সন্ধ্যা ও গাবখান নদীর মোহানায় ভাঙন, আমরাজুড়ি ফেরি চলাচল বন্ধ

পিরোজপুরের কাউখালীর সন্ধ্যা ও গাবখান নদীর মোহনায় তীব্র নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে পিরোজপুর-স্বরূপকাঠি সড়কের আমরাজুড়ি-আশোয়া ফেরিঘাট ও দুই পাড়ের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিলীনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

অপরদিকে শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে আমরাজুড়ি ফেরিঘাটের আশোয়া আমরাজুড়ি প্রান্তের ফেরির পন্টুনের গ্যাংওয়ে ভেঙ্গে নদীতে পড়ে যাওয়ায় শনিবার আমরাজুড়ি ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে।

আমরাজুড়ি ফেরিঘাটের সুপারভাইজার মো. শাহ আলম জানান, গত এক যুগ ধরে কাউখালীর সন্ধ্যা ও গাবখান নদীর মোহনায় অব্যাহত ভাঙন চলছে। কর্তৃপক্ষ ফেরিঘাটের পারাপার সচল রাখতে আশোয়া প্রান্তে ঘাট স্থানান্তর শুরু করেছে। এ নিয়ে গত দুই বছরে ঘাট দুটি অন্তত ২০ দফা স্থানান্তর করা হলো। 

আমরাজুড়ি ফেরিঘাট বাজারের ব্যবসায়ী ইমাম হোসেন জানান, আমরাজুড়ি মূল বাজার এখন সন্ধ্যা নদীর মাঝখানে। ইতিমধ্যে আমড়াজুড়ি ফেরিঘাট, বাজারের অন্তত ২৫টি দোকান ও কয়েকশত বাড়ি ঘর বিলীন হয়েছে। এর আগে ভাঙনের কবলে আশোয় এলাকার মসজিদ, মাদরাসা ও আশোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বিলীন হয়ে গেছে। এছাড়া সড়ক ও জনপথের অন্তত দুই কিলোমিটার রাস্তা নদী গর্ভে চলে গেছে।

আরও পড়ুন: বেহাল দেশের বৃহৎ পর্যটন নগরীর সড়কগুলো

আমরাজুড়ি ইউপি চেয়ারম্যান সামসুদ্দোহা চাঁদ বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে ভাঙন রোধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। যুগযুগ ধরে সন্ধ্যা নদী ভাঙছে। প্রতিদিন এ জনপদের মাটি, স্থাপনা ও গাছপালা সন্ধ্যার করাল গ্রাসে চলে যাচ্ছে। ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

ইত্তেফাক/অনি