জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) নিরাপত্তা শাখার প্রধান কার্যালয়ের সংলগ্ন এলাকা থেকে একটি গাঁজার গাছ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উপস্থিতিতে গাছটি মাটি থেকে উপড়ে ফেলে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গতকাল দুপুর দেড়টার দিকে একটি তথ্যের ভিত্তিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জাকসু) স্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তাবিষয়ক সম্পাদক হুসনী মোবারক নিরাপত্তা কার্যালয় প্রাঙ্গণে গিয়ে গাছটির অস্তিত্ব দেখতে পান। পরে বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলে বেলা তিনটার দিকে সহকারী প্রক্টর ড. মো. আল-আমিন খানের উপস্থিতিতে গাছটি অপসারণ করে ধ্বংস করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সেখানে কেউ মাদক সেবন শেষে বীজ ফেলে যাওয়ায় গাছটি প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে উঠেছিল।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কার্যালয়ের মতো সংবেদনশীল একটি জায়গার পাশে এমন উদ্ভিদের উপস্থিতি নিয়ে চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাকসু প্রতিনিধি হুসনী মোবারক। তিনি বলেন, ‘নিরাপত্তা শাখার মতো সংবেদনশীল চত্বরে দীর্ঘদিন ধরে একটি গাঁজার গাছ বেড়ে ওঠা দায়িত্বশীলদের চরম অবহেলা ও সচেতনতার ঘাটতি নির্দেশ করে। ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্তের পাশাপাশি নিরাপত্তাকর্মীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা দরকার।’
এদিকে কার্যালয় চত্বরে গাঁজার গাছ বেড়ে ওঠার বিষয়ে দায় এড়ানোর বক্তব্য দিয়েছে সংশ্লিষ্ট শাখাগুলো। এস্টেট শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. আবুল কাশেম দাবি করেন, দায়িত্বপ্রাপ্ত মালি গাছটি চিনতে না পেরে সৌন্দর্যবর্ধক সাধারণ ফুলের গাছ ভেবে কাটেননি।
অন্যদিকে নিরাপত্তা শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. জেফরুল হাসান চৌধুরী জানান, তাদের মূল দায়িত্ব ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; প্রশাসনিক চত্বরের ভেতরে কোন গাছ কীভাবে বেড়ে উঠছে, সে বিষয়ে এস্টেট শাখারই তদারকি করার কথা।