এত ঝাল কাঁচামরিচের!

আপডেট : ১৭ জুলাই ২০২০, ১৭:৪৬

ঝাল খেতে পছন্দ করেন এমন অনেক ভোজনরসিক খাবার সময় আলাদা করে কাঁচামরিচ কামড় দিয়ে খান। তাই বলে কাঁচামরিচের দামের ‘ঝাল’ পছন্দ করেন এমন ক্রেতা একজনও খুঁজে পাওয়া যাবে না। মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারে প্রতি কেজি কাঁচামরিচে দাম বেড়েছে দেড়’শ টাকার বেশি। যা রীতিমতো অবিশ্বাস্য! 

শুক্রবার বাজারে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হয় ২০০ টাকায়। আর ঝাল কম এমন কাঁচামরিচের কেজি ১৬০ টাকা। এছাড়া সবজির বাজার আগের মতোই চড়া। দাম বাড়ায় তালিকায় আরো যোগ হয়েছে পেঁয়াজ ও জিরা। দাম কমার তালিকায় রয়েছে শুধু ব্রয়লার মুরগি। 

ব্যবসায়ীরা বলেছেন, সীমান্তের ওপার থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও বর্ষণে দেশে সৃষ্ট বন্যায় ক্ষতির মুখে পড়েছে সবজি আবাদ। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলে এই ক্ষতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। অনেক সবজিখেত নষ্ট হয়ে গেছে। এজন্য কাঁচামরিচসহ সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে। 

শুক্রবার বাজারে বিভিন্ন ধরনের  সবজির মধ্যে প্রতি কেজি করল্লা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পটল ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ঝিঙা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, টমেটো, গাজর ৮০ থেকে ১০০ টাকা, আলু ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, বেগুন ৬০ থেকে ৭০ টাকা, বরবটি, চিচিঙ্গা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কচুর লতি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কচুরমুখী ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পেঁপে, কাঁকড়ল ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অথচ এক মাস আগেও সব ধরনের সবজির দাম ছিল ২০ থেকে ৪০ টাকার মধ্যে।

পেঁয়াজ, জিরার দামও বাড়তি
গত সপ্তাহের শুরুতে পেঁয়াজের দাম কমলেও সপ্তাহের শেষে এসে আবার দাম বেড়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যটির। প্রতি কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে বাজারে দেশি পেঁয়াজ ৩৫ থেকে ৪০ টাকা ও আমদানিকৃত পেঁয়াজ ২৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হয়। এছাড়া প্রতি কেজি জিরায় ১০ থেকে ৩০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৮০ টাকা।

কমেছে ব্রয়লার মুরগির দাম
এদিকে প্রতি বছরের মতো এবারও কোরবানির ঈদের আগে ব্রয়লার মুরগির দাম কমছে। বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয় ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকায়। যা গত সপ্তাহে কেজিতে ৫ টাকা বেশিতে বিক্রি হয়েছে।  

কাওরানবাজারের মুরগি ব্যবসায়ী মোশারফ বলেন, সামনে কোরবানি ঈদ থাকায় এ সময় মুরগি চাহিদা তুলনামূলক কম থাকে। ফলে দামও কমছে। এছাড়া অন্যান্য মাংসের মধ্যে গরু ৫৮০ থেকে ৬০০ টাকা ও খাসি ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। 

ইত্তেফাক/ইউবি