কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে শেষ মুহূর্তে পশু পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন নরসিংদীর কৃষক ও খামারিরা। তবে গোখাদ্যের দাম চড়া থাকায় ন্যায্যমূল্য পাওয়া নিয়ে দ্বিধায় রয়েছেন তারা।
জেলা পশুসম্পদ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এ বছর স্থানীয় খামারিরা তাদের খামারগুলোতে ৬৫ হাজার ৪৭২টি কোরবানিযোগ্য পশু প্রস্তুত করেছে। আর ব্যক্তিগত ও কৃষক পর্যায়ে আরও ১০-১২ হাজারের মতো পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। যা জেলার কোরবানিযোগ্য পশুর চাহিদার তুলনায় প্রায় ১৯ হাজার বেশি। নরসিংদী জেলায় কোরবানিযোগ্য পশুর চাহিদা প্রায় ৫৭ হাজার।
নরসিংদী শহরের নাগরিয়াকান্দী এলাকার খামারি আব্দুল লতিফ জানান, প্রতি বছরই ঈদের ছয়-সাত মাস আগে বাজার থেকে গরু-মহিষ কিনে দেশীয় খাবার দিয়ে সৃজনারী লালনপালন করে বাজারে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করে থাকি। ঈদের বেশিদিন বাকি না থাকলেও এখনো পাইকারিদের দেখা মিলছে না।
নরসিংদী জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান খান বলেন, মানব স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহার না করে দেশীয় খাবার খাইয়ে পশু মোটাতাজা করার জন্য কৃষক ও খামারিদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পশু মোটাতাজাকরণে ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহার বন্ধে মাঠ পর্যায়ে তদারকি করা হচ্ছে।