দক্ষিণ চট্টগ্রামের লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, বাঁশখালী, আনোয়ারা, চন্দনাইশ, পটিয়া ও বোয়ালখালী উপজেলার অর্ধশত গ্রামে আজ রবিবার ( ২৪ মে) ঈদুল ফিতর পালিত হবে ।
সাতকানিয়া উপজেলার মির্জারখীল দরবার শরীফ ও চন্দনাইশ উপজেলার কাঞ্চননগর শাহ্ সুফি মমতাজিয়া দরবার শরীফের অনুসারীরা সৌদি আরবসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাথে সঙ্গতি রেখে চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ঈদুল ফিতর উদযাপন করে থাকেন।
একাধিক সূত্র মতে,লোহাগাড়া উপজেলার আমিরাবাদ, পুটিবিলা ও উত্তর সুখছড়ী, সাতকানিয়া উপজেলার সোনাকানিয়া,মির্জাখীল, বাংলাবাজার, মাইশা মুড়া, খোয়াছপাড়া, বাজালিয়া, কাঞ্চনা, গাটিয়াডাঙ্গা, পুরানগড়, ফকিরপাড়া, কেওচিয়া, শাহ্পুর, ঢেমশা, চরতী, বাঁশখালী উপজেলার গুনাগরি, কালিপুর, গন্ডামারা, মিনজীরিতলা, ছনুয়া, সাধনপুর, চন্দনাইশ উপজেলার কা ননগর, পশ্চিম এলাহাবাদ, উত্তর কাঞ্চনগর আব্বাস পাড়া, পূর্ব এলাহাবাদ, সৈয়দাবাদ, মাইজপাড়া, হাশিমপুর, খুনিয়া পাড়া, দক্ষিণ হারলা, সাতবাড়িয়া, বরমা, বাইনঝুরি, কেশুয়া, কানাইমাদারী, দ. হাশিমপুর বড়পাড়া, ধোপাছড়ি, পটিয়া উপজেলার হাইদগাঁও, মঙ্গলার পাড়া, বাহুলী, কালারপুল, হরণা, সিয়ানপাড়া, বাতুয়া, আনোয়ারা উপজেলার তৈয়ারদ্বীপ, বুরুংছড়া এবং বোয়ালখালী উপজেলার চরণদ্বীপ, হরনদ্বীপসহ প্রায় অর্ধশত গ্রামে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।
এছাড়াও দেশের রাঙ্গামাটি, কক্সবাজার, কুমিল্লা, মুন্সীগঞ্জ, ফতুল্লাহ, নারায়নগঞ্জ, ঢাকা-গাজীপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট, মৌলভী বাজার, বরিশাল, খুলনা, বরগুনা, পিরোজপুর, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি, মাদারীপুর ও ফরিদুপুরের অনেক গ্রামে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।
উল্লেখ্য, প্রায় আড়াই‘শ বৎসর পূর্বে সাতকানিয়া উপজেলার মির্জাখীল গ্রামে হযরত মাওলানা মোখলেসুর রহমান (র.) হানাফি মাযহাবের ফতোয়া অনুযায়ী পৃথিবীর যে কোন স্থানে চাঁদ দেখা গেলে রোজা ও ঈদ উৎসব পালনের ফতোয়া দিয়েছেন। তাঁরই উত্তরসূরি বর্তমান মির্জাখীল দরবার শরীফের পীর হযরত মাওলানা আরেফুল হাই (র.) অনুসারীগণ উক্ত ফতোয়া অনুযায়ী ঈদুল ফিতর পালন করে থাকেন। সাতকানিয়া মির্জাখীল দরবার শরীফ ঈদগাহ্ ময়দানে লোহাগাড়া, সাতকানিয়া,আনোয়ারা ও বাঁশখালীসহ অন্যান্য এলাকার উক্ত পীরের অনুসারীরা সমবেত হয়ে ঈদের নামাজ আদায় করে থাকেন।
অপরদিকে, মির্জারখীল দরবার শরীফের অন্যতম খলিফা চন্দনাইশ কাঞ্চননগর শাহ্ সুফি দরবার শরীফের পীর হযরত মাওলানা শাহ্ সুফি আমজাদ আলী (র.) অনুসারীরা উক্ত নিয়মে ঈদ উৎসব পালন করে আসছেন। উক্ত দররার শরীফে বোয়ালখালী,পটিয়া ও চন্দনাইশসহ পীরের অনুসারীরা এসে ঈদের নামাজ আদায় করেন।
ইত্তেফাক/এমএএম

