ঢাকা সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১ আশ্বিন ১৪২৬
২৯ °সে


ছাত্রদলের ফের তাণ্ডব

ছাত্রদলের ফের তাণ্ডব
ছাত্রদল নেতাদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারসহ বিভিন্ন দাবিতে গতকাল বিলুপ্ত কমিটির সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসানের সঙ্গে অন্য গ্রুপের নেতাকর্মীদের মারামারি হয়: ইত্তেফাক

গতকাল দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ছাত্রদলের বহিষ্কৃত সাবেক নেতা ও তাদের কর্মী সমর্থকরা তাণ্ডব চালিয়েছেন। তারা ৫টি ককটেল বিস্ফোরণ, পদপ্রত্যাশীদের মারধর, কার্যালয়ের বিদ্যুত্ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়ে প্রবেশ গেটে তালা এবং নেতাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছেন। কার্যালয় থেকে বের হওয়া নেতাকর্মীদের মারধর করেছেন তারা। তাদের তোপের মুখে পড়েন দলটির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ।

আজ মঙ্গলবার আবারও একই ধরনের কর্মসূচি পালন করবে বলে জানিয়েছেন বিক্ষুব্ধরা। বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত তারা সেখানে অবস্থান করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এসময় তারা বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবি ও কাউন্সিলের তফসিল বাতিল ও বয়সসীমা তুলে দিয়ে কমিটি করার দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। বিক্ষুব্ধরা সেখানে আসার আগে এবং চলে যাওয়ার পর ছাত্রদলের কাউন্সিলকে স্বাগত জানিয়ে নয়াপল্টনে পদপ্রত্যাশীরা মিছিল বের করেন।

অন্যদিকে যখন বিদ্রোহীরা বাইরে রাস্তায় বিক্ষোভ করছিলেন তখন কার্যালয়ের ভেতরে ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও মহানগর বিএনপির কয়েকশ নেতাকর্মী অবস্থান করছিলেন। আন্দোলনকারীরা কোনো ধরনের সহিংসতা করলে তা প্রতিহতের ঘোষণা দেন তারা। কিন্তু ঘটেছে তার উলটো। কার্যালয়ের ভেতর থেকে কেউ বের হলে তাকে পিটিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

এদিকে কার্যালয়ে প্রবেশ করতে গিয়ে তোপের মুখে পড়েন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন। মিলনকে উদ্দেশ করে বিক্ষুব্ধরা বলেন, সিন্ডিকেটের জন্য আজ কমিটির এই অবস্থা। এসব অবৈধ সিন্ডিকেট আমরা মানি না। আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা যাব না। এখানে আপনি থাকলে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তার দায় আমরা নেব না। পরে মিলন অফিসে না ঢুকে চলে যান। এছাড়া ছাত্রদলের পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ইউনিটের এক নেতা কার্যালয়ে ঢুকতে চাইলে তাকে মারধর করা হয়।

বিক্ষুব্ধ ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা দুই ঘণ্টা বিক্ষোভের পর বিএনপি কার্যালয়ের পাশে পরপর পাঁচটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটান। এসময় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আরো একটি ককটেল অবিস্ফোরিত অবস্থায় দেখা যায়। এতো কিছু ঘটলেও সেখানে বা আশপাশে পুলিশকে দেখা যায়নি।

আরও পড়ুন: যত আঘাত এসেছে আওয়ামী লীগ ততই শক্তিশালী হয়েছে

এদিকে বিক্ষোভ চলাকালে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ভেতরে অবস্থান করছিলেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, ছাত্রদলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের জুয়েল।

ইত্তেফাক/নূহু

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন