কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো দুটি মরদেহ

কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের পৃথক স্থান থেকে দুটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টায় সৈকতের মিরা পয়েন্ট এবং গঙ্গামতি পয়েন্ট থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।

এরমধ্যে মিরা পয়েন্টে ভেসে আসা মরদেহটি জেলে নজরুল ইসলামের। গত ২৯ জুলাই পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবির ঘটনায় নিখোঁজ হন তিনি। তাছাড়া গঙ্গামতি পয়েন্টে উদ্ধার হওয়া মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুয়াকাটা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বিকাশ মন্ডল।

তিনি বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে দুটি লাশ ভেসে আসার খবর পেয়ে সৈকতের পৃথক স্থান থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে মীরাবাড়ি পয়েন্টে কালো রংয়ের রেইনকোট পরিহিত ব্যক্তির পরিচয় তার ছেলে শনাক্ত করেছে। এছাড়া গঙ্গামতি এলাকায় পাওয়া অপর ব্যক্তির পরিচয় এখনও শনাক্ত করা যায়নি। মরদেহ দুটি মহিপুর থানায় হস্তান্তর করা হবে।

এর আগে ২৫ জুলাই  সকাল ১০টার দিকে বঙ্গোপসাগরের শেষ বয়ার ৭৫ কিলোমিটার গভীরে ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সমুদ্রে চার দিন ভেসে থাকার পর ২৯ জুলাই ৯ জেলেকে উদ্ধার করেছে অপর দুটি মাছধরা ট্রলার।

উদ্ধার জেলেরা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে আবদুর রশিদ মাঝি ১৫ জেলেসহ মহিপুর থেকে ওই ট্রলারটি নিয়ে গভীর সাগরে যায়। শুক্রবার সকালে শেষ বয়ার ৭৫ কিলোমিটার গভীরে গিয়ে জাল ফেলার পর হঠাৎ একটি ঝড় ও উত্তাল ঢেউয়ের তাণ্ডবে তাদের ট্রলারটি দুমড়ে মুচড়ে  ডুবে যায়। এসময় তাদের কাছ থেকে একজন স্রোতে ভেসে যায়। তারা ১৪ জন বাঁশ ও ফ্লুটের সাহায্যে ভাসতে শুরু করলে দুই দুফায় আরও ৫ জন স্রোতে ভেসে হারিয়ে যায়। পরে বাকিরা ভাসতে ভাসতে শেষ বয়া এলাকায় পৌঁছালে সোমবার রাতে দুটি ট্রলার ওই ৯ জেলেকে উদ্ধার করে।