লক্ষ্মীপুরে নামাজরত অবস্থায় প্রবাসীর স্ত্রী মরিয়ম বেগমের (৩৮) দুই হাতের কবজি কেটে দিয়েছে বখাটে জাহিদ হোসেনসহ দুর্বৃত্তরা। এ সময় তার শিশুসন্তান নাদিয়া সুলতানাকেও (৮) কুপিয়ে আহত করে তারা। তাদের দুই জনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। পরে তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিত্সক উন্নত চিকিত্সার জন্য ঢাকায় পাঠান। শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের বালাশপুর গ্রামের দেওয়ান বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। রাত ১০টার দিকে এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুই জনকে আটক করেছে পুলিশ। কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে তা নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।
স্থানীয় আমানত উল্যা জানান, রাতে প্রবাসী নবী উল্যার বাড়ি থেকে তার স্ত্রী মরিয়ম বেগমের চিত্কার শুনে স্থানীয়রা ঘটনা স্থলে যায়। এ সময় রক্তাক্ত অবস্থায় মা ও মেয়েকে পড়ে থাকতে দেখে তারা। ঐ বাড়ির জাহিদ নামে এক বখাটে হামলা করে তাদের জখম করে বলে স্থানীয়দের জানায় আহত প্রবাসীর স্ত্রী। এক পর্যায়ে মুমূর্ষু অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে তাদের দুই জনকে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে আনা হয়। পরে অবস্থার অবনতি দেখে চিকিত্সক তাদের ঢাকায় প্রেরণ করেন।
আরও পড়ুন: ৫৬০ মডেল মসজিদ নির্মাণে ফের সময় বাড়ছে
সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিত্সক ডা. আসিফ জানান, রাতে আহত অবস্থায় দুই জনকে সদর হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে গৃহবধূ মরিয়ম বেগমের দুই হাতের কবজি কেটে ফেলা হয়েছে ও শিশুকন্যা নাদিয়া সুলতানাকে কুপিয়েছে। তাদের দুই জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিত্সা দিয়ে উন্নত চিকিত্সার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে।
রাতে চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন জানান, কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে তা জানার চেষ্টা করছি। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুই জনকে আটক করা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।
ইত্তেফাক/এএএম

