লটারির মাধ্যমে কৃষকের ভাগ্য নির্ধারণ

লটারির মাধ্যমে কৃষকের ভাগ্য নির্ধারণ
মিরাট ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে উন্মুক্ত লটারি। ছবি-ইত্তেফাক

রাণীনগরে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ন্যায্যমূল্যে খাদ্যশস্য (ধান) সংগ্রহ করার লক্ষ্যে লটারির মাধ্যমে নির্বাচন করা হচ্ছে কৃষকদের ভাগ্য। সোমবার উপজেলা খাদ্যশস্য সংগ্রহ ও মনিটরিং কমিটির সভাপতি এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল মামুনের নেতৃত্বে ৮নং মিরাট ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে উন্মুক্ত লটারির মাধ্যমে ভাগ্যবান কৃষকদের নির্বাচন করা হয় যাদের কাছ থেকে সরকারি মূল্যে ১০৪০টাকা দামে ধান কেনা হবে।

উপজেলা কৃষি অফিস থেকে জানা যায়, উপজেলায় চলতি আমন মৌসুমে ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রতি মৌসুমে বাজারে ধানের দাম না থাকায় লাগাতার লোকসান দিয়ে আসছেন কৃষকরা। লোকসান পূরণ করার লক্ষ্যে কৃষকদের কাছ থেকে সরকারি মূল্যে ধান ক্রয় করার জন্য জেলা প্রশাসনের নির্দেশক্রমে লটারির মাধ্যমে নির্বাচন করা হচ্ছে কৃষকদের।

ভাগ্য নির্ধারণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শহীদুল ইসলাম, খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম সরকার, খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম লিটন, ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

উল্লেখ্য, চলতি মৌসুমে উপজেলায় আমন ধান সংগ্রহ অভিযানে ২৬ টাকা কেজি দরে সরকারিভাবে ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৮৬১ মেট্টিক টন। লক্ষ্যমাত্রার সবটুকু ধান লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত কৃষকদের কাছ থেকে ক্রয় করা হবে। উক্ত ইউনিয়নে তালিকাভুক্ত চাষীদের মধ্যে লটারির মাধ্যমে ৭৯জন কৃষককে নির্বাচন করা হয়। পর্যায়ক্রমিকভাবে উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন থেকে ১ হাজার ৮৬১জন কৃষককে লটারির মাধ্যমে নির্বাচন করা হবে। নির্বাচিত প্রতিজন কৃষকের কাছ থেকে ১ মেট্টিক টন করে ধান ক্রয় করা হবে।

ইত্তেফাক/আরকেজি

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত