ঢাকা বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৩ আশ্বিন ১৪২৬
২৯ °সে


কাপড় ব্যবসায়ী হত্যায় ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড, ২ জনের যাবজ্জীবন

কাপড় ব্যবসায়ী হত্যায় ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড, ২ জনের যাবজ্জীবন
ফাইল ছবি

জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে রাজধানীর দোহারে কাপড় ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম হত্যা মামলায় ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রদীপ কুমার রায় এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে আরো দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কাজী সাহানারা ইয়াসমীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মৃত্যদণ্ডপ্রাপ্ত ১৫ জন হলেন- সিরাজ ওরফে সেরু কারিগর, মিনহাজ ওরফে মিনু, খলিল কারিগর, শাহজাহান কারিগর, দিদার, কালু ওরফে কুটি কারিগর, আজহার কারিগর, নিয়াজ উদ্দিন, মোজাম্মেল ওরফে সুজা, আ. লতিফ, জালাল, বিল্লাল, এরশাদ, জলিল কারিগর, ইব্রাহিম। এদের মধ্যে দিদার, এরশাদ, জলিল কারিগর, ইব্রাহিম পলাতক রয়েছে।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত দু’জন হলেন- মজিদল ওরফে মাজেদা ও চায়না বেগম। তারা দু’জনই পলাতক। কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাদেরও ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া অনাদায়ে আরও এক বছর কারাভোগ করতে হবে।

আরো পড়ুন: রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা

সাহানারা ইয়াসমিন বলেন, মামলার ভিকটিম নজরুল ইসলাম ফেরি করে কাপড়ের ব্যবসা করতেন। জায়গা-জমির বিরোধের জেরে তাকে (নজরুল ইসলাম) আসামিরা হত্যা করে। আদালত বিচার শেষে ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড ও দুজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন।

মামলার নথি সূত্রে জানা গেছে, আসামিদের সাথে ভিকটিমের জমি-জমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এর জেরে দেওয়ানি ও ফৌজদারি একাধিক মামলাও চলছিল। এর মাঝে ২০০৮ সালের ৩ এপ্রিল সকালে বুড়িগঙ্গা ব্রিজের পাশে নারিশা পশ্চিম চর এলাকায় আসামিরা ভিকটিম নজরুল ইসলামকে পিটিয়ে আহত করে। এ সময় তার স্ত্রী সূর্যভান এগিয়ে এলে তাকেও আঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় নজরুল ইসলামকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনায় পর ওই দিনই দোহার থানায় নিহত নজরুলের মামা নাজিমুদ্দিন আহমেদ বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করেন।

পরে মামলাটি ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন ওই বছরের ২৬ জুলাই ১৭ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০০৯ সালের ২৫ মে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। এছাড়া মামলায় বিভিন্ন সময় মোট ১৪ জন সাক্ষী দেন।

ইত্তেফাক/বিএএফ

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন