পটুয়াখালী-৪: আসন দখলে মরিয়া আওয়ামী লীগ, বিএনপি চায় পুনরুদ্ধার

আপডেট : ২৪ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৮:২৫

পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী) এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে মূলতঃ আওয়ামী লীগের নৌকার প্রার্থী মোঃ মহিব্বুর রহমান ও বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী এবিএম মোশাররফ হোসেনের মধ্যে।

আসনটিতে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে জমজমাট হয়ে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা। আওয়ামী লীগ মনোনীত মহাজোট প্রার্থী মোঃ মহিব্বুর রহমান নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে থেকে তৃণমূল পর্যায়ে গণসংযোগ শুরু করেছিলেন। প্রতীক বরাদ্দের পর পূর্ণদমে সভা-সমাবেশ ও মিছিল মিটিং করে বেড়াচ্ছেন।

বিএনপি মনোনীত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী এবিএম মোশাররফ হোসেনও সভা-সমাবেশ ও প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। 

এবারের নির্বাচনে এই আসনে ৬ জন প্রার্থী থাকলেও জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোঃ আনোয়ার হোসেন আওয়ামী লীগের নৌকা প্রার্থীর সমর্থনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এখন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন ৫ জন প্রার্থী। তারা হলেন, আওয়ামী লীগ মনোনীত মহোজোট প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মোঃ মহিব্বুর রহমান (নৌকা), বিএনপি মনোনীত ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী কেন্ত্রীয় বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন (ধানের শীষ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশে প্রার্থী মোঃ হাবিবুর রহমান (হাতপাখা), বাসদ মনোনীত বাম গনতান্ত্রিক জোট প্রার্থী জহিরুল আলম সবুজ (মই) ও ইসলামী ঐক্য জোটের আবদুর রহমান (মিনার)।

আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই আসন। ১৯৭৯, ৮৬ ও ৮৮ ও ৯৬ সালের ১৫ ফ্রেবরুয়ারি নির্বাচন ছাড়া বাকি সবকটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জয়লাভ করে। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর এখানে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ শুরু করে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায় যাওয়ার তিনটি নদীর উপর তিনটি সেতু, দেশের তৃতীয় পায়রা সমুদ্র বন্দর, তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও সাবমেরিন ল্যান্ডিং স্টেশন। এ কারণে আসনটি জেলায় গুরুত্বপূর্ণ। এ কারনে এলাকার মানুষ নৌকার দিকে ঝুঁকে পড়েছে। এসব সত্বেও লড়াই হবে নৌকা আর ধানের শীষের প্রার্থীর মধ্যে।

আরও পড়ুনঃ পটুয়াখালী-৩: নির্বাচনের মাঠ আওয়ামী লীগের দখলে

এই আসনটি আওয়ামী লীগ চায় ধরে রাখতে আর বিএনপি মরিয়া পুনরুদ্ধারে।

ইত্তেফাক/নূহু