বরিশালে এক স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা ও নির্যাতন করার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। বরিশাল নগরীর ১০নং ওয়ার্ড বালুরমাঠ কেডিসি কলোনীর ভিতরে এ ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগী শহীদ আলতাফ মেমোরিয়াল গালর্স স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত মাসুম হাওলাদার এলাকার চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ী ও একাধিক মামলার আসামি। তার বাবার নাম নাসির হাওলাদার। মামলা সূত্রে জানা গেছে, মাসুম ওই ছাত্রীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে নিজ ঘরের ভিতর ঢুকিয়ে মা-বোনের সহযোগিতায় ধর্ষণের চেষ্টা করে।
ঘটনার শিকার স্কুলছাত্রীর পিতা বাবুল ফরাজী পুলিশের উপস্থিতিতে বলেন, ‘গত ২ জুন আনুমানিক রাত ৯ টার দিকে তার মেয়ে নানীর বাসা থেকে নিজ বাসায় ফিরছিলো। পথে পাশের বাড়ির বাসিন্দা মাসুম হাওলাদার তার এক সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে স্কুলছাত্রীর মুখ পিছন থেকে চেপে ধরে নিজ ঘরের মধ্যে নিয়ে যায়। তারপর সে তার মা মঞ্জু বেগম ও বোন ঝুনুর সহায়তায় ঔ ছাত্রীকে হাত-পা ও বেধে প্রথমে ধর্ষণের চেষ্টা করে। না পেরে তাকে মারধর করাসহ শ্লীলতাহানী করে।’
এ সময় মেয়ের সন্ধানে ছাত্রীর বাবা বাবুল ফরাজী, মা মরিয়মসহ আত্মীয়-স্বজন খুঁজতে থাকে। এক পর্যায়ে মাসুম ছাত্রীকে ছেড়ে দেয়। বাবুল ফরাজী আরো বলেন, মাসুম ইতিপূর্বে বেশ কয়েকবার ইয়াবাসহ পুলিশের হাতে আটক হয়। সে সময় থেকে তাদের সন্দেহ করে যে, তারা তাকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছিলো। তার জের হিসেবে মেয়েকে কলংকিত করার জন্য এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এছাড়া স্কুলে যাওয়া-আসার পথে বিভিন্ন সময়ে টাকার লোভসহ বিভিন্ন কুটক্তি করে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
আরও পড়ুন: বরিশালের হিজলায় পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে ঘুরতে এসে গণধর্ষণের শিকার গৃহবধূ
কোতয়ালী মডেল থানার ওসি নুরুল ইসলাম ঐ এলাকায় গেলে মাসুম ও তার মা-বোন বাসায় তালা লাগিয়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ভিকটিমের জবানবন্দি নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টাকারী মাসুমসহ তিনজনকে আসামি করে একটি মামলা রেকর্ড করা হয়।
ওসি জানান, আসামিকে গ্রেফতারে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
ইত্তেফাক/নূহু

