ঢাকা শনিবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৯, ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
২৪ °সে


সুপার ওভারের নতুন নিয়ম, স্বাগত জানালেন টেন্ডুলকার

সুপার ওভারের নতুন নিয়ম, স্বাগত জানালেন টেন্ডুলকার
সুপার ওভারের বিতর্কিত নিয়মে হেরে যায় নিউজিল্যান্ড [ছবি: ক্রিকবাজ]

দ্বাদশ বিশ্বকাপ ফাইনালে ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ডের নির্ধারিত ৫০ ওভারের ম্যাচ টাই হয়। ফলে ম্যাচটি সুপার ওভারে গড়ায়। সুপার ওভারেও দু’দল সমান-সমান রান করে। ফলে এখানেও টাই করে ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড। কিন্তু আইসিসির নিয়মানুযায়ী, ম্যাচে সবচেয়ে বেশি বাউন্ডারি-ওভার বাউন্ডারি মারতে পারায় ফাইনালে ইংল্যান্ডকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

সেই কষ্টের স্মৃতি এখনো কাঁদায় নিউজিল্যান্ড ভক্তদের। দাবি ওঠে এই নিয়ম বাতিলের। আইসিসির এই নিয়মে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ পুরো বিশ্বে সমালোচনার ঝড় উঠে। সেই সমালোচনার তালিকায় নাম ছিলো টেন্ডুলকারেরও।

এ নিয়ে শচিন টুইটে বলেন, ‘আমি মনে করি বিজয়ী দল ঘোষণার জন্য বাউন্ডারির হিসাব নয়, আরেকটি সুপার ওভারের ম্যাচ আয়োজন করা উচিৎ ছিল। শুধু বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচই নয়, ক্রিকেটের সব ম্যাচই সমান গুরুত্বপূর্ণ। আপনি দেখবেন ফুটবলে যখন অতিরিক্ত সময়ে খেলা হয় তখন কোন কিছুই ম্যাটার করে না আর।’

তবে সদ্যই নড়েচড়ে বসেছে আইসিসি। সেমিফাইনালে ও ফাইনালের ম্যাচ-সুপার ওভার টাই হলে নতুন নিয়ম নির্ধারণ করেছে আইসিসি। তারা জানিয়েছে, ‘পুরনো নিয়ম বাদ দিয়ে সুপার ওভার নিয়ে নতুন নিয়ম করা হলো। এখন থেকে আইসিসির কোন প্রতিযোগিতার সেমিফাইনাল বা ফাইনালে সুপার ওভারও যদি টাই হয়, তবে আবার সুপার হবে। পরেরটিও টাই হলে আবারো সুপার ওভার হবে। এভাবেই চলতে থাকবে, যতক্ষণ না পর্যন্ত বিজয়ী ও বিজিত দল নির্ধারিত না হবে।’

আরো পড়ুন: বিশ্বকাপের বিতর্কিত ‘বাউন্ডারি’ নিয়ম বাদ দিল আইসিসি

আইসিসির নতুন সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে টুইটারে টেস্ট ও ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ রানের মালিক টেন্ডুলকার লিখেন, ‘আমার মনে হয় এ রকম একটা সিদ্ধান্তের প্রয়োজন ছিল। যখন দু’টো দলকে কোনও ভাবেই আলাদা করা যায় না, তখন এ রকম একটা উপায় বের করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আইসিসি ভালো একটি সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হয়েছে।’

ইত্তেফাক/এমআর

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
১৬ নভেম্বর, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন