স্থগিতাদেশ উপেক্ষা করে জাবিতে ভিপি-জিএসের নির্দেশে চলছে মাঠ সংস্কার

আপডেট : ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৫:৪৭

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হল সংলগ্ন খেলার মাঠ সংস্কারের কাজ প্রশাসনের স্থগিতাদেশের পরও হল ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) ও সাধারণ সম্পাদকের (জিএস) নির্দেশে চলমান রয়েছে।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকাল থেকে এ কাজ চলতে দেখা গেছে। ওইদিন বিকেল ৪ টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কাজ অব্যাহত ছিল।

এর আগে গতকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মাঠ সংস্কারের কাজ সাময়িকভাবে স্থগিতের কথা জানানো হয়। সরকারি ক্রয় বিধিমালা (পিপিআর) লঙ্ঘন এবং দরপত্র ছাড়াই লাইসেন্সবিহীন ঠিকাদারকে কাজ দেওয়ার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

তবে আজ দুপুর ১২টার দিকে সরেজমিনে দেখা যায়, মাঠে সংস্কারকাজ চলমান। একটি বুলডোজার দিয়ে মাঠের মাটি সমান করা হচ্ছে। পাশাপাশি ট্রাক্টরে করে মাটি এনে মাঠে ফেলা হচ্ছে। কয়েকজন শ্রমিককে কোদাল ও ঝুড়ি দিয়ে মাটি সরানো ও মাঠ প্রস্তুতের কাজ করতে দেখা যায়।

প্রশাসনের স্থগিতাদেশের পরও কীভাবে কাজ চলছে, জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, ‘তদন্ত চলাকালে কাজ সাময়িক বন্ধ থাকবে। তদন্তের পরে দ্রুত কাজটি শেষ করে দেওয়া হবে। অনিয়মের জন্য যারা দায়ী, তাদের চিহ্নিত করে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। এটাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।’

যোগাযোগ করা হলে হল সংসদের ভিপি অমিত বণিক বলেন, ‘হলের শিক্ষার্থীরা মাঠের সংস্কারকাজ চালু রাখার পক্ষে। তাই কাজ চলছে। বৈধ কারণ ছাড়া প্রশাসন মাঠের সংস্কারকাজ বন্ধ করতে পারে না।’

উল্লেখ্য, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের অসমাপ্ত খেলার মাঠ সংস্কারের জন্য ৭ লাখ ৩১ হাজার টাকা বাজেট ধরা হয়েছে।

 
ইত্তেফাক/এমএএম