামতে পারেনি। তারেক জিয়ার ফর্মুলাও তাদের উজ্জীবিত করতে পারেনি। ঢাকাকেন্দ্রিক আন্দোলন সফল করতে দলটি নতুন কমিটি করেছে। এত কিছুর পরও তাদের আন্দোলনে সক্ষমতা এসেছে বলে মনে হয় না। ঢাকার প্রভাবশালী নেতারাও তেমন উচ্চবাচ্য করছে না। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আন্দোলন শুরুর তারিখ দিচ্ছেন এবং সেই তারিখে এসে নতুন আরেকটি তারিখ দিচ্ছেন। এভাবে লম্বা তারিখ দেয়ার মাধ্যমে দলটি আওয়ামী নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের পাঁচ বছর পার করতে চাচ্ছে বলে মনে হয়। নতুন কমিটি ঢাকাতে তাদের অবস্থান সুসংবদ্ধ করতে পারেনি। সরকারের অবস্থানে কোন ধরনের দুর্বলতা নেই। বিএনপির আন্দোলন নিয়ে তাদের মধ্যে কোন ধরনের ভীতি বা দুশ্চিন্তা কাজ করছে না।
নূর মুহাম্মদ রিফাত
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
বিএনপির
আন্দোলন
অর্থহীন
সরকার যাতে কোন প্রকার স্বেচ্ছাচারিতা করতে না পারে সেজন্য বিরোধী দলগুলো জনগণকে সচেতন করে এবং জনকল্যাণের মাধ্যমে জনসম্পৃক্ততা তৈরি করে। কিন্তু বিএনপি এখনো কোন প্রকার জনসম্পৃক্ততা তৈরি করতে পারেনি। জনকল্যাণের জন্য কোন প্রকার নীতিও বিএনপির নীতিনির্ধারকরা প্রণয়ন করেনি। তারা চায় শুধু ক্ষমতা। কিন্তু সন্ত্রাসী আন্দোলন করে কখনো ক্ষমতায় যাওয়া যাবে না। চাই জনকল্যাণের মাধ্যমে জনসম্পৃক্ততা। আর জনসম্পৃক্ততা ছাড়া গণতান্ত্রিক আন্দোলন অর্থহীন।
মো. শাহীনুল ইসলাম
দর্শন বিভাগ,৪র্থ বর্ষ,
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
আন্দোলন নয় সমঝোতাই
কেবল পারে দেশকে শান্তিতে রাখতে
বাংলাদেশে সরকার-বিরোধী আন্দোলন মানেই জ্বালাও, পোড়াও, ভাঙচুর। গণতন্ত্রের সুযোগ নিয়ে আন্দোলনের নামে মানুষের উপর চলে হূদয়বিদারক অত্যাচার। এই রকমই দৃশ্য চোখে পড়ে গতবছর বিএনপির আন্দোলনে। কিন্তু তারা আন্দোলন করে কি পেলেন? কিছুই পাননি। শুধু ঝরেছে অসংখ্য সতেজ প্রাণ। বাংলাদেশে যে রাজনৈতিক সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে, সে সমস্যা সমাধানের জন্য এই সংঘাতময় পথ ছাড়াও আরেকটি পথ আছে। সেটি হলো সমঝোতা। আন্দোলনের বিকল্প পথ সমঝোতা। তাই বিএনপির হাতে এখনও সময় আছে। তারা এই সংঘাতময় পথ ছেড়ে সমঝোতার পথকেই বেছে নিক বাংলার মানুষের স্বার্থে। এতে বাংলাদেশের মানুষ তথা বিএনপিরই মঙ্গল।
অপূর্ব কুমার পাল
বিজ্ঞান বিভাগ, দ্বাদশ শ্রেণি
পাংশা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, পাংশা, রাজবাড়ি।
গণমানুষের অধিকার
আদায়ের জন্য গণআন্দোলন
অবশ্যই প্রয়োজন
গণতান্ত্রিক দেশে গণমানুষের অধিকার আদায়ের জন্য গণআন্দোলন অবশ্যই প্রয়োজন আছে। কিন্তু সেই আন্দোলনের ধরন বা চরিত্র গণতান্ত্রিক হওয়া আবশ্যক। নির্বাচিত বা অনির্বাচিত সরকারের উচিত আন্দোলনকারীদের আন্দোলনকে গণতান্ত্রিকভাবে মোকাবিলা করা। বিশেষ করে বিতর্কিত সরকারের উচিত আন্দোলনকারীদের আন্দোলনকে প্রতিহত না করে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা। তবেই গণমানুষ, সরকার, দেশ ও জাতি উপকৃত হবে।
আরেফিন সমুন
ভিডিও ক্যামেরা অপারেশন, শেষপর্ব,
ফোকাস ফটোগ্রাফি ইন্সটিটিউট
মিরপুর-১০, ঢাকা।
গণতন্ত্র ও শান্তির
প্রয়োজনে গণআন্দোলন
অবশ্যম্ভাবী
বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশের আপামর জনগণ সীমাহীন মনোযন্ত্রণায় আচ্ছন্ন। তারা এমন পরিস্থিতি থেকে মুক্তি চায়। নিজেদের অধিকার ও মত প্রকাশের সুযোগ ফিরে পেতে চায়। রাজনৈতিক নেতৃত্বই পারে কেবল জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে। ক্ষমতার দম্ভ ও অহংকারে বর্তমান সরকার যেন আকাশে উড়ছে। অন্যদিকে ছন্নছাড়া বিএনপি নিজের ঘর না গুছিয়ে অন্যের ভরসায় তর্জন-গর্জন করছে। জনগণ নিরবচ্ছিন্ন শান্তি চায়, তার চাওয়া-পাওয়া ও মতামতকে পদদলিত করে এমন সরকারকে রাষ্ট্র পরিচালনায়ও দেখতে জনতার অপছন্দ। এমন পরিবেশে দেশবাসী তাকিয়ে বিএনপির দিকেই। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে জনগণকে সংগঠিত করে নব্বই-এর মতো গণআন্দোলন গড়ে ওঠা কেবলই সময়ের ব্যাপার। এবার তা বিএনপির দ্বারা হোক কিংবা অন্য কারো দ্বারা।
মো. ফখরুল ইসলাম (টিপু)
বাউবি থেকে সদ্য বিএ সমাপনকারী
মাস্টার্সেও ভর্তি প্রত্যাশী।