মণিরামপুর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হায়দার আলীর বিরুদ্ধে এক ছাত্রীর মেসেঞ্জারে প্রেম নিবেদনের অভিযোগ উঠেছে। শুধু ওই ছাত্রীই নয়, অভিযোগ উঠেছে একাধিক ছাত্রী এই হয়রানির শিকার হয়েছেন। সম্প্রতি এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে বিদায় নেওয়া এক ছাত্রী প্রধান শিক্ষকের আপত্তিকর ওই ফেসবুক ম্যাসেঞ্জার বার্তাটি ফাঁস করে দেয়। পরে বিচার চেয়ে বিদ্যালয় সভাপতি ইউএনও বরাবর দুই ছাত্রী লিখিত অভিযোগ দেয়।
জানা যায়, রবিবার রাত থেকে ছাত্রীদের সাথে ম্যাসেঞ্জারে প্রধান শিক্ষক হায়দার আলীর আপত্তিকর কথাবার্তার কয়েকটি স্ক্রিনশর্ট ফেসবুকে ভাইরাল হয়। এনিয়ে সর্বমহলে প্রধান শিক্ষকের অপসারণসহ তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি উঠে।
তবে নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে প্রধান শিক্ষক হায়দার আলীর দাবি, কয়েকদিন ধরে তার ব্যবহৃত আইডিতে সমস্যা দেখা দিচ্ছে। তাকে ফাঁসানোর জন্য একটি চক্র আইডি হ্যাক করে এসব কাজ করেছে। আইডি হ্যাক হলে জিডি করতে হয় তা জানা ছিল না।
অপরদিকে অভিযোগকারী দুই ছাত্রী ছাড়াও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরও কয়েকজন ছাত্রী (যাদের অডিও রেকর্ড সংরক্ষিত) প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা হয়রানির কথা জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন: গজারিয়ায় অতিরিক্ত সচিব পুলিশ কর্মকর্তাসহ আক্রান্ত ৬০
এক শিক্ষার্থী জানায়, সে বিদ্যালয়ের সভাপতি ইউএনও স্যারকে জানানোর কথা বললেই প্রধান শিক্ষক কিছুদিন চুপ হয়ে যেতেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রতিষ্ঠানের এক শিক্ষক বলেন, হেড স্যারের আইডিতে নাকি মাসখানেক ধরে সমস্যা দেখা দিয়েছে। তাই তিনি রবিবার (১৭ মে) পুরনো আইডি ব্লক করে নতুন আইডি খুলেছেন। আমাদের সেই আইডিতে রিকুয়েস্ট পাঠাতে বলেছেন।
মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি আহসান উল্লাহ শরিফী বলেন, ছাত্রীদের কাছ থেকে পাওয়া লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে একটি তদন্ত টিম গঠন করে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
ইত্তেফাক/এসি

