ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০১৯, ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
২১ °সে


বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার করার পক্ষে নয় ইসি

বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার করার পক্ষে নয় ইসি
ফাইল ছবি

আগামীতে বাড়ি বাড়ি না গিয়েই ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার কৌশল নিয়ে এগোচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার হালনাগাদ করার ম্যানুয়াল পদ্ধতি ছেড়ে ডিজিটাল পদ্ধতিতে নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহের উপায় খুঁজছে কমিশন। ভোটার হালনাগাদ কার্যক্রম ডিজিটালাইজড করা এবং পরবর্তী কর্মপদ্ধতি ঠিক করতে এরই মধ্যে দুই দিনব্যাপী একটি কর্মশালা শেষ করেছে ইসি। কর্মশালা থেকে বাড়ি বাড়ি না গিয়ে নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহে কী ধরনের নিবন্ধন ফরম করা প্রয়োজন, আইন-বিধিমালায় কী ধরনের সংশোধন, পরিবর্ধন, পরিমার্জন প্রয়োজন—এসব বিষয়ে ইসির মাঠপর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তাদের সুপারিশ চাওয়া হয়েছে।

ইসির এনআইডি থেকে বলা হয়েছে, আগামীতে পর্যায়ক্রমে সব নাগরিকের হাতে জাতীয় পরিচয়পত্র তুলে দিতে চায় কমিশন। প্রাথমিকভাবে ১০ বছর বয়সি, পরবর্তীতে শূন্য থেকে পাঁচ বছর বয়সিদেরও এনআইডি দেওয়ার পরিকল্পনা আছে। এজন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা কঠিন। থানা বা উপজেলা পর্যায়ে স্থায়ীভাবে নিবন্ধনকেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা আছে।

ইসির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় আইনে থাকলেও কিছু তথ্য সংগ্রহকারী ভোটারদের বাড়িতেই যান না। বাড়িতে গেলেও ভোটারদের পাওয়া যায় না। অনেক ক্ষেত্রে ঢাকা শহর বা অন্যান্য বিভাগীয় শহরে বাড়িতে প্রবেশের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়েন তারা। এজন্য তথ্য সংগ্রহকারী কেউ কেউ পাড়া-মহল্লার প্রভাবশালী ও পরিচিতদের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করেন। আবার তথ্য সংগ্রহকারীরা তাদের পছন্দমতো কোনো স্কুল, কলেজ, স্থানীয় কোনো ক্লাব কিংবা মসজিদ প্রাঙ্গণে বসে নিজেদের বেঁধে দেওয়া সময়ে তথ্য সংগ্রহ করেন। ফলে ভোটারযোগ্য অনেকে না জানার কারণে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন না। সঠিকভাবে মৃত ভোটারও শনাক্ত করা সম্ভব হয় না। বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা করার ক্ষেত্রে ত্রুটি থেকে যায়। গত রবিবার ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম যুগোপযোগীকরণ এবং ভোটার নিবন্ধন-সংক্রান্ত ফরমসমূহ পুনর্বিন্যাসকরণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম বলেন, বর্তমানে যেহেতু নির্বাচন কমিশন বিগত এক বছরে ভোটার হওয়ার যোগ্য নাগরিকদের ভোটার করার কাজ হালনাগাদ করে, তাই বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের মতো বিপুল কর্মযজ্ঞ করা বাস্তবসম্মত নয়। এটি ব্যয়বহুল এবং প্রক্রিয়াটি জটিল।

আরও পড়ুন: পদ্মা-মেঘনায় থেমে নেই ইলিশ ধরা

একই অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের কাজ না-ই করা যেতে পারে। তবে এর বিকল্প হিসেবে আমাদের এমন একটি পদ্ধতি বের করতে হবে, যা একই সঙ্গে সহজ, কার্যকর এবং ভোটার তালিকার বিশুদ্ধতা কোনোভাবেই যেন বিঘ্নিত না করে।

ইত্তেফাক/এসি

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
২১ নভেম্বর, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন