ঢাকা মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১২ ফাল্গুন ১৪২৬
২০ °সে

হিমালয় কন্যার দেশে ‘ইত্যাদি’

হিমালয় কন্যার দেশে ‘ইত্যাদি’
বাংলাদেশের সর্বোত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় এবারের ‘ইত্যাদি’ ধারণ করা হয়। ছবি-সংগৃহীত

স্টুডিওর বাইরে ইত্যাদি ধারণের ধারাবাহিকতায় এবারের পর্ব ধারণ করা হয়েছে হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত আঁকাবাঁকা সীমান্ত পরিবেষ্টিত বাংলাদেশের সর্বোত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। গত ১৭ জানুয়ারি মুক্তিযুদ্ধের গৌরবদীপ্ত উপজেলা তেঁতুলিয়া সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক মাঠে ধারণ করা হয় এবারের ইত্যাদি। মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধাদের বাছাই, প্রশিক্ষণ, গোলা-বারুদ সংরক্ষণ ও বিতরণ করা হয়েছিল এই মাঠ থেকেই।

নদী ও ভূমি থেকে পাথর উত্তোলন, সমতল ভূমিতে চা বাগান, মুক্তিযুদ্ধের গৌরবগাঁথা ও পঞ্চগড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সঙ্গে সাদৃশ্য রেখে নির্মাণ করা আলোকিত মঞ্চের সামনে লক্ষাধিক দর্শকের উপস্থিতিতে ধারণ করা হয়েছে এবারের ইত্যাদি। ধারণ উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধকালীন দেশের অন্যতম প্রধান মুক্তাঞ্চল তেঁতুলিয়ায় ছিল উত্সবের আমেজ।

অনুষ্ঠানস্থলে তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না। বিকেলের মধ্যেই বিদ্যালয়ের মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় হাজার হাজার মানুষ আশেপাশের গাছ, স্কুলের ছাদ ও রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে মন্ত্রমুগ্ধের মতো উপভোগ করেছেন ইত্যাদির নান্দনিক সব পর্ব। ইত্যাদির এই ধারণ অনুষ্ঠান চলে বিকেল ৫টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত। পঞ্চগড়ের ইতিহাস, ঐতিহ্যর পাশাপাশি এবার রয়েছে পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় এবং মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলোর ওপর তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন।

দেশের একমাত্র পাথরের জাদুঘর রক্স মিউজিয়াম এবং পঞ্চগড়ের সমতলে চা চাষের ওপর রয়েছে দুটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন। রয়েছে ঠাকুরগাঁওয়ের নবম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী শিক্ষানুরাগী সুখী আক্তারের জীবন সংগ্রামের ওপর একটি হূদয়স্পর্শী প্রতিবেদন। বিদেশি প্রতিবেদন পর্বে রয়েছে বার্সেলোনায় পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় স্থান মিউজিয়াম অব ইলুউশনের ওপর একটি সচিত্র প্রতিবেদন।

আরও পড়ুন: ভোটার উপস্থিতি বাড়াতে নানা প্রচেষ্টা

পঞ্চগড় জেলা ও তেঁতুলিয়ার উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় নিয়ে মোহাম্মদ রফিকউজ্জামানের কথায়, হানিফ সংকেতের সুর ও মেহেদীর সংগীতায়োজনে একটি গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করেছেন পঞ্চগড় ও তেঁতুলিয়ার প্রায় দেড় শতাধিক নৃত্যশিল্পী। নাচের গানে কণ্ঠ দিয়েছেন কমল, তানজিনা রুমা, শুক্লা, কৃষ্ণা ও রিয়াদ। নৃত্য পরিচালনা করেছেন গাথী গাঙ্গুলী ও তিলোত্তমা দাস। শিকড়ের সন্ধানে, প্রলোভন প্রশমন ও সুশিক্ষা, অতিরঞ্জিত উত্সাহ ও এর কুফল, রাশিফলের রহস্য, সাংঘাতিক সাংবাদিক, বিয়ে বৃত্তান্তসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর রয়েছে বেশ কয়েকটি নাট্যাংশ।

ইত্যাদির এই পর্বটি একযোগে বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে প্রচারিত হবে আগামী ৩১ জানুয়ারি রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর। ইত্যাদি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত।

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
icmab
facebook-recent-activity
prayer-time
২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন