ঢাকা রবিবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২০, ৬ মাঘ ১৪২৭
২০ °সে

উদ্বোধনীর অপেক্ষায় দ্বিতীয় মেঘনা-গোমতী এবং মেঘনা সেতু

উদ্বোধনীর অপেক্ষায় দ্বিতীয় মেঘনা-গোমতী এবং মেঘনা সেতু
দাউদকান্দিতে উদ্বোধনের অপেক্ষায় দ্বিতীয় মেঘনা-গোমতী সেতু- ইত্তেফাক

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মেঘনা দ্বিতীয় এবং দাউদকান্দিতে মেঘনা-গোমতী দ্বিতীয় সেতু আগামীকাল শনিবার উদ্বোধন করা হবে। ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে শুরু হয় সেতুগুলোর নির্মাণ কাজ। দ্বিতীয় মেঘনা এবং দ্বিতীয় মেঘনা-গোমতী সেতু ঈদের পূর্বেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে উদ্বোধন করবেন বলে সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্র জানায়। কিছু দিন পূর্বে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্স এর মাধ্যমে কাঁচপুর ২য় সেতু উদ্ধোধন করেন।

দ্বিতীয় মেঘনা এবং দ্বিতীয় মেঘনা- গোমতী সেতুর প্রকল্প পরিচালক আবুল সালেহ মোহাম্মদ নুরুজ্জামান জানান, ২৫ মে প্রধানমন্ত্রী সেতু দুটি উদ্বোধন করবেন। কাজ নির্দিষ্ট সময়ের আগেই শেষ হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের প্রায় সাত মাস আগে দ্বিতীয় কাঁচপুরসহ এই নতুন দুটি সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হওয়া প্রায় ৭০০ কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে।

আরও পড়ুন: এটিএম বুথে পর্যাপ্ত টাকা রাখাসহ লেনদেনে বাড়তি সতর্কতার নির্দেশ

সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, দ্বিতীয় মেঘনা সেতুর দৈর্ঘ্য হচ্ছে ৯৫০ মিটার বা প্রায় এক কিলোমিটার। এই সেতু নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা। ১২টি স্প্যানের ওপর নির্মিত সেতুটি চার লেনের। ১৭ দশমিক ৭৫ মিটার প্রস্থের সেতুতে রাখা হয়েছে দেড় মিটার ফুটপাথ। দ্বিতীয় মেঘনা-গোমতী সেতুর দৈর্ঘ্য হচ্ছে ১ হাজার ৪১০ মিটার বা প্রায় দেড় কিলোমিটার। এই সেতু নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ৯৫০ কোটি টাকা। ১৭টি স্প্যানের ওপর নির্মিত এই সেতুটিও চার লেনের এবং প্রস্থ ১৭ দশমিক ৭৫ মিটার। এই দুই সেতু নির্মাণে সময় লেগেছে তিন বছর পাঁচ মাস।

মেঘনা এবং মেঘনা- গোমতী সেতু নির্মাণ করেছে যৌথভাবে জাপানের ওবায়েশী কর্পোরেশন, সিমিজু কর্পোরেশন ও জেএফই ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশন। ২০১৬ সালের জুলাই মাসে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৪ লেন চালু হলে তখন থেকে কাঁচপুর, মেঘনা এবং মেঘনা-গোমতী সেতু এলাকায় যানজট শুরু হয়। দ্বিতীয় সেতুগুলো নির্মাণ শুরু হলে যানজট আরও তীব্র আকার ধারণ করে। বর্তমানে এ মহাসড়ক দিয়ে দৈনিক প্রায় ৩০ হাজার যানবাহন চলাচল করে।

আগামী ২৫ মে ঈদের পূর্বে সেতু দুটি চালু হলে রাজধানী ঢাকার সাথে বন্দর নগরী চট্টগ্রামের সড়ক পথের চলাচলে নবদিগন্তের সূচনা হবে। এ মহাসড়কে একদিকে যানজট নিরসন হবে অপর দিকে সময় বাঁচবে অনেক। যানজট না থাকলে কুমিল্লার মানুষজন গ্রামের বাড়ী থেকে গিয়ে রাজধানী ঢাকায় অফিস করতে পারবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, স্বাধীনতার পর পর শীতলক্ষ্মা নদীতে কাঁচপুর সেতু, ১৯৯০ সালে আনোয়ার হোসেন মঞ্জু যোগাযোগমন্ত্রী থাকাকালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদ ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী কাইফু মেঘনা সেতু উদ্বোধন করেন। ১৯৯৪ সালের ১ নভেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দাউদকান্দিতে নির্মিত মেঘনা-গোমতী সেতু উদ্বোধন করেন। এর আগে নদী দুটিতে ফেরির মাধ্যমে যানবাহন পারাপার করা হতো।

ইত্তেফাক/এমআরএম

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
icmab
facebook-recent-activity
prayer-time
১৯ জানুয়ারি, ২০২০
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন