সকাল থেকে সন্ধ্যায় দুনিয়াজুড়ে চলছে চায়ের রাজত্ব। চা বহু মানুষের প্রিয় পানীয়। চা ছাড়া একটা দিন অনেকে ভাবতেই পারেন না। চা শরীরকে সতেজ আর মনকে প্রশান্ত করে। গত ২১ মে ছিল আর্ন্তজাতিক চা দিবস। চা স্বাস্থ্য উপকারি এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে ওষুধের কাজও করে।
যান্ত্রিক জীবনে সকাল-সন্ধ্যার ব্যস্ততায় ক্লান্ত লাগলে, বিশেষ করে অল্পতে যারা সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হোন, তাদের জন্য চা খুব উপকারি। দৈনন্দিন জীবনে টুকটাক প্রায় সব সমস্যার উপশমেই পান করতে পারেন চা। কিন্তু চায়ের আছে রকমফের। চায়ের সাথে আদা, গোলমরিচ, এলাচ, দারুচিনি ব্যবহার কমবেশি সবারই জানাশোনা। তা ছাড়া হার্বাল চা তো আছেই। তবে শরীর ভালো রাখে, আর সহজেই তৈরি কারা যায় এমন এক চায়ের নাম ‘তেজপাতা চা’।
এই পাতার নামের মধ্যেই একটা তেজ তেজ ভাব আছে। প্রাচীনকাল থেকেই মশলা হিসেবে সুপরিচিতই নয়, রীতিমত খ্যাতি রয়েছে তেজপাতার। এ ছাড়াও প্রচুর ঔষধি গুণ তো আছেই। আর রান্নায় এই পাতা ব্যবহার করলে যেমন গন্ধ বাড়ে তেমনই হজমও ভালো হয়। সম্ভব হলে প্রতিদিন এক চা চামচ মধু মিশিয়ে পান করুন তেজপাতা চা, যা আপনার অনেক উপকার করবে। শরীরকে রাখবে সতেজ ও প্রাণবন্ত।
তেজপাতা চা তৈরি করা খুব সহজ। প্রথমে একটি পাত্রে ২ কাপ পরিমাণ পানি গরম করে তাতে ৩টি তেজপাতা এবং এক চিমটি দারুচিনির গুঁড়া দিয়ে মিনিট দশেক ফুটিয়ে নামিয়ে নিতে হবে। এরপর সাথে যোগ করতে হবে অল্প পরিমাণে লেবুর রস ও মধু। ব্যাস তৈরি ‘তেজপাতা চা’।
তেজপাতা চা পানে হজমশক্তিই শুধু বাড়বে না, শরীরের বিপাকক্রিয়ার ক্ষমতাও বৃদ্ধি পাবে। অতিরিক্ত ওজন কমবে। পেট ফাঁপা, বুকজ্বালা, বদহজম এসব থেকেও মিলবে মুক্তি। সর্দি, কাশি হলে বিশেষ করে কারও যদি বুকে কফ জমার মতো সমস্যা থাকে তাহলে তেজপাতা, তুলসী পাতা, মধু একসঙ্গে গরম পানি দিয়ে খেলে ভালো উপকার পাওয়া যায়।