সেই ঘটনার দুই বছরও পেরোয়নি। এরই মধ্যে আবার ঘোষণা করা হলো-‘ইউরোপিয়ান সুপার লিগ’ (ইএসএল) নামে নতুন এক লিগ আয়োজনের পরিকল্পনা। দুই স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনা এবং ইতালিয়ান জায়ান্ট জুভেন্টাসের নেতৃত্বে নতুন করে এই লিগের পরিকল্পনা করা হয়েছে। গত পরশু প্রকাশিত পরিকল্পনায় জানানো হয়েছে, নতুন এই ইএসএলের দল সংখ্যা হবে ৬০ থেকে ৮০টি।
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের বিকল্প টুর্নামেন্ট হিসেবে ২০২১ সালের এপ্রিলে এই ইউরোপিয়ান সুপার লিগ আয়োজনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। স্পেন, ইংল্যান্ড ও ইতালির ১২টি বড় ক্লাব মিলে উচ্চাভিলাষী এই লিগ আয়োজনের ঘোষণা দেয়। কিন্তু ঘোষণার পরপরই ফুটবল বিশ্বে সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়। খেলোয়াড়, সমর্থক এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশের লিগ কর্তৃপক্ষ, ফুটবল ফেডারেশন এবং সরকারের তীব্র সমালোচনা ও চাপের মুখে মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ইএসএল আয়োজনের পরিকল্পনা থেকে সরে দাঁড়ায় ৯টি ক্লাব। ইংল্যান্ডের ৬ ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, ম্যানচেস্টার সিটি, লিভারপুল, চেলসি, আর্সেনাল, টটেনহামের সঙ্গে সরে দাঁড়ায় ইতালির এসি মিলান ও ইন্টার মিলান এবং স্পেনের অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ। তবে নতুন এই লিগের মূল উদ্যোক্তা রিয়াল মাদ্রিদ, বার্সেলোনা ও জুভেন্টাস নিজেদের পরিকল্পনায় অটল থাকে। এবার তো নিজেদের পরিকল্পনাটা নব উদ্যোগে প্রকাশও করল।
রিয়াল, বার্সা, জুভেন্টাসই নতুন এই লিগ আয়োজন পরিকল্পনার মূলে। তবে পরশু নতুন করে লিগ আয়োজনের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে মাদ্রিদ ভিত্তিক স্পোর্টস ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি এ২২। এই প্রতিষ্ঠানটিই ‘ইউরোপিয়ান সুপার লিগ’-এর পৃষ্ঠপোষক। এই এ২২ প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী বার্নড রেইচার্ট ‘ইউরোপিয়ান সুপার লিগের ১০ নীতিমালা’ শিরোনামে পরিকল্পনা প্রকাশ করেছেন। স্প্যানিশ পত্রিকা ‘এল পাইসে’ প্রকাশিত এ২২-এর এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ৬০-৮০ দলের এই লিগ হবে বহুস্তর বিশিষ্ট এবং প্রতিটি দল অন্তত ১৪টি করে ম্যাচ খেলবে।