২০২৩ এ এসে কেউ ব্লগ ওয়েবসাইট কেন করবে?

চ্যাটজিপিটির মতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আসার পর অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বা ব্লগ সাইটের উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়টি বিতর্কের মুখে পড়ে। এসিও, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, অ্যাডসেন্স ইত্যাদির মাধ্যমে আয়ের উৎসের থেকে বড় কথা আগে কোনো লেখা লেখার জন্য যে সময় প্রয়োজন ছিল তা এখন লাগে না। 

অপরদিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে লেখা লিখে ওয়েবসাইট করে দ্রুত সাফল্য পেলেও অনেকেই এখানে যুক্ত হচ্ছেন। ফলে ন্যায্যমূল্য পাওয়াও এখন কঠিন। তবে ২০২৩ সালে এসেও ওয়েবসাইট করার পক্ষে অনেকে। এখনও সব শেষ হয়নি। স্কোয়ারস্পেসের সিইও অ্যান্থনি কাসালানা অন্তত তাই মনে করেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এখন বিনোদনকে প্রাধান্য দিচ্ছে। আর গুগলের সার্চ ইঞ্জিন ছিল ট্রাফিক জেনারেটের শেষ উৎসস্থল। সেখানেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাগড়া। তাই ওয়েবসাইট করলে সাফল্য পাওয়া কঠিন।  

স্কোয়ারস্পেস প্রতিষ্ঠার পর নতুন অনেক অভিনব আইডিয়া তারা যুক্ত করেছে। ওয়েব কোম্পানির সিইও অ্যান্থনি মনে করেন এখনও ওয়েবসাইট করা জরুরি। তিনি এ ব্যাপারে একটি পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি বলেন, এখন অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের ব্যবসা বা লেখার ফিড হিসেবে ব্যবহার করেন৷ তারা ট্রাফিক ওয়েবসাইটে নিয়ে আসেন পেমেন্ট সম্পন্ন করার জন্য। এখন পেমেন্টের একাধিক সুযোগ থাকায় ও নিরাপত্তার খাতিরে ওয়েবসাইট তাদের জরুরি। 

এখন সমস্যা হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে কন্টেন্ট লিখে ওয়েব দূষণ ঘটছে। আর এই সমস্যা থেকে উত্তরণের পন্থা কি? পন্থাটি পাওয়া জটিল। স্কোয়ারস্পেস সম্প্রতি গুগলের ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন ব্যবসা কিনে নিচ্ছে। আর এমনটি হলে স্কোয়ারস্পেস বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম ডোমেইন নেম রেজিস্টার কোম্পানি হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিবর্তন আসছে ও অনেক যোগাযোগমাধ্যম সংকটে রয়েছে। এসব ছাপিয়ে ব্লগিং করতে গেলে সমস্যা রয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পরিবর্তনের কারণে ট্রাফিকে বদল আসছে৷ এটা হতেই পারে। কিন্তু এই মুহূর্তে ওয়েবে একটি অথরেটিভ উপস্থিতির জন্য ওয়েবসাইট এখন খুবই জরুরি। বিষয়টি এখনও অনেকের মনোযোগ আকর্ষণ করেনি। তবে পরিবর্তনের এই সময়ে স্বভাবতই অপেক্ষা করতে হবে। কিন্তু ওয়েবসাইটের গুরুত্ব রয়েছে। সেটা ভালোভাবে অনুধাবন করতে হবে ও ওয়েবে নিয়ন্ত্রণ আনা জরুরি। সাইবার আক্রমণ একটি সমস্যা। সেটার সমাধান করতে হবে।