প্রথমবার কারও সঙ্গে ডেটে গেলে নার্ভাস বা অস্বস্তি বোধ করা স্বাভাবিক। অপরিচিত একজন মানুষের সামনে নিজের ব্যক্তিগত জীবন, সম্পর্ক বা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলার সময় অনেকেই প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তথ্য দিয়ে ফেলেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রথম ডেট কোনো চাকরির ইন্টারভিউ নয়। তাই নিজেকে প্রমাণ করতে গিয়ে ব্যক্তিগত বিষয় অতিরিক্ত শেয়ার না করাই ভালো।
আপনি এখনো সিঙ্গেল কেন
প্রথম ডেটেই নিজের পুরোনো সম্পর্কের বিস্তারিত ইতিহাস তুলে ধরার প্রয়োজন নেই। কেন এখনো সিঙ্গেল, কতগুলো সম্পর্ক ছিল বা কেন সেগুলো ভেঙেছে—এসব ব্যক্তিগত বিষয় সম্পর্ক কিছুটা এগোনোর পর আলোচনা করা যেতে পারে।
ব্যক্তিগত তথ্য
বেতন কত, পরিবারে কার সঙ্গে কেমন সম্পর্ক, মদ্যপান করেন কি না—এ ধরনের ব্যক্তিগত বিষয় প্রথম দিকের আলাপে এড়িয়ে চলাই ভালো। কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বস্তি হলে সরাসরি বলতে পারেন, ‘আমি এখনই এ বিষয়ে কথা বলতে স্বচ্ছন্দ নই।’
ক্যারিয়ার নিয়ে অনিশ্চয়তা
চাকরি পরিবর্তন, ক্যারিয়ারে এখনো পুরোপুরি স্থির হতে না পারা কিংবা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে উদ্বেগ থাকা স্বাভাবিক। এসব নিয়ে নিজেকে অপরের কাছে যোগ্য প্রমাণ করার চেষ্টা না করে প্রয়োজন অনুযায়ী সংক্ষিপ্তভাবে কথা বলাই ভালো।
মেসেজের জবাব দিতে দেরি হওয়ার কারণ
কাজে ছিলেন, মেসেজ দেখেননি বা ব্যস্ত ছিলেন—এ ধরনের সাধারণ কারণের জন্য অতিরিক্ত ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। সম্পর্কের শুরুতেই যদি একজন আরেকজনের প্রতিটি কাজের হিসাব দিতে অভ্যস্ত হয়ে যান, তা পরে অতিরিক্ত অধিকারবোধ বা পজেসিভনেসের কারণ হতে পারে।
প্রথম ডেটে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো স্বাভাবিক থাকা। নিজেকে অন্যের কাছে প্রমাণ করার তাড়াহুড়ো না করে ধীরে ধীরে একে অপরকে জানার সুযোগ দেওয়া ভালো। সম্পর্কের শুরুতেই সব ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ না করে পারস্পরিক আস্থা তৈরি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো শেয়ার করাই বেশি স্বস্তিদায়ক।