ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ১৩ আষাঢ় ১৪২৬
২৭ °সে


হত্যা মামলার আসামিকে কুপিয়ে হাত-পা কেটে ফেলে হত্যা

হত্যা মামলার আসামিকে কুপিয়ে হাত-পা কেটে ফেলে হত্যা
মামলায় হাজির দিতে যাওয়ার সময় দুর্বৃত্তের হাতে খুন হন জালাল উদ্দিন। ছবি: ইত্তেফাক

নাটোরের গুরুদাসপুরে মো. জালাল উদ্দিন (৬০) নামের এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হাত-পা কেটে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে খুন করেছে দুর্বৃত্তরা। মুমূর্ষু অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়। কেটে ফেলা ডান হাত এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে গুরুদাসপুর উপজেলার সাবগাড়ী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়রা জালালকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তিনি গুরুদাসপুর উপজেলার বিয়াঘাট ইউনিয়নের যোগেন্দ্রনগর গ্রামের মৃত আনন্দ আকন্দর ছেলে।

গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আলতাব হোসেন জানান, সকাল ৮টার দিকে জালালকে হাসপাতালে আনা হয়। তার ডান হাতের কনুই থেকে নিচের অংশটি ছিল না। আর বাম হাতের কনুইয়ের নিচের অংশটি প্রায় বিচ্ছিন্ন ছিল। এছাড়া বাম পা প্রায় বিচ্ছিন্ন ছিল। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল।

হাসপাতালে আহত অবস্থায় জালাল সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি সকালে নাটোর আদালতে মামলার হাজিরা দিতে বাড়ি থেকে বের হই। রাস্তায় মোশারফের বাড়ির সামনে আমার ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় যোগেন্দ্রনগর গ্রামের মৃত আক্কাছ মণ্ডলের ছেলে সাইদুল মণ্ডল, শরিফ মণ্ডল, মৃত মোমিন মণ্ডলের ছেলে আশরাফুল ও তার আরেক ছেলে রফিক এবং মজিত মণ্ডলের ছেলে বাঘাসহ বেশ কয়েকজন আমাকে কুপিয়ে আহত করে পালিয়ে যায়।’

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত জালাল আকন্দ যোগেন্দ্রনগর এলাকার আট বছর আগের মমিন মণ্ডল হত্যা মামলার প্রধান আসামি ছিলেন। ওই মামলার হাজিরা দেওয়ার জন্য অন্য সাত আসামির সঙ্গে তিনি বাড়ি থেকে বের হন। অন্যরা আগে চলে গেলে জালালকে একা পেয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন হামলা করে।

আরও পড়ুন: মিমির বাড়িতে নুসরাতের আইবুড়ো ভাত

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিনি সম্প্রতি ঢাকায় গৃহকর্মীর কাজ করছিলেন। এছাড়া ওই এলাকার ছফুরা হত্যা মামলার সাক্ষী ছিলেন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন বড় ভাই জয়নাল আবেদীন।

গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মোজাহারুল ইসলাম জানান, কি কারণে ঘটনাটি ঘটেছে তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। জালালের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় এখনও অভিযোগ দেওয়া হয়নি। তবে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।

ইত্তেফাক/অনি

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
২৭ জুন, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন