নারী অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল আইসিসি ২০১৯ সালের অক্টোবরে। প্রথম আসরের আয়োজকের দায়িত্ব পেয়েছিল বাংলাদেশ। যেটি চলতি মাসে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে টুর্নামেন্ট স্থগিত হয়েছিল। আইসিসির সর্বশেষ সভায় টুর্নামেন্টের নতুন সূচি হয়েছে। চলতি বছরের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হবে নারী অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের প্রথম আসর।
গতকাল এ তথ্য জানিয়েছেন বিসিবির উইমেন্স উইংয়ের চেয়ারম্যান শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল। মিরপুর স্টেডিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ‘আমরা হোস্ট হতে যাচ্ছি যেটা (নারী অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ) এই মাসে হওয়ার কথা ছিল, করোনা মহামারির কারণে হয়নি। এই বছর আমরা শেষের দিকে ডিসেম্বরে সেটা বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হবে।’
চলতি মাসে বিশ্বকাপ টার্গেট করে গত বছর প্রতিভা যাচাইয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ নারী অনূর্ধ্ব-১৯ দল গঠন করেছিল বিসিবি। ঐ দলটা থাকলেও নতুন করে অনূর্ধ্ব-১৭ দল তৈরি করতে চায় সংস্থাটি। এজন্য দেশ জুড়ে প্রতিভা অন্বেষণ কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে বিসিবি। গেম ডেভলপমেন্ট বিভাগের সহায়তায় সারা দেশের বিভাগীয় কোচদের মাধ্যমে প্রতিভাবান নারী ক্রিকেটার বাছাই করবে বিসিবির উইমেন্স উইং।
তাতে করে বিশ্বকাপের একটা প্রস্তুতি হবে, নারী ক্রিকেটের বয়সভিত্তিক দল তৈরি হবে, পাইপলাইন তৈরি হবে জাতীয় দলের। শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল গতকাল বলেছেন, ‘পুরো দেশে জেলাভিত্তিক আমরা অনূর্ধ্ব-১৭ দলগুলো প্রস্তুত করতে চাই। সেই জায়গা থেকে বাছাই করে আমাদের জাতীয় দলও গড়ব। এই প্রক্রিয়ার মধ্যে দুটি কাজ হচ্ছে। প্রতিটি জেলায় মেয়েদের একটা দল হয়ে যাচ্ছে, বিভাগেও হবে। জাতীয়ভাবেও আমরা আরেকটি দল তৈরি করব। ভবিষ্যতে তাদেরকে নিয়ে আমাদের দীর্ঘমেয়াদি কিছু পরিকল্পনা রয়েছে। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী দেখা যাবে এই দলটাই জাতীয় পর্যায়ে একটা সময় আমাদের প্রতিনিধিত্ব করবে।’
প্রাথমিক বাছাইয়ের অংশ হিসেবে বিভিন্ন বিভাগ থেকে আগ্রহী খেলোয়াড়রা নিজের স্কিলের ভিডিও ফুটেজ পাঠাবেন। আগামী ৭ থেকে ১৭ জানুয়ারির মধ্যেই ভিডিও ফুটেজ পাওয়ার পর বাছাই শুরু হবে। তারপর মাঠে চূড়ান্ত বাছাই কার্যক্রম চলবে। এবং পরে স্কিল ক্যাম্প ও চ্যালেঞ্জ সিরিজের মাধ্যমে জাতীয় অনূর্ধ্ব-১৭ দল গঠন হবে। বাছাই কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে ১ সেপ্টেম্বর ২০০৩ থেকে ৩১ আগস্ট ২০০৬ সালের মধ্যে জন্মগ্রহণকারীরা।
ইত্তেফাক/এসআই

