ঢাকা শুক্রবার, ২৯ মে ২০২০, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
২৬ °সে

জাহাজনির্মাণ শিল্প ১০ হাজার কোটি টাকার ক্ষতির মুখে

নোবেল করোনা পরিস্থিতিতে সরকারের কাছে চার দফা সুপারিশ
জাহাজনির্মাণ শিল্প ১০ হাজার কোটি টাকার ক্ষতির মুখে
জাহাজনির্মাণ শিল্প ১০ হাজার কোটি টাকার ক্ষতির মুখে

নোভেল করোনা (কোভিড-১৯) ভাইরাস সংক্রমিত হওয়ার কারণে বাংলাদেশে বিদেশি ক্রেতা না আসায় ও জাহাজ নির্মাণ শিল্পের কাঁচামাল আমদানি বন্ধ থাকার কারণে জাহাজ নির্মাণ শিল্পগুলো ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।

গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকে আগামী জুন পর্যন্ত আগাম পর্যবেক্ষণে বুঝা যাচ্ছে, অ্যাসোসিয়েশন অব এক্সপোর্ট ওরিয়েন্টেড অব শিপবিল্ডিং ইন্ডাস্ট্রিস অব বাংলাদেশ (এ ই ও এস আই বি) এর অন্তর্ভুক্ত প্রায় ২০টি জাহাজ নির্মাণ শিল্প এবং অ্যাসোসিয়েশনের বাইরে আরো প্রায় ৮০টি জাহাজ নির্মাণ শিল্প প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবে। অ্যাসোসিয়েশন অব এক্সপোর্ট ওরিয়েন্টেড অব শিপবিল্ডিং ইন্ডাস্ট্রিস অব বাংলাদেশ (এ ই ও এস আই বি) সাধারণ সম্পাদক মো. সাখাওয়াত হোসেন গতকাল শনিবার উপরোক্ত তথ্য প্রদান করেন।

তিনি আরো বলেন, এ শিল্পের সঙ্গে প্রায় ২ লক্ষাধিক জনবল প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত। বর্তমানে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রায় ১ লাখেরও বেশি স্থায়ী-অস্থায়ী শ্রমিক ও কর্মচারী চাকরিচ্যুত, মাসিক বেতন সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে। জাহাজ নির্মাণ শিল্পগুলোতে বর্তমানে চরম সংকটজনক পরিস্থিতি বিরাজমান থাকায় চলমান জাহাজ নির্মাণ কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে বন্ধ। আবার কিছু কিছু শিপইয়ার্ড অনির্দিষ্টকালের জন্য লকডাউনে গেছে।

আরো পড়ুন: সামনে ভয়ংকর দিন!

তিনি বলেন, এমন অবস্থা অব্যাহত থাকলে শিপইয়ার্ডগুলোর পক্ষে তাদের অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালনা সম্ভব হবে না। বিশ্বায়নের যুগে বর্তমান সরকার যে সব সেক্টরগুলোকে প্রাধান্য দিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে ‘ভিশন ২০২১’ থেকে উন্নয়নকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এর মধ্যে জাহাজ নির্মাণ শিল্প অন্যতম। বর্তমান এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ তহবিল থেকে অনুদান প্রদানের জন্য অর্থমন্ত্রী ও শিল্পমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করা হয়। এছাড়াও তিনি এই শিল্পের শ্রমিক-কর্মচারীদের আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত বেতন বাবদ প্রতিমাসে প্রত্যেক কর্মচারীকে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান, জাহাজ নির্মাণ শিল্পগুলোর মাসিক বিদ্যুত্ বিল, গ্যাস বিল ও পানির বিল ডিসেম্বর পর্যন্ত মওকুফ, শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতনভাতাদির ওপর আয়কর মওকুফ এবং শিপইয়ার্ডগুলো চালু রাখার জন্য দুই শতাংশ হারে সরল সুদে ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল হিসাবে ৩ হাজার কোটি টাকা ঋণের ব্যবস্থা করার জন্য সরকারের প্রতি আবেদন জানান তিনি।

ইত্তেফাক/এএএম

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
২৯ মে, ২০২০
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন