মেয়াদোত্তীর্ণ ডায়াপারে নতুন মেয়াদ বসিয়ে বিক্রি, জরিমানা আদায়

মেয়াদোত্তীর্ণ শিশু ডায়াপারের পুরোনো মেয়াদ মুছে নতুন তারিখ বসিয়ে বাজারজাত করার অভিযোগে চট্টগ্রামের পটিয়ায় একটি প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। 

ওই অভিযানে প্রায় ৩২ লাখ টাকা মূল্যের ২০ হাজার পিস মেয়াদোত্তীর্ণ বেবি ডায়াপার জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার পাচুরিয়া ও হালিম খাঁর চর এলাকায় জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয় এবং পটিয়া থানা পুলিশের সমন্বয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানকালে হালিম খাঁর চর এলাকার হাক্কানিয়া পেপার অ্যান্ড পাল্প মিলের গুদাম ও কার্যক্রমে এই অনিয়ম ধরা পড়ে। প্রতিষ্ঠানটি আমদানি করা বেবি ডায়াপারের মূল মেয়াদ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ শেষ হওয়ার পর কৌশলে সেই মেয়াদ মুছে ফেব্রুয়ারি ২০২৭ ও ডিসেম্বর ২০২৮ সালের নতুন মেয়াদ বসিয়ে বাজারজাত করছিল বলে অভিযানে পাওয়া যায়।

এ ঘটনায় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইনে প্রতিষ্ঠানটিকে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। 

পাশাপাশি মেয়াদোত্তীর্ণ প্রায় ২০ হাজার পিস বেবি ডায়াপার, যার বাজারমূল্য প্রায় ৩২ লাখ টাকা, জব্দ করে কেটে ধ্বংস করা হয়।

এছাড়া পটিয়ার পাচুরিয়া মোড় এলাকার খাজা হোটেলকে অপরিচ্ছন্ন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য রান্না ও প্রস্তুতের দায়ে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই এলাকার ক্যাফে ফুলবনকে উৎপাদিত পণ্যের মেয়াদ যথাযথভাবে উল্লেখ না করা এবং অপরিচ্ছন্ন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য রান্না ও প্রস্তুতের কারণে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ বলেন, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্যের মেয়াদ পরিবর্তন করে নতুন মেয়াদ বসিয়ে বাজারজাত করা ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার শামিল। বিশেষ করে শিশুদের ব্যবহারের পণ্যের ক্ষেত্রে এ ধরনের অনিয়ম অত্যন্ত গুরুতর।