আকন্দ গাছের যত গুণ

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৩৭

গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ। আকন্দ দুই ধরনের—শ্বেত আকন্দ ও লাল আকন্দ। আকন্দ, অর্ক, মান্দার, মাদার, আক, আকওয়ান প্রভৃতি স্থানীয় নামেও অনেকের কাছে পরিচিত। শ্বেত আকন্দের ফুলের রং সাদা এবং লাল আকন্দের ফুলের রং বেগুনি। গাছের ছাল ধূসর। কাণ্ড শক্ত ও কচি ডাল লোমযুক্ত। পাতা সরল, প্রতিমুখ, তির্যকাপন্ন, পুরু, শিরা বিন্যাস জালিকাকার। পাতা ৪ থেকে ৮ ইঞ্চি লম্বা, উপরিভাগ মসৃণ এবং নিচের দিক তুলোর মতো। বৃন্ত ক্ষুদ্র এবং বৃন্তদেশ হৃদপিণ্ডাকৃত। 

হাঁপানি রোগের মহৌষধ আকন্দ পাতা | ধানসিঁড়ি নিউজ

গাছের পাতা ছিঁড়লে কিংবা কাণ্ড ভেঙে ফেললে দুধের মতো কষ (তরুক্ষীর) বের হয়। পাতায় এনজাইম সমৃদ্ধ তরুক্ষীর বিদ্যমান। এতে বিভিন্ন গ্লাইকোসাইড, বিটা-এমাইরিন ও স্টিগমাস্টেরল আছে। ফল সবুজ, অগ্রভাগ দেখতে পাখির ঠোঁটের মতো। বীজ লোমযুক্ত, বীজের বর্ণ ধূসর কিংবা কালচে হয়ে থাকে। সর্বত্র আকন্দ পাওয়া যায় এবং তবে পরিত্যক্ত স্থানে বেশি জন্মে। ইন্দোনেশিয়া, মালেশিয়া, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, ভারত, চীন ও নেপালে উদ্ভিদটি পাওয়া যায়।

আকন্দ পাতা কাজ করে হাঁপানি রোগের মহৌষধ হিসাবে – Rediun

আকন্দ ব্যথা নিবারক ও বিষনাশক হিসেবে খুবই কার্যকর। বায়ুনাশক, উদ্দীপক, হজমকারক, গর্ভপাতক, পাকস্থলীর ব্যথা ও ক্ষতস্থান ফোলা নিবারক হিসেবে এর ব্যবহার সুবিদিত। এছাড়াও প্লীহা, দাদ, অর্শ, কৃমি ও শ্বাসকষ্টে আকন্দ খুবই উপকারী। এর ফুল ডায়াবেটিসের জন্যে বিশেষ উপকারী বলে মনে করা হয়।

ইত্তেফাক/কেকে