নির্ধারিত ৯০ মিনিট ১–১ সমতায় শেষ করে মিশর–অস্ট্রেলিয়া। তাই ফল নির্ধারণে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে। সেখানেও সমতায় শেষ করে দু'দল। এরপর টাইব্রেকারে অস্ট্রেলিয়াকে ৪-২ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় উঠেছে মিশর।
ম্যাচের ১৩ মিনিটের মাথায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে গোলের দেখা পায় মিশর। গোল করে দলকে এগিয়ে দিয়েছেন ইমান আশুর। ফ্রি-কিক থেকে দারুণ এক পরিকল্পিত আক্রমণ সাজায় মিশর। মোহাম্মদ সালাহ সরাসরি শট না নিয়ে ছোট পাস দেন ইমান আশুরকে। আশুরের প্রথম শটটি প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে ফিরে আসে।
তবে বলটি বিপদমুক্ত করতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। আবারও বল ভেসে আসে বক্সে, নিখুঁত হেডে বল জালে জড়ান আশুর। এতেই লিড পায় মিশর। এরপর গোল শোধে মরিয়া হয়ে খেলতে থাকে অস্ট্রেলিয়া। তবে গোলের দেখা পায়নি তারা। এতে পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যেতে হয় অস্ট্রেলিয়াকে।
বিরতি থেকে ফিরে ম্যাচের ৫৫ মিনিটে মোহাম্মদ হানির করা আত্মঘাতী গোলে সমতায় ফিরে অস্ট্রেলিয়া। ফ্রি–কিক থেকে উড়ে আসা বলটিকে ক্লিয়ার করতে চেয়েছিলেন হানি। কিন্তু ঠিকঠাক সংযোগে ব্যর্থ হওয়ায় বল জড়ায় নিজেদে জালে।
এরপর আর কোনো গোল না হলে ১-১ সমতায় শেষ হয় নির্ধারিত সময়ের খেলা। অতিরিক্ত সময়েও গোলের দেখা পায়নি কোনো দল। ফলে খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে।
টাইব্রেকারে প্রথম শট নিতে আসেন অস্ট্রেলিয়ার হ্যারি শুটার। তবে বল জালে জড়াতে ব্যর্থ হন তিনি। মাহমুদ সাবের প্রথম শট নিতে এসে মিশরকে এগিয়ে দেন। তবে দ্বিতীয় শটে গোল করে কিছুটা অস্ট্রেলিয়াকে স্বস্তি এনে দেন জ্যাকসন আরবিন। অন্যদিকে, মিশর তাদের দ্বিতীয় শটেও গোল পায়।
এবার আর ভুল হয়নি অস্ট্রেলিয়ার। তৃতীয় শটে আওয়ার মাবিল গোল করে বসেন। মিশরের তৃতীয় শট ঠিকঠাক হলেও চতুর্থ শট নিতে এসে আরেকবার অস্ট্রেলিয়াকে বেকাদায় ফেলেন হেরিংটন। তাতে চতুর্থ শট নিতে এসে আবদেল মাগিদের বল জালে জড়ালে বিজয়ের উৎসব শুরু হয় মিশরের।