বশেমুরবিপ্রবিতে ৪ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শিক্ষক নির্যাতনের অভিযোগ

আপডেট : ০৫ নভেম্বর ২০১৯, ১৯:২৩

গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) আইন বিভাগের ৪ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন ওই বিভাগের শিক্ষক আব্দুল কুদ্দুস মিয়া। গত ৩০ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. নূরউদ্দীন আহমেদের নিকট এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগে করেছেন তিনি।

অভিযোগপত্রে আব্দুল কুদ্দুস মিয়া উল্লেখ করেছেন, গত ২৯ অক্টোবর আইন বিভাগের ৪ শিক্ষার্থী হাসান আলী, বরকত উল্লাহ নাঈম, এস এম আব্দুল্লাহ কাফি এবং মোহাম্মদ সোলায়মান রাব্বি তার রুমে ঢুকে দরজা জানালা বন্ধ করে পদত্যাগের জন্য চাপ প্রয়োগ করে এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। আর এতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।

এ বিষয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, তারা শুধুমাত্র পদত্যাগ করার দাবি জানিয়েছিলেন। মানসিক কোন নির্যাতন তারা করেনি।

অভিযুক্তরা আরও বলেন, শিপইয়ার্ড থেকে দুই কোটি টাকার বই কেনার মত অবৈধ কাজসহ বিভিন্ন নিয়মবহির্ভূত কাজের সঙ্গে তিনি সরাসরি যুক্ত ছিলেন। এ সকল কারণে আমরা তাঁর পদত্যাগ দাবি করেছিলাম। তিনি যেহেতু আমাদের শিক্ষক, আমরা চাইনি আন্দোলন করে সম্মানহানি করতে। আর একারণেই তাঁকে অনুরোধ করতে গিয়েছিলাম।

আরও পড়ুন: প্রেমিক সেজে অস্ত্রের মুখে মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ

অভিযোগপত্রে প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে আব্দুল কুদ্দুস মিয়া, ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. বি কে বালা এবং জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এম এ সাত্তারের নাম উল্লেখ করেন।

এ বিষয়ে অধ্যাপক ড. বি কে বালা বলেন, আমি শিক্ষার্থীদের কোনোরূপ খারাপ আচরণ বা ভয়ভীতি প্রদর্শন করতে দেখিনি। তারা শুধুমাত্র পদত্যাগ দাবি করেছিলো।

জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এম এ সাত্তার এ বিষয়ে জানান, আমি ঘটনার পরে রুমে প্রবেশ করে কুদ্দুস মিয়ার কাছ থেকে বিস্তারিত শুনি।

এদিকে ঘটনা তদন্তে অধ্যাপক ড. এম এ সাত্তারকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং তদন্ত কমিটিকে আগামী ৭ দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।

ইত্তেফাক/এএএম