ঢাকা মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬
২৯ °সে


প্রেমের টানে জার্মান নারী এখন খুলনার গ্রামে

প্রেমের টানে জার্মান নারী এখন খুলনার গ্রামে
স্বামী আসাদ মোড়লের সঙ্গে কাসুমি। ছবি: ইত্তেফাক

প্রেমের টানে স্বামী-সংসার ছেড়ে সুদূর জার্মানি থেকে সাত সমুদ্র পাড়ি দিয়ে খুলনার নিভৃত পল্লী গ্রামে প্রেমিকের বাড়ি এসে উঠেছেন জার্মান নারী কাসুমী সিউর। ফেসবুকে বন্ধুত্বের সূত্রে আট বছরের ছোট এবং ভিন্ন সংস্কৃতিতে বেড়ে ওঠা আসাদ মোড়লের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন তিনি। এর জন্য কাসুমী আগের স্বামী, সংসার ত্যাগ করেছেন।

আসাদের প্রেমে কাসুমী এতটাই মুগ্ধ যে, নিজ দেশ, চিরচেনা পরিবেশ, আত্মীয়-স্বজন ছেড়ে স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে ভিন্ন পরিবেশ এবং সংস্কৃতির বাংলাদেশে এসেছেন। এখন খুলনা মহানগরীর খানজাহান আলী থানার যোগিপোল গ্রামে স্বামী আসাদ মোড়লের বাড়িতে অবস্থান করছেন।

এ খবর ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক মানুষ নব দম্পতিকে দেখার জন্য প্রতিনিয়ত ভিড় করছেন। জানাচ্ছেন শুভেচ্ছাও। এতে অভিভূত কাসুমী।

খানজাহান আলী থানার যোগিপোল ৭নম্বর ওয়ার্ডের ইব্রাহিম মোড়লের ছেলে মো. আসাদ মোড়লের (৩৫) সঙ্গে দুই বছর আগে জার্মানির এ্যাসটিট ক্রিস্টিয়াল কাসুমী সিউরের (৪৩) ফেসবুকে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। এক পর্যায় তা প্রেমের সম্পর্কে রূপ নেয়। কাসুমী প্রেমের সম্পর্ক বাস্তবে রূপ দিতে গত ১০ জুন ঢাকায় আসেন। ১১ জুন খুলনায় এসে হোটেলে ওঠেন। সেখানে দুই জনের প্রথম দেখা হয়। ১২ জুন কাসুমী খুলনা নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে খ্রিস্টান ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। ১৩ জুন আসাদের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি।

কাসুমী বলেন, তাদের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। সেই ভালোলাগা থেকে তিনি এ দেশে এসে আসাদকে দেখে মুগ্ধ হয়েছেন। তাকে বিয়ে করেছেন। এখন তারা সুখী। তিনি আরো জানান, কয়েকদিন পরই তিনি জার্মানী ফিরে যাবেন। এরপর যত দ্রুত সম্ভব আসাদকে জার্মানী নিয়ে যাবেন। আসাদও তার মত করে বলেন, কাসুমীকে জীবন সঙ্গী করতে পেরে তিনিও খুশি।

আরও পড়ুন: বিজয়নগরে নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্র্রার্থী নাছিমা বিজয়ী

আসাদের বাবা ইব্রাহিম মোড়ল বলেন, ছেলে যাকে নিয়ে সুখী হবে, তাতে তাদের আপত্তি নেই। তবে, তিনি কখনও ভাবতে পারেননি, ছেলে কোনো বিদেশিনীকে বিয়ে করবে। তবে ছেলে ও ছেলের বউ সুখে থাক এখন তাই চান তিনি।

ইত্তেফাক/নূহু

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
১৬ জুলাই, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন