ঢাকা বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
২১ °সে


স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ডাক্তার ও ফার্মাসিস্টদের একযোগে কাজ করতে হবে : স্পিকার

স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ডাক্তার ও ফার্মাসিস্টদের একযোগে কাজ করতে হবে : স্পিকার
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। ফাইল ছবি

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ডাক্তার ও ফার্মাসিস্টদের একযোগে কাজ করতে হবে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় ফার্মাসি কাউন্সিল অব বাংলাদেশ আয়োজিত ‘পলিসি ডায়ালগ অন গুড ফার্মাসি প্রাকটিস ইন হসপিটাল ফার্মাসি সেটিংস অব বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, জাতীয় অর্থনীতিতে ফার্মাসিটিক্যাল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর। বাংলাদেশের দক্ষ ফার্মাসিস্টবৃন্দ স্বাস্থ্য সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। ফার্মাসিটিক্যাল সেক্টরকে কাজে লাগাতে পারলে দেশের অর্থনীতির ভিত আরও মজবুত হবে।

স্পিকার বলেন, মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের মূল দর্শন। সারাদেশে ১৪ হাজারের বেশি কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করেছে, যার প্রত্যেকটি থেকে প্রতিদিন ৬ হাজার জনকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হচ্ছে। কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ৩২ প্রকারের ওষুধ বিনামূল্যে প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়াও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মাধ্যমে তৃণমূলে স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, চিকিৎসকদের সাফল্যে বাংলাদেশকে গর্বিত করে। এ সময়ে তিনি দেশের হাসপাতালগুলোতে দক্ষ ফার্মাসিস্ট নিয়োগের মাধ্যমে ওষধ নিয়ে বিভ্রান্তি ও ওষধের ভুল প্রয়োগের হার কমিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন: যুবলীগ নেতা খালেদের বিরুদ্ধে অস্ত্র-মাদক আইনে তিন মামলা

স্পিকার আরও বলেন, বিশ্বব্যাপী ঔষধের গবেষণা, উৎপাদন, বিপণন এবং প্রয়োগের ক্ষেত্রে ফার্মাসিস্টরা তাদের নিরলস প্রচেষ্টা, ঐকান্তিক শ্রম এবং মেধা প্রয়োগের মাধ্যমে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশে বর্তমান সরকারের যুগোপযোগী সিদ্ধান্তের ফলে ওষুধ শিল্পের বিকাশে এক আমূল পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। বর্তমানে দেশের চাহিদার শতকরা ৯৮ ভাগ ওষুধ দেশে উৎপাদন হচ্ছে এবং বিশ্বের অনেক দেশে ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে।

বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এবং স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো: আসাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক এমপি এবং জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এমপি।

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর এমিরেটাস ড. এ কে আজাদ চৌধুরী, ডিরেক্টরেট জেনারেল অব হেলথ সার্ভিসেস এর মহা পরিচালক প্রফেসর ড. আবুল কালাম আজাদ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশে আবাসিক প্রতিনিধি বর্ধন জং রানা,চিটাগাং মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো: ইসমাইল খান, ঢাকা মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল প্রফেসর ড. খান আবুল কালাম আজাদ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ব বিদ্যালয়ের প্রো ভিসি প্রফেসর ডা. মো: শহিদুল্লাহ শিকদার, বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব ফার্মাসিটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ এর ভাইস প্রেসিডেন্ট মো: মোসাদ্দেক হোসেন বক্তব্য রাখেন।

এছাড়া অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মুস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, সুভাষ সিংহ রায় ও বিশিষ্ট ফার্মাসিস্ট সৈয়দ ইশতিয়াক হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

ইত্তেফাক/অনি

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
১১ ডিসেম্বর, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন